ব্যাংক ম্যানেজার মনোয়ার হোসেন অত্যন্ত সরলমনা ও উদার প্রকৃতির মানুষ। ব্যাংকের প্রতিটি কর্মচারীকে তিনি অগাধ বিশ্বাস করেন। তাঁর মামার অনুরোধে মাকসুদ হাসান নামের এক ব্যক্তিকে তিনি ক্যাশিয়ার পদে নিয়োগ দেন এবং সিন্দুকের চাবি হস্তান্তর করেন। একদিন রাতের অন্ধকারে নৈশ প্রহরীর সহায়তায় মাকসুদ হাসান ব্যাংকের সকল অর্থসম্পদ আত্মসাত করে আত্মগোপন করেন।
উদ্দীপকের যে বিষয়গুলো 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তার তুলনামূলক আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- 'ক্লাইভের গাধা' কে?
- 'যুদ্ধ বন্ধ না করলে নবাব সৈন্য এক্ষুনি তার প্রমাণ দেবে।'- ওয়ালি খান এখানে কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- মিরজাফর অগ্নিগিরির মতো প্রচণ্ড গর্জনে ফেটে পড়বার জন্য তৈরি হন কেন?
- 'দশদিকের দশটি হাত ভর্তি করতে হিমশিম খেয়েযাচ্ছে ইংরেজ, ডাচ আর ফরাসিরা।'- এ কথারমধ্যে কোন তথ্য রয়েছে?
- শেক্সপিয়রের নাটক 'ম্যাকবেথে' রাজা ডানকানকে সেনাপতি ম্যাকবেথ নিমন্ত্রণ করেন। ভোজশেষে রাজা ঘুমাতে গেলে লেডি ম্যাকবেথের প্ররোচনায় নিজে রাজা হওয়ার আশায় ডানকানকে হত্যা করেন ম্যাকবেথ।"অর্থ, ক্ষমতা ও স্বার্থ'-এ তিনই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ষড়যন্ত্র, হত্যা ও হঠকারিতার জনক।"- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটক অবলম্বনে এই উক্তির যথার্থতা বিচার করো।
- 'ভিকটরি অর ডেথ, ভিকটরি অর ডেথ'- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- মুকিম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ময়লার ভাগাড়ের পাশে আট মাস বয়সী এক শিশুর কান্না শুনতে পান। পরম যত্নে বুকে তুলে নেন এবং নাম দেন আজমল। সে প্রায় ত্রিশ বছর আগের ঘটনা। তখন থেকেই তিনি আজমলকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করে তোলেন। নীচু মানসিকতার আজমল ছিল অত্যন্ত লোভী। সে সুযোগ খোঁজে আশ্রয়দাতার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করার। একদিন অস্ত্রের মুখে মুকিম সাহেবকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দিতে বাধ্য করে এবং স্বহস্তে আশ্রয়দাতাকে হত্যা করে আজমল।উদ্দীপকের আজমল চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- , সিয়াজউদ্দৌলা ' নাটকে কোথাকার 'মহারাণীর কথা উল্লেখ রয়েছে?
- সুসময়ে অনেকেই বন্ধু বটে হয়অসময়ের-হায় হায় কেউ কারো নয়।উদ্দীপকটি পলাশির যুদ্ধে পরাজিত নবাবের কোন মুহূর্তটিকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
- সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তার নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাক বাহিনীর হাতে।নিকটজনের দ্বারা বিপর্যয়ের শিকার রফিক উদ্দিন ও সিরাজউদ্দৌলা।'- মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্তকরেছিলেন?
- ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদের জোয়ার লাগে,পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়'- এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?
- সিরাজের কোন অমাত্য নিরীশ্বরবাদী জৈন ধর্মেরঅনুসারী ছিলেন?
- মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর 'পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরোহণের পরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সাথে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তাঁর অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও শক্ত, হাতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।'আংশিক সাদৃশ্য থাকলেও হুমায়ুন ও সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক নয়'- বিশ্লেষণ করো।
- সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।উদ্দীপকের পিনোচেটের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- মাত্র সতেরো জন্য সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খিলজি বাংলার মসনদ দখল করে নেন। এই সতেরো জন্য সৈন্য যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের অসামান্য সাহস, বিশ্বাস আর শৃঙ্খলার জন্য। 'পক্ষান্তরে লক্ষ্মণসেনের বাহিনী ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত। লক্ষ্মণসেনের বিশাল বাহিনী তাকে রেখে পালিয়ে গেল। তাই লক্ষ্মণসেনও আত্মগোপনে চলে গেলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘটনা কোন কোন দিক দিয়ে তুলনীয়? বুঝিয়ে লেখো।
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম যথার্থভাবে ভেবেছিলেন এবং বুঝেছিলেন সকল দুঃশাসক ও শোষকের জুলুম নিপীড়ন থেকে উদ্ধার পাবার শ্রেষ্ঠ অবলম্বন হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র। এ শিক্ষা তিনি ইতিহাস থেকে লাভ করেছিলেন। তাই তিনি আমাদের এই উপমহাদেশের মুক্তির জন্য যুদ্ধকেই প্রধান মাধ্যম হিসেবে গণ্য করেছিলেন। তার কবিতায় এ চেতনা লক্ষ করা যায়।উদ্দীপকের চেতনা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।"উদ্দীপকের দ্বিতীয় লাইনটি যেন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমকে ইঙ্গিত করছে"- মন্তব্যটি বুঝিয়ে লেখো।
- ‘দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড় ।’- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে এই উক্তি কার?
- "আত্মসমর্পণ করাই এখন যুক্তিসংগত"- উক্তিটি কার?
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মন্তু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান'। পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা, সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট সাজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটির শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট সাজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'সাজাহান'।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
- রক্ত ঝরেঅগ্নির মতো বাঁশের কেল্লা বেদির পরেরক্ত ঝরাই ফাঁসির মঞ্চে দীপান্তরেঝরেছে সকল রক্ত। এখন কখানা হাড়েঝকঝক করে তীব্র তীক্ষ্ণ বর্শা-ফলানতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারেইস্পাত হাড়ে গড়েছি বজ্র বহ্নি-জ্বালা।"নতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারে"- উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের দেশপ্রেম আলোচনা কর।
- "ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?”- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- সুজন মিয়া এতিম আলীকে আদর, ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করে হাটবাজারে পাঠান বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করার জন্য। প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে প্রায়ই বলেন, আলীকে এত বিশ্বাস না করতে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে সুজন মিয়া মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করলে আলী গোপনে তার সব খবর। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেয়।, পরবর্তীকালে রাজাকার আর পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সুজন মিয়াকে ধরিয়ে দেয়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ধনকুবের কে?
- জমিদার কান্ত রায়ের মৃত্যুর পর একমাত্র পুত্র হীরক রায়জমিদারি লাভ করেন। হীরক রায় বয়সে তরুণ ও সরলপ্রকৃতির মানুষ। সরলতার সুযোগ নিয়ে কাকা তপন রায়অমাত্যদের নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। টের পেয়েহীরক রায় কঠোর হস্তে সে ষড়যন্ত্র দমন করেন।হীরক রায়ের অমাত্যদের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের কোন চরিত্রের মিল আছে?
- সিরাজউদ্দৌলা ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করলে নৌকাযোগে পালিয়ে যায়-ক্যাপ্টেন মিনচিনফকল্যান্ডক্যানিংহামনিচের কোনটি সঠিক?
- পাকিস্তানি মিলিটারিরা একটি স্কুল ঘরে ক্যাম্প করেছিল। তাদের সাথে কিছু রাজাকারও ছিল। মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার জাভেদের যুদ্ধের নৈপুণ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে থাকা রাজাকারদের পরামর্শে তারা আত্মসমর্পণ করে প্রাণ রক্ষা করল।'নবাব সিরাজউদ্দৌলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা, জুগিয়েছে।'- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্য অবলম্বনে আলোচনা করো।
- রফিক স্পষ্টভাবেই তার চাওয়াটা সকলকে জানিয়ে দিয়ে গেছে। সে সহ-সভাপতির পদ চায়। এও বলেছে যে, যদি সোহেলদের দল জিতবে নিশ্চয়তা থাকে তাহলেই কেবল রফিক তাদের দলে আসবে, পরাজয়ের আশঙ্কা থাকলে সে তার বর্তমান দল ত্যাগ করবে নাউদ্দীপকের ঘটনাপ্রবাহের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন সংলাপটি স্মরণযেগ্য?
- "নিজগৃহপথ, তাত দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?"উদ্দীপকের 'তস্কর' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোনটি প্রতিনিধিত্ব করে?
- নাটক ও প্রহসনে পার্থক্য-
- লং লিভ নবাব জাফর আলী খান' উক্তিটি কার?
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকেবারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্কা গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দন্ত প্রতাপ।'আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুরবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।'বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়।' উদ্দীপকের এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- 'রাজিব এতিম সুমনকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনে প্রতিপালন করে এবং প্রতিষ্ঠিত করে। সেই রাজীবকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে সুমন।'উদ্দীপকের সুমনের চরিত্রটি নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- “সবাই উচ্চাবিলাষী । সবাই সুযোগ খুঁজছে ৷ ” ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে এ উক্তিটি কার?
- আমাদের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী জনগণেরওপর ব্যাপক নির্যাতন চালায়। বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি করে এবং ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দিকটিকে ধারণ করে?