'আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু।'- উক্তিটি কার?
A.
মিরজাফর
B.
রায়দুর্লভ
C.
রাজবল্লভ
D.
উমিচাঁদ
সঠিক উত্তরঃ
D.
উমিচাঁদ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'স্বপ্ন ছোঁয়া' নামে একটি বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি দেশব্যাপী প্রসার লাভ করে। স্বপ্ন বিনিয়োগে মোটা অঙ্কের মুনাফা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা দেশের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যে কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোম্পানিটি এক রাতের মধ্যে সারা দেশ থেকে গায়েব হয়ে যায়। এই ভুয়া কোম্পানির কাছ থেকে দেশের সাধারণ মানুষ তাদের সর্বস্ব হারিয়ে দারুণভাবে প্রতারিত হয়।"উদ্দীপকের কোম্পানির উদ্দেশ্য এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বর্ণিত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্দেশ্য একই সূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
- “সবাই উচ্চাবিলাষী । সবাই সুযোগ খুঁজছে ৷ ” ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে এ উক্তিটি কার?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে হানাদার বাহিনীর লোকেরা এদেশের ঘুমন্ত মানুষের উপর গুলি চালায় আর সেই রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ফলে এদেশের হাজার হাজার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশমাতাকে রক্ষা করতে। কিন্তু কিছু লোক ছিল যারা পাকিস্তানের দালালে পরিণত হয়ে রাজাকার, আলবদর নাম ধারণ করে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল। রমজাম এদের মধ্যে অন্যতম। রমজান ও তার সহযোগীরা ১৪ ডিসেম্বর দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের দেখিয়ে দিয়েছিল, আর পাকিস্তানিরা তাদের মূল্যবান জীবন কেড়ে নিয়েছিল। তবুও মুক্তিযোদ্ধারা সকল বাধা অতিক্রম করে ছিনিয়ে এনেছেন আমাদের স্বাধীনতা। প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে কখনো কুণ্ঠাবোধ করেন না।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক মিল রয়েছে- বিশ্লেষণ কর।
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মঞ্জু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।
- "…………… সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?" বক্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- দিল্লির সুলতান ইলতুৎমিশ তাঁর কন্যা রাজিয়া সুলতানাকে প্রাণাধিক ভালোবাসতেন। কোনো প্রয়োজনে যখন সুলতান ইলতুৎমিশকে রাজধানী ছাড়তে হতো, তিনি তখন তার কন্যা দক্ষ সেনাপতি ও প্রশাসক রাজিয়াকে শাসনভার বুঝিয়ে দিয়ে যেতেন। পুত্র বর্তমান থাকা সত্ত্বেও সুলতান তার কন্যা রাজিয়াকে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত করেন। এতে রাজিয়ার ভাইয়েরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বহিরাগত শত্রুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজিয়াকে হত্যা করে।'সুলতানা রাজিয়া ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরিণাম একসূত্রে গাঁথা।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়'- ব্যাখ্যা করো ।
- ইতিহাস বলে সম্রাট বাবরের মৃত্যুর পর তার জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ুন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তার বয়স মাত্র বাইশ বছর। একদিকে অল্প বয়সে শাসনকার্যের গুরুদায়িত্ব, অন্যদিকে সিংহাসনে বসার পর থেকেই চলে নানামুখী ষড়যন্ত্র। এ রকম প্রতিকল পরিস্থিতিতেও যুবক শাসক হুমায়ুন ঠিকভাবে হাল ধরে অত্যন্ত সাহসিকতায় শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুনের ভাইয়েরা এবং আত্মীয়-স্বজনেরা যদিও সহযোগিতার পরিবর্তে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল, তথাপি দুর্দান্ত প্রতাপে শক্ত হাতে সবকিছুর মোকাবেলা করেন তিনি।"উদ্দীপকের হুমায়ুনের জীবনের শেষ পরিণতি আর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলার জীবনের শেষ পরিণতি একরকম নয়" মন্তব্যটির সপক্ষে তোমার মতামত দাও।
- ব্যাংক ম্যানেজার মনোয়ার হোসেন অত্যন্ত সরলমনা ও উদার প্রকৃতির মানুষ। ব্যাংকের প্রতিটি কর্মচারীকে তিনি অগাধ বিশ্বাস করেন। তাঁর মামার অনুরোধে মাকসুদ হাসান নামের এক ব্যক্তিকে তিনি ক্যাশিয়ার পদে নিয়োগ দেন এবং সিন্দুকের চাবি হস্তান্তর করেন। একদিন রাতের অন্ধকারে নৈশ প্রহরীর সহায়তায় মাকসুদ হাসান ব্যাংকের সকল অর্থসম্পদ আত্মসাত করে আত্মগোপন করেন।উদ্দীপকের যে বিষয়গুলো 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তার তুলনামূলক আলোচনা করো।
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'তুমি কম সাপিনী নও'- ঘষেটি বেগমের উক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে-
- "সবাই মিলে আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?”- উক্তিটি কে, কেন করেছে?
- নেপাল ও গোপাল দুই ভাই। জমি নিয়ে বিরোধ তাদের দীর্ঘদিন। অনেক সালিশ-বিচার করেও কেউ তাদের বিরোধ মেটাতে পারেনি। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এখন জমির ভাগ বণ্টন নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। ছোটো ভাই নেপাল বড়ো ভাইকে শায়েস্তা করতে আব্দুল নামে এক মুসলমানের কাছে ভিটের জমির এক অংশ বিক্রি করে। আব্দুল সেখানে বাড়ি বানিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। কোরবানির ঈদে সে নেপালের বাড়ির সামনে গোরু কোরবানি দেয়। এই ঘটনায় নেপালের মন ভেঙে যায়। কিছুদিন পর কাউকে কিছু না বলে জমি-জায়গা ফেলে সপরিবার ভারতে চলে যায় সে।'খাল কেটে কুমির আনা।' প্রবাদটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটক উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য।"- উক্তিটির সার্থকতা নিরূপণ করো।
- ঢাকা জেলার নিচু এলাকার জলাভূমিগুলো ভূমিদস্যুদের কবলে পড়ে ক্রমাগত নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। দিনের পর দিন মাটি ফেরে ভরাট করা হচ্ছে ঐসব জলাশয়। ফলে ঢাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন লুপ্ত হচ্ছে হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। সচেতন নাগরিক সমাজ জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘটসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে তারা। কিন্তু ভূমিদস্যুদের তৎপরতা বন্ধ হয় না কিছুতেই।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের ভূমিদস্যুদের এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজদের মনোভাব এক ও অভিন্ন।"- বিশ্লেষণ কর।
- জোহরাঃ আর একদিন কি দু'দিন। তারপরই সে ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো, আমার সঙ্গে ফিরে চলো। কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হবো না, সে হবে বিশ্বাসঘাতক। ... আমার সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব/দলত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা। (রক্তাক্ত প্রান্তর- মুনীর চৌধুরী)“ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের লর্ড ক্লাইভ উদ্দীপকে বর্ণিত কার্দির বিপরীত প্রতিচ্ছবি।”- বিশ্লেষণ করো।
- , সিয়াজউদ্দৌলা ' নাটকে কোথাকার 'মহারাণীর কথা উল্লেখ রয়েছে?
- ‘কিত্তনখোলা’ নাটকটির বিষয়-
- কী থেকে নাটকের উদ্ভব?
- 'রজার ড্রেক প্রাণ ভয়ে কুকুরের মতো ল্যাজ গুটিয়ে পালিয়েছে'- ব্যাখ্যা করো।
- সুজন মিয়া এতিম আলীকে আদর, ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করে হাটবাজারে পাঠান বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করার জন্য। প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে প্রায়ই বলেন, আলীকে এত বিশ্বাস না করতে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে সুজন মিয়া মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করলে আলী গোপনে তার সব খবর। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেয়।, পরবর্তীকালে রাজাকার আর পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সুজন মিয়াকে ধরিয়ে দেয়।"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পুরোভাব প্রকাশিত না হলেও, একটি দিক মাত্র প্রকাশিত হয়েছে।"- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।