নতুন বাইকে চেপে রাশেদ একদিন বিকেলে তার মামার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে নির্জন স্থানে লাঠিতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজন লোক হাত তুলে তাকে থামতে বলে। রাশেদ কাছে গিয়ে বাইক থামালে লোকটি তাকে অনুরোধ করে বলে- "ভাই, আমি একজন পঙ্গু মানুষ, দয়া করে আমাকে সামনের মোড়ে নামিয়ে দিবেন?" রাশেদ তাকে বাইকের পিছনে নিয়ে কিছুদূর যেতেই লোকটি কৌশলে তার হাতের লাঠি ফেলে দেয় এবং তাকে লাঠিটা আনতে অনুরোধ করে। রাশেদ বাইক থেকে নেমে লাঠি আনতে গেলে লোকটি নিমিষেই বাইক নিয়ে উধাও হয়ে যায়।
উদ্দীপকে বর্ণিত পঙ্গু লোকটির বিশ্বাসঘাতকতার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কতটুকু মিল আছে- আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহাধনবান,অসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান।……………………………………………হউক বীরেন্দ্র সে যেন রোস্তমশত শত দাস তার সেবুক চরণকরুক স্তাবকদল স্তব সংকীর্তন।কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমি হিত,স্বজাতির সেবা যে করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সত্বরঅতীব ঘৃণিত সে পাষণ্ড বর্বর।উদ্দীপকের শেষ চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রধান সেনাপতিকে নির্দেশ করে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- চিকিৎসক আসগর আলীর কাছে অর্থের প্রয়োজনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি রোগী দেখার আগেই পরামর্শ ফি নেন। আপন-পর কিংবা আর্তমানবতা তাঁর কাছে মূল্যহীন। উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোন চরিত্র সাদৃশ্যপূর্ণ?
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।"উদ্দীপকের দ্বিতীয় লাইনটি যেন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমকে ইঙ্গিত করছে"- মন্তব্যটি বুঝিয়ে লেখো।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান'। পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা, সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট সাজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটির শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট সাজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'সাজাহান'।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' - নাটকে প্রধান গুপ্তচরের নাম কি?
- ‘নেমেসিস’ নাটকে নূরুল মোমেন কোন বিষয়কে তুলে ধরেছেন?
- 'আপনারা সব পারেন'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মন্তু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বেদনাবহ পরিণতি খন্ড চিত্র।"- আলোচনা কর।
- ১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি মাত্র ১৭/১৮ জন সৈন্য নিয়ে নদীয়ার শাসক লক্ষ্মণ সেনের রাজ্য আক্রমণ করেন। বখতিয়ার খিলজির শৃঙ্খলিত ও বিশ্বস্ত সেনবাহিনীর কাছে অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষ্মণ সেনের সেনাবাহিনী যুদ্ধ না করে জীবন বাঁচাতে পলায়ন করে। সেই সাথে লক্ষ্মণ সেনও সেদিন পলায়ন করেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বখতিয়ার খিলজি বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন। আসলে সেদিন সেখানে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।উদ্দীপকের প্রতিফলিত দিকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা কর।
- রোমের একচ্ছত্র অধিপতি জুলিয়াস সিজার। তাঁর সিনেটরয়া ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এমনকি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাসও এই হীন চক্রান্তে যোগ - দেয়। সিনেটে নৃশংসভাবে নিহত হন সিজার। মৃত্যুকালে বন্ধু ব্রুটাসের হাতেও উদ্যত ছুরি দেখে - বিস্মিত সিজার বলে ওঠেন, 'ব্রুটাস, তুমিও!'উদ্দীপকের জুলিয়াস সিজার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মোট কয়টি দৃশ্য রয়েছে?
- জামালপুর জেলায় মেলান্দহ উপজেলার একটি নদী কাটাখালী। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা এলাকার ধানী জমিগুলোতে ইটভাটা বসিয়ে কৃষি- উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানার কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করে যাচ্ছে। এলাকায় পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়কর ও ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের কাছে এসবের প্রতিকার চায়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই এলাকায় মানবিক বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।উদ্দীপকের পরিবেশবাদীদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের আদর্শিক মিল খুঁজে পাওয়া যায়?
- তাই আজ হে স্বদেশ, হে জনতা, হাতিয়ার ধরো। শত্রুর শিবিরে আজ জোট বেঁধে প্রত্যেকেই পদাঘাত করো।উদ্দীপকে কোন ভাবটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন শকুন নেমে আসে এই সোনার বাংলায়নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমার দেশ ছেয়ে যায় দালালেরই আলখাল্লায়; নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমার স্বপ্ন লুট হয়ে যায়;নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমার কণ্ঠ বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়;নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়।যখন আমারই দেশে আমার এ দেহ থেকে রক্ত ঝরে যায়ইতিহাসে, প্রতিটি পৃষ্ঠায়।(নূরলদীনের কতা মনে পড়ে যায়- সৈয়দ শামসুল হক)'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার সাথে উদ্দীপকের নূরলদীনের কোন দিক থেকে সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদা মশায়ের চেয়েও বড়ো।'- ব্যাখ্যা করো।
- মাস্টারদা সূর্যসেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। এ দেশের গণমানুষকে জাগিয়ে তুলতে নানাভাবে চেষ্টা করেন। তারই নির্দেশে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে আক্রমণ সফল হওয়ার পর ব্রিটিশ শাসকের টনক নড়ে। তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ইংরেজরা দশ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। অর্থের লোভে জনৈক ব্যক্তি তাঁর অবস্থান জানিয়ে দিলে তিনি ধরা পড়েন। অতঃপর তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।'প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের সূর্যসেন এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলা একই পরিণতির শিকার হয়েছেন।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ওয়ালি খানের 'বাঙালি কাপুরুষনয়' সংলাপে প্রকাশ পেয়েছে—
- 'আমার সারা অস্তিত্বজুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- প্রাচীন গ্রিস প্রজাতন্ত্রী নগররাষ্ট্র ছিল। 'জুলিয়াস সিজার একজন সফল সেনাপ্রধান ছিলেন। কালক্রমে জুলিয়াস সিজার একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তাঁর এ নীতির সমর্থন দেন তাঁর স্নেহভাজন ব্রুটাস। পরবর্তীতে সিনেটররা রাষ্ট্রের কল্যাণার্থে সিজারকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেন। ব্রুটাস তখন ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে যোগ দেন। নিরস্ত্র সিজারকে সিনেটররা একের পর এক ছুরিকাঘাত করতে থাকে। যখন তাঁর প্রিয় ব্রুটাস তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন তখন সিজার হতবাক হয়ে বলে, Et tu, Brue অর্থ: ও ব্রুটাস তুমিও?'যুগে যুগে কালে কালে ব্রুটাসরা আছেন, থাকবেন'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি যাচাই করো।
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ‘ইনি কি নবাব না ফকির’ কে, কাকে উদ্দেশ্য করে বলেছে?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম যথার্থভাবে ভেবেছিলেন এবং বুঝেছিলেন সকল দুঃশাসক ও শোষকের জুলুম নিপীড়ন থেকে উদ্ধার পাবার শ্রেষ্ঠ অবলম্বন হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র। এ শিক্ষা তিনি ইতিহাস থেকে লাভ করেছিলেন। তাই তিনি আমাদের এই উপমহাদেশের মুক্তির জন্য যুদ্ধকেই প্রধান মাধ্যম হিসেবে গণ্য করেছিলেন। তার কবিতায় এ চেতনা লক্ষ করা যায়।উদ্দীপকের চেতনা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।
- 'মেঘনাদবধ কাব্যে'র দেশপ্রেমিক রাক্ষসরাজ রাবণ দেশে শত্রুবেষ্টিত ও অবরুদ্ধ। রামচন্দ্র ও তার বানর সৈন্য লঙ্কা নগরীকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। রাবণের অনুজ বিভীষণ শত্রুসেনাদের সাথে যোগ দিয়ে রাবণের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। চারিদিকে অবিশ্বাস, প্রতারণা ও বিপর্যয়ের হাতছানি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বীর পুত্রদের মৃত্যুর খবর আসে তাঁর কানে । বিষন্ন ও দ্রোহক্ষুব্ধ রাবণ শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য যুদ্ধসাজ নিয়ে রণক্ষেত্রে অগ্রসর হয়। দেশের জন্য এ সংগ্রাম প্রকৃত বীরত্বের মহিমায় উজ্জ্বল।উদ্দীপকের রাবণ চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বিশ্লেষণ করো।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'শাজাহান।' পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট শাহজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটিকে শ্রেষ্ঠ ট্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট শাহজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'শাজাহান।'উদ্দীপকের আবেদনের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ট্র্যাজেডির স্বরূপ বিশ্লেষণ করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপটি কার?
- মিরজাফর অগ্নিগিরির মতো প্রচণ্ড গর্জনে ফেটে পড়বার জন্য তৈরি হন কেন?
- 'নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই।"- ক্লাইভের এ কথার অর্থ কী?
- বিষয়গত দিক থেকে 'সিরাজউদ্দৌলা' কোন ধরনের নাটক?
- "আপনার দুঃসাহসের সীমা নেই। আমার প্রাসাদে কার অনুমতিতে আপনি প্রবেশ করেছেন?" ব্যাখ্যা কর।
- স্বাধীনতার যুদ্ধে গ্রামের এক বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলআহত কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা। টাকার লোভে বাড়ির মালিকতাদের পাকসেনাদের হাতে তুলে দেয়। সেই থেকে সেবজলু রাজাকার নামে সকলের ঘৃণার পাত্র হয়ে আছে।বজলু এবং নাটকের চরিত্রে যে ??িনিসটির চরমঅভাব তা হলো-
- ওয়াটসনের সই জাল করে দিয়েছে কে?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি কতটি অঙ্ক ও দৃশ্যে রচিত হয়?
- 'খোদার কাছে শুকরিয়া, এ পীড়ন তুমি দেখলে না'- ব্যাখ্যা কর।
- "দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্তূপে চাপা না পড়ে।"- কে, কাকে, কী প্রসঙ্গে উক্তিটি করেছিল? ব্যাখ্যা কর।
- এ দেশে থেকে এ দেশকে ভালোবেসেছি'- সংলাপটি কার?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- ঢাকা জেলার নিচু এলাকার জলাভূমিগুলো ভূমিদস্যুদের কবলে পড়ে ক্রমাগত নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। দিনের পর দিন মাটি ফেরে ভরাট করা হচ্ছে ঐসব জলাশয়। ফলে ঢাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন লুপ্ত হচ্ছে হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। সচেতন নাগরিক সমাজ জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘটসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে তারা। কিন্তু ভূমিদস্যুদের তৎপরতা বন্ধ হয় না কিছুতেই।উদ্দীপকের সচেতন নাগরিক সমাজের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার সাদৃশ্য দেখাও।
- মিরজাফর নবাব হওয়ার পর ক্লাইভ কোন এলাকারস্থায়ী মালিকানা পায়?
- উমিচাঁদ এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক কারণ হলো সে - মূর্তভন্ড লোভীনিচের কোনটি সঠিক?
- 'শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়'- ব্যাখ্যা করো।
- সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালের দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত। জেনারেল পিনোচেট।উদ্দীপকের পিনোচেট 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সর্বাধিক মিল রয়েছে?