কোলকাতা থেকে তাড়া খেয়ে ড্রেক দলবলসহ কোন জাহাজে আশ্রয় গ্রহণ করে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ঘসেটি বেগম কেন সিরাজের ধ্বংস কামনা করেন?
- অটোমান সাম্রাজ্যের একমাত্র অধিপতি সুলতান সুলেমান খান। সুলতানের নিকটস্থ ও পদস্থ সেনাপতিরা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তারা সুলতানকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। সুলতান তা জেনেও কোনো উপযুক্ত দণ্ডাদেশ দিতে অপারগ। হীন চক্রান্তের ফলে নৃশংসভাবে নিহত হয় সুলতান।উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান খান 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়? ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার এতদিনের ভুল সংশোধন করার এই শেষ সুযোগ আমাকে নিতে হবে।'-ব্যাখ্যা করো।
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে?'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- উক্তিটি কার?
- দশ গ্রামের মাতব্বর আশরাদ চৌধুরী নিঃসন্তান না হলেও কোনো পুত্রসন্তান নেই। বিত্তশালী চৌধুরী সাহেব তাই সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী করেন ভাইপো সজলকে। এতে ক্ষিপ্ত হয় তার অন্যান্য ওয়ারিশরা। চৌধুরী সাহেব সকলকে বোঝাতে পারলেও জামাতা আসমত সাহেবকে কোনোভাবে বোঝাতে পারেনি। তিনি শ্বশুরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।উদ্দীপকের আসমত সাহেব 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- "নিজগৃহপথ, তাত দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?"'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে
- 'নবাব মসনদের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। ইনি কিনবাব না ফকির।'— এ কথার মধ্য দিয়ে মিরজাফরচরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়েছে?
- সুজন মিয়া এতিম আলীকে আদর, ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করে হাটবাজারে পাঠান বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করার জন্য। প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে প্রায়ই বলেন, আলীকে এত বিশ্বাস না করতে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে সুজন মিয়া মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করলে আলী গোপনে তার সব খবর। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেয়।, পরবর্তীকালে রাজাকার আর পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সুজন মিয়াকে ধরিয়ে দেয়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
- ঢাকা জেলার নিচু এলাকার জলাভূমিগুলো ভূমিদস্যুদের কবলে পড়ে ক্রমাগত নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। দিনের পর দিন মাটি ফেরে ভরাট করা হচ্ছে ঐসব জলাশয়। ফলে ঢাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন লুপ্ত হচ্ছে হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। সচেতন নাগরিক সমাজ জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘটসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে তারা। কিন্তু ভূমিদস্যুদের তৎপরতা বন্ধ হয় না কিছুতেই।উদ্দীপকের সচেতন নাগরিক সমাজের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার সাদৃশ্য দেখাও।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের কারণ-তাঁর অদূরদর্শিতাআপনজনের বিশ্বাসঘাতকতাভাগ্যের বিপর্যয়নিচের কোনটি সঠিক?
- 'ভিক্টরি অব ডেথ' উক্তিটি কার?
- 'সিরাজের পতন কে না চায়?'- উক্তিটি কার?
- উমিচাঁদ কোথাকার অধিবাসী ছিলেন?
- "ব্রিটিশ সিংহ ভয় লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।"-ব্যাখ্যা করো।
- সিকান্দার আবু জাফরের জন্মগ্রাম কোনটি?
- বিষয়গত দিক থেকে 'সিরাজউদ্দৌলা' কোন ধরনের নাটক?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ব্রিটিশ শাসকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভারতবাসী। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে এগিয়ে আসেন অনেকে। এদেরই একজন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি।
- "আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে।"- বুঝিয়ে দাও।
- পারিবারিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ন্যায্য সুবিধাদেওয়ার দাবিতে অনড় থাকায় সুবিধাভোগীদের সহায়তায়অতি আদরের ভাতিজা নাজিমের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ষড়যন্ত্রেলিপ্ত হয় চাচা কামরুল ।উদ্দীপকের চাচা কামরুল 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রের অনুরূপ?
- কার নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়?
- ওয়ার্ল্ড গার্ডেন নেটওয়ার্ক নামে একটি বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি সারা দেশ ব্যাপী প্রসার লাভ করে। স্বল্প বিনিয়োগে মোটা অংকের মুনাফা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা দেশের সাধারণ মানুষের নিকট হতে টাকা তোলা শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যে কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোম্পানিটি এক রাতের মধ্যে সারা দেশ হতে গায়েব হয়ে যায়। এই ভুয়া কোম্পানির নিকট দেশের সাধারণ মানুষগুলো তাদের সর্বস্ব খুইয়ে দারুণভাবে প্রতারিত হয়।উদ্দীপকের কোম্পানির উদ্দেশ্যে এবং 'সিরাজউদ্দৌলা ' নাটকে বর্ণিত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্দেশ্য একই সূত্রে গাঁথা'- তোমার মতামত দাও।
- 'যত দিন রবে পদ্মা, মেঘনা, গৌরী, যমুনা বহমানততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।'"উদ্দীপকের শেখ মুজিবুর রহমানের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ"- ব্যাখ্যা করো।
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মঞ্জু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।
- মুকিম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ময়লার ভাগাড়ের পাশে আট মাস বয়সী এক শিশুর কান্না শুনতে পান। পরম যত্নে বুকে তুলে নেন এবং নাম দেন আজমল। সে প্রায় ত্রিশ বছর আগের ঘটনা। তখন থেকেই তিনি আজমলকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করে তোলেন। নীচু মানসিকতার আজমল ছিল অত্যন্ত লোভী। সে সুযোগ খোঁজে আশ্রয়দাতার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করার। একদিন অস্ত্রের মুখে মুকিম সাহেবকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দিতে বাধ্য করে এবং স্বহস্তে আশ্রয়দাতাকে হত্যা করে আজমল।উদ্দীপকের আজমল চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- স্বাধীনতা স্পর্শমণি সবাই ভালোবাসে,সুখের আলো জ্বালে বুকে দুঃখের ছায়া নাশে।স্বাধীনতা সোনার কাঠি খোদার স???ধা-দান,স্পর্শে তাহার নেচে উঠে শূন্য দেহে প্রাণ।মনুষ্যত্বের বান ডেকে যায় পশুর হৃদয় তলে,বুক ফুলিয়ে দাঁড়ায় ভীরু স্বাধীনতার বলে।দর্প করে পদানত উচ্চ করে শির,শক্তিহীনেও স্বাধীনতা আখ্যাদানে বীর।উদ্দীপকের স্বাধীনতার আস্বাদন 'সিরাজউদ্দৌলা" নাটকে কীভাবে দেখানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- “ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন এ বড়লজ্জার কথা” – উক্তিটি কে করেছেন?
- উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?
- "ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবীকে রেখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত, এ বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।"উদ্দীপকের ১ম দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটির সাথে।সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহা ধনবানঅসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান,কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমির হিতস্বজাতির সেবা যেবা করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সতুরঅতীব ঘৃণিত সেই পাষন্ড বর্বর।উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে দেশবৈরিতার যে ঘৃণিত রূপ প্রকাশিত হয়েছে তার সাদৃশ্য দেখাও।
- সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকার দীর্ঘকাল ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে শাসনের নামে চালিয়েছে শোষণের স্টিমরোলার। এ সময় ভারতে স্বাধীনতার দাবিতে দানা বেঁধে ওঠে স্বদেশি আন্দোলন। ভারতবর্ষ জুড়ে তীব্র আন্দোলনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কেঁপে ওঠে। ফলে এ আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য সাম্রাজ্যবাদী সরকার ভারতের অগণিত তরুণ-যুবাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলায়। মৃত্যু অবধারিত জেনেও মুক্ত স্বদেশের স্বপ্নে বিভোর আন্দোলনকারীরা পিছপা হননি। স্বদেশিদের দুর্বার এ সংগ্রামে তেত্রিশ কোটি ভারতবাসীর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন।"সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য দেশপ্রেম, যা উদ্দীপকে বিদ্যমান?”- তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'তার নবাব হওয়াটাই আমার মস্ত ক্ষতি।'- ঘসেটি বেগমের এ উক্তির কারণ কী?
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটির 'বুড়িরঘাট' যুদ্ধে শত্রুপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের কাছাকাছি চলে আসে। সহযোদ্ধাদের অপ্রস্তুতির বিষয়টি টের পেয়ে মুন্সি আবদুর রউফ মেশিনগানের গুলি চালিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে সহযোদ্ধারা প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাক্কালে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ। পরাস্ত হয় শত্রুপক্ষ।উদ্দীপকের বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে যুদ্ধক্ষেত্রে মোহনলালের ভূমিকার তুলনা করো।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য অনুসারে রাম-রাবণের যুদ্ধে বিভীষণ স্বপক্ষ-ত্যাগী বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী, অকৃতজ্ঞ ও স্বজনবিমুখ হিসেবে চিহ্নিত। অপরদিকে বীরবাহু, কুম্ভকর্ণ ও মেঘনাদ দেশপ্রেমিক। নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁরা জীবন উৎসর্গকারী। যদিও বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মেঘনাদ যুদ্ধ করার সুযোগ পায়নি। আজও বাঙালি সমাজে প্রবাদ হয়ে আছে-'ঘরের শত্রু বিভীষণ'।উদ্দীপকের বিভীষণের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা করো।
- 'অর্থাৎ ঘুষ খেয়ে খেয়ে ঘুষ কথাটার অর্থই বদলে গেছেআপনার কাছে।'— 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সংলাপটি কার?
- ব্যস্ত শহরের তিনমাথায় হঠাৎ করে একজন লোককে লক্ষ করা যায়। সে নানা ধরনের রঙিন পাথর নিয়ে বসে আছে। তাঁর ভাষ্যমতে, এগুলো সে স্বপ্নে পেয়েছে। এ সব পাথর শরীরে ধারণ করলে সকলের সমস্ত রোগ ভালো হয়ে যাবে। শহরের অনেকেই সরল বিশ্বাসে সেগুলো টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আর এদিকে লোকটার আয়ও দিনে দিনে বেড়ে যেতে থাকে। লোকজন এখন তাকে পাথরবাবা বলে ডাকে।উদ্দীপকের পাথরবাবা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- ক্লেটন কাদেরকে প্রাণপণে যুদ্ধ করতে বলেন?
- শহরে বড়োসড়ো এক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাকাত সরদার নিজাম ও তার দল। এ লক্ষ্যে শহরের প্রান্তে এক পরিত্যক্ত রাড়িতে তারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংগঠিত হতে থাকে। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে নগর পুলিশ পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সদলবলে নিজামকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে।ডাকাত দলের প্রস্তুতির বিষয়টিকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাথে তুলনা করা যায়? ব্যাখ্যা করো।