সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মোট কয়টি দৃশ্য রয়েছে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সম্রাট আকবরের সভাসদ ছিলেন আবুল ফজল। সম্রাট সাম্রাজ্য পরিচালনার সব বিষয়েই তার সভাসদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। একবার পারস্য সম্রাট আবুল ফজলকে প্রস্তাব দেন যে, 'সে'যদি ভারতবর্ষের নানা গোপনীয় তথ্য পারস্যে পাচার করে, তাহলে তাকে অনেক ধনসম্পদ দেওয়া হবে। আবুল ফজল ঘৃণাভরে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, আমি আমৃত্যু ভারত সম্রাটের হয়ে কাজ করব।"উদ্দীপকের আবুল ফজলের মতো বিশস্ত মানুষ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেও ছিল।"- নাটকের প্রাসঙ্গিক চরিত্র বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত উপস্থাপন করো।
- ঢাকা জেলার নিচু এলাকার জলাভূমিগুলো ভূমিদস্যুদের কবলে পড়ে ক্রমাগত নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। দিনের পর দিন মাটি ফেরে ভরাট করা হচ্ছে ঐসব জলাশয়। ফলে ঢাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন লুপ্ত হচ্ছে হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। সচেতন নাগরিক সমাজ জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘটসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে তারা। কিন্তু ভূমিদস্যুদের তৎপরতা বন্ধ হয় না কিছুতেই।উদ্দীপকের সচেতন নাগরিক সমাজের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার সাদৃশ্য দেখাও।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘুমন্ত বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অন্যায়ভাবে ব্যাপক হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ চালায় বাংলাদেশে। আলবদর, আলশামস বাহিনীর মাধ্যমে পাকিস্তানিরা এ দেশে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। দীর্ঘ নয় মাসে তারা ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করে। কিন্তু সাহসী বাঙালি প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানিদের কোণঠাসা করে মুক্তির বিজয় ছিনিয়ে আনে।'পলাশির যুদ্ধ আর মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্য এক থাকলেও এগুলোর ফলাফল ছিল সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী।'- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- স্বার্থপর ক্লডিয়াস রানির সাথে হাত মিলিয়ে রাজা হ্যামলেটকে হত্যা করে।উদ্দীপকে ক্লডিয়াস ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর উভয়ই-ক্ষমতালোভীসুযোগসন্ধানীব্যক্তিত্ববাননিচের কোনটি সঠিক?
- 'মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন সেনাপতি'- এখানে সেনাপতির নাম কী?
- জহিরউদ্দীন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে হুমায়ূন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তাঁর বয়স অল্প। সিংহাসনে বসার সাথে সাথেই চারদিকে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। আপন আত্মীয়স্বজন তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এমনকি আপন ভাইয়েরাও তাঁকে সহযোগিতা করেনি। তারপরেও বাবরের বড়ো ছেলে হিসেবে তিনি শক্ত হাতে শাসনকার্য চালিয়ে যান এবং মুঘল সাম্রাজ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।'নবাব সিরাজউদ্দৌলা উদ্দীপকের হুমায়ূনের মতো হলে, 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পরিণতি ভিন্ন হতে পারত।'-বিশ্লেষণ করো।
- 'এ সময়ে এভাবে এখানে আসা খুবই বিপজ্জনক'। উক্তিটির কারণ ব্যাখ্যা করো।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান'। পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা, সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট সাজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটির শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট সাজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'সাজাহান'।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে'- ব্যাখ্যা করো।
- "কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ মিরমর্দান।"- কার উক্তিটি, কেন করেছিল?
- 'স্বার্থপর ক্লডিয়াস রাণীর সাথে হাত মিলিয়ে রাজাহ্যামলেটকে হত্যা করে।'উদ্দীপকের রাজা 'হ্যামলেট' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেকোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- 'উই হ্যাভ কাম টু আর্ন মানি অ্যান্ড নট টু গেট ইন্টুপলিটিকস। ওয়াটসের এ কথা ইংজেদের____বাকচাতুর্যছদ্মবেশপ্রতারণানিচের কোনটি সঠিক?
- অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে দেশের জনমানুষ সুসংহত হতে থাকে। সকলে পরাশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার শপথ নেয়। এ সময় কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী ব্যক্তিবর্গ প্রতিপক্ষের সাথে শলাপরামর্শ করে স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য। অথচ দেশবিরোধীরা ধর্মগ্রন্থ নিয়ে শপথ করে যে তারা দেশের স্বার্থে ও নেতার পক্ষে কাজ করবে। তাদের মধ্যে আবার কেউ বলে, বাইবেলের কসম আমার জীবন দেশের কল্যাণে উৎসর্গকৃত।
- ক্লেটন কাদেরকে প্রাণপণে যুদ্ধ করতে বলেন?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের স্থান-
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ও দেশের কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ পাকহানাদার বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে দেশের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তাদের একজন সোবহান মুন্সী। মানবতাবিরোধী অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার সাক্ষী দবির বলেন, এই সোবহান মুন্সীই পাকহানাদার বাহিনীকে তাদের গ্রামে আনে এবং সে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে।উদ্দীপকের সোবহান মুন্সী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?- ব্যাখ্যা কর।
- দশ গ্রামের মাতব্বর আশরাদ চৌধুরী নিঃসন্তান না হলেও কোনো পুত্রসন্তান নেই। বিত্তশালী চৌধুরী সাহেব তাই সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী করেন ভাইপো সজলকে। এতে ক্ষিপ্ত হয় তার অন্যান্য ওয়ারিশরা। চৌধুরী সাহেব সকলকে বোঝাতে পারলেও জামাতা আসমত সাহেবকে কোনোভাবে বোঝাতে পারেনি। তিনি শ্বশুরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।"উদ্দীপকটিতে চক্রান্তের আভাস থাকলেও তা সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সমগ্র ভাবধারাকে ধারণ করতে পারেনি।" এ বিষয়ে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রনির্ভর নাটক রচনা করেন কে?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়'-সংলাপটি কার?
- ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?-উক্তিটিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- সিরাজের বিরুদ্ধে ঘসেটি বেগমের আক্রোশের কারণ—
- 'আমি দওলতের পূজারি।'-উক্তিটি কার?
- কেউ তো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কী চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়?ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করো।
- জবেদা খাতুনের খুব কাছের লোক ছিল মোখলেছার রহমান। জবেদা খাতুন বিশ্বাস করে তার জমিজমা দেখাশোনার ভার দেন মোখলেছার রহমানকে। কিন্তু একদিন জবেদা খাতুন দেখেন তার সম্পত্তি মোখলেছার রহমানের নামে হয়ে আছে। তিনি ভাবলেন-এতদিন ভুল মানুষকে বিশ্বাস করেছেন। বিশ্বাস করা ভালো কিন্তু অন্ধবিশ্বাস কখনো কখনো মানুষকে পথে বসিয়ে দেয়।"উদ্দীপকের মোখলেছার যেন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফরকে ইঙ্গিত করে।"- ব্যাখ্যা করো।
- 'ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করছি কোম্পানির টাকার জন্য।তা বলে বাঙালি কাপুরুষ নয়।'- ওয়ালি খানের এইউক্তিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপ-চারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীল চাষে বাধ্য করা, নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম, নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ। প্রজা পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীন মাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীন মাধব মৃত্যুবরণ করে। উদ্দীপকের নীলকরদের অত্যাচারের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কে বর্ণিত ইংরেজদের অত্যাচারের তুলনা করো।
- ‘পরোক্ষ তার নামে দেশ শাসন করবেন রাজবল্লভ।’-সিরাজকে হটানোর এই চক্রান্তসূত্রের সঙ্গে মিল রয়েছে যে বাগধারার-
- নীলকর ইংরেজদের বাঙালি সহযোগী আমিন ইয়েস-নো-ভেরি গুড়জাতীয় ইংরেজি শিখে নিজেকে নীলকরদের সগোত্রীয় প্রমাণ করার জন্যনীলচাষিদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের উপায় বাতলে দেয়। নির্যাতনঅসহনীয় হয়ে উঠলে প্রতিশোধ ছাড়া উপায় থাকে না বাঙালি চাষিদের।উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পে যুগপৎ প্রকাশিত হয়েছে—
- সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
- সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকার দীর্ঘকাল ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে শাসনের নামে চালিয়েছে শোষণের স্টিমরোলার। এ সময় ভারতে স্বাধীনতার দাবিতে দানা বেঁধে ওঠে স্বদেশি আন্দোলন। ভারতবর্ষ জুড়ে তীব্র আন্দোলনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কেঁপে ওঠে। ফলে এ আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য সাম্রাজ্যবাদী সরকার ভারতের অগণিত তরুণ-যুবাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলায়। মৃত্যু অবধারিত জেনেও মুক্ত স্বদেশের স্বপ্নে বিভোর আন্দোলনকারীরা পিছপা হননি। স্বদেশিদের দুর্বার এ সংগ্রামে তেত্রিশ কোটি ভারতবাসীর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন।নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন সেনাপতির মধ্যে উদ্দীপকের চেতনা কীভাবে বিদ্যমান তা বুঝিয়ে লেখো।
- "শুধু ওই একটি পথেই আবার আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র।'– রায়দুর্লভেরএ উক্তিটিতে তার কোন ধরনের মনোভাব ফুটে উঠেছে?
- ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদের জোয়ার লাগে,পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়'- এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- ব্রিটিশ শাসকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভারতবাসী। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে এগিয়ে আসেন অনেকে। এদেরই একজন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'স্ট্যান্ডিং লাইক পিলার্স' বলা হয়েছে-
- শাহীন গ্রামে প্রতিবেশীর বাড়িতে চুরি করে ধরা পড়ে। মা-বাবা সম্মান বাঁচাতে ছেলেকে মামাবাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সেখানে কিছুদিন থাকার পর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। মামার ঘরের ছোট ছোট দামি জিনিসপত্র হারাতে থাকে। প্রথমত তারা কাজের মেয়েকেই সন্দেহ করে। কিন্তু মেয়ের জন্মদিনের উপহার হারিয়ে গেলে তা পাওয়া যায় শাহীনের ঘরের আলমারির মধ্যে তালাবদ্ধ অবস্থায়। তখন মুখোশ খুলে যায় শাহীনের। মামাবাড়ি থেকে সে বিতাড়িত হয়।শাহীন চরিত্র 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? কীভাবে?
- তোমার অপরাধের জন্য নবাবের দন্ডাজ্ঞা শোনাতে এসেছি।'- কোন নবাবের?
- ইতিহাসের একজন সামন্ত নবাব হয়েও সিরাজুদ্দৌলা নাটকে সিরাজ চরিত্রটি হয়ে উঠেছে-
- ‘দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড় ।’- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে এই উক্তি কার?
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত____