'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'স্ট্যান্ডিং লাইক পিলার্স' বলা হয়েছে-
A.
মিরজাফর, মিরমর্দন, সাঁফ্রে
B.
ঘসেটি বেগম, মিরজাফর, রাজবল্লভ
C.
মিরজাফর, রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ
D.
ঘসেটি বেগম, রাজবল্লভ, সাঁফ্রে
সঠিক উত্তরঃ
C.
মিরজাফর, রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- যিশুর খুবই কাছের সহচর ছিল জুডাস। একদিন জুডাস মাত্র ৩০. রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে যিশুকে রোমান সৈন্যদের হাতে ধরিয়ে দিতে সহায়তা করে। উত্ত চরিত্রের কর্মফল ঘটে- দেশপ্রেমিকের মৃত্যু ইংরেজদের উথানগণবিক্ষোভ হয় নিচের কোনটি সঠিক?
- ইতিহাসের এক বীর চরিত্র মহীশূরের টিপু সুলতান। ইংরেজদের বিরুদ্ধে টিপু যুদ্ধ করে প্রাণ দিয়েছেন। চতুর ইংরেজ টিপুর দরবারের এক উচ্চাভিলাষী সেনাপতিকে হাত করেছিল। এই সেনাপতি গোপনে টিপুর সব খবর ইংরেজদের কাছে পৌঁছে দিত। যুদ্ধের এক পর্যায়ে সে দুর্গের দরজা খুলে দিলে ইংরেজরা দুর্গে প্রবেশ করে। নিজ লোকের বিশ্বাসঘাতকতায় টিপু প্রাণ হারান।উদ্দীপকের সেনাপতির সঙ্গে তোমার পঠিত নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে হানাদার বাহিনীর লোকেরা এদেশের ঘুমন্ত মানুষের উপর গুলি চালায় আর সেই রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ফলে এদেশের হাজার হাজার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশমাতাকে রক্ষা করতে। কিন্তু কিছু লোক ছিল যারা পাকিস্তানের দালালে পরিণত হয়ে রাজাকার, আলবদর নাম ধারণ করে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল। রমজাম এদের মধ্যে অন্যতম। রমজান ও তার সহযোগীরা ১৪ ডিসেম্বর দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের দেখিয়ে দিয়েছিল, আর পাকিস্তানিরা তাদের মূল্যবান জীবন কেড়ে নিয়েছিল। তবুও মুক্তিযোদ্ধারা সকল বাধা অতিক্রম করে ছিনিয়ে এনেছেন আমাদের স্বাধীনতা। প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে কখনো কুণ্ঠাবোধ করেন না।উদ্দীপকের রমজান 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রকে সমর্থন করে বলে তুমি মনে কর? ব্যাখ্যা কর।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তখন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন মোনায়েম খাঁ। বাঙালি হয়েও তিনি স্বদেশ ও স্বজাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। তার সাথে নানা অপতৎপরতায় যুক্ত হয় এ দেশের কিছু দালাল-দোসর। মোনায়েম খাঁ ও তার সহযোগী কুলাঙ্গারদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় হানাদার বাহিনী লাখ লাখ দেশপ্রেমিক বাঙালিকে হত্যা করে।তুমি কী মনে কর উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিষয়বস্তুর প্রতিফলন ঘটেছে? যুক্তিসহ ব্যাখ্যা কর।
- 'স্বপ্ন ছোঁয়া' নামে একটি বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি দেশব্যাপী প্রসার লাভ করে। স্বপ্ন বিনিয়োগে মোটা অঙ্কের মুনাফা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা দেশের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যে কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোম্পানিটি এক রাতের মধ্যে সারা দেশ থেকে গায়েব হয়ে যায়। এই ভুয়া কোম্পানির কাছ থেকে দেশের সাধারণ মানুষ তাদের সর্বস্ব হারিয়ে দারুণভাবে প্রতারিত হয়।উদ্দীপকের 'স্বপ্ন ছোঁয়া' কোম্পানির সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি ঐতিহাসিক নাটক?
- মুক্তিযোদ্ধাদের নৌজাহাজ বিএনএস পলাশ আর পদ্মা মংলা বন্দর দখল করে নিয়েছে। ভৈরব নদী বেয়ে জাহাজ দুটি খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছাকাছি আসতেই একটা বোমারু বিমান থেকে জাহাজ দুটির উপর বোমা এসে পড়ে। রুহুল আমিন বিএনএস পলাশ থেকে ঝাঁপ দিয়ে নদী সাঁতরে পাড়ে উঠলেন। কিন্তু পাড়ে থাকা রাজাকাররা নির্মমভাবে হত্যা করে বুহুল আমিনকে।উদ্দীপকের রাজাকারদের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কাদের চরিত্রের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে উক্তিটি কার?
- হোসেন মিয়া বিশাল সম্পত্তির অধিকারী। তার চার ছেলে সবাই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য কৌশলী, মনোভাবের অধিকারী। হোসেন মিয়া সবকিছু বুঝতে পারলেও সন্তান হিসেবে তাদেরকে বারবার ক্ষমা করে দেন। তার এই অপরিসীম কোমল মনোভাবের কারণে একসময় ছেলেরা গোপনে পুরো সম্পত্তি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয় এবং শেষ পরিণতিতে হোসেন মিয়া রাস্তায় নেমে আসেন। "উদ্দীপকের হোসেন মিয়ার অপরিসীম মহানুভবতা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।" মন্তব্যটি যথার্থতা বিচার করো।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাশিমবাজার কুঠির প্রধান কে?
- 'আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই।'- কেন?
- দুর্গম গিরি কান্তার মরু, দুস্তর পারাপারলঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার!দুলিতেছে তরি, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ,ছিড়িয়াছে পাল, কে ধরিয়ে হাল, আছে কার হিম্মৎ?কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ।এ তুফান ভারি, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরি পার।উদ্দীপকের যাত্রীরা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাদের প্রতিরূপ? বিশ্লেষণ করো।
- মোহাম্মদি বেগ কত টাকার বিনিময়ে নবাব সিরাজকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিল?
- 'ছৈলারচর' বিষখালী নদীর মোহনায় জেগে ওঠা চর। পলিতে উর্বর চরের ভূমি। এলাকার বৈলাম মল্লিক চরের ভূমি দখলের লোভ সামলাতে পারল না। কিন্তু এলাকার সমাজসেবক জমিদারের বিরুদ্ধে লড়বে কে? বৈলাম গোপনে সখ্য করেন জমিদারের দূর-সম্পর্কের জ্ঞাতি ভাই পিলু' সিকদারের সাথে। তার সহায়তায় বৈলাম মল্লিক এবং তার চাটুকার বাহিনী চর দখল করে। এখন বৈলামের নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়া ও নেতৃত্বের দাপট দেখানোর সময়। সে পিলু সিকদারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছাড়া ছৈলারচরের দায়িত্ব গ্রহণে অনীহা দেখায়। এভাবে নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চরটি জমিদারের নেতৃত্ব হারায়।উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের করুণ পরিণতির আংশিক ছায়াচিত্র।"- মতামত বিশ্লেষণ করো।
- কিলপ্যাট্রিক মাদ্রাজ থেকে কতজন সৈন্য নিয়েহাজির হন?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রকাশকাল কত?
- জমিদার কান্ত রায়ের মৃত্যুর পর একমাত্র পুত্র হীরক রায়জমিদারি লাভ করেন। হীরক রায় বয়সে তরুণ ও সরলপ্রকৃতির মানুষ। সরলতার সুযোগ নিয়ে কাকা তপন রায়অমাত্যদের নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। টের পেয়েহীরক রায় কঠোর হস্তে সে ষড়যন্ত্র দমন করেন।হীরক রায়ের অমাত্যদের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের কোন চরিত্রের মিল আছে?
- 'কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার রাতারাতি সেনাধ্যক্ষ হয়ে বসেছে'কার উক্তি?
- পাকিস্তানি শাসকবর্গ দীর্ঘ চব্বিশ বছর বাঙালিদের উপর শাসন, শোষণ, অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে ও দেশ স্বাধীন করেছে। দেশের মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধু বহুবার জেল খেটেছেন। ১৯৭৫ সালে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করে দেশপ্রেমিক এ মহান নেতাকে হত্যা করে।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর দেশপ্রেমের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে অধিকতর সঙ্গতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।