আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্যাপিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের অসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।
'উদ্দীপকের প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রেক্ষাপটে কতটুকু সাদৃশ্য বহন করে?' আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।উদ্দীপকের রাজাকার ও কমান্ডার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ- বিশ্লেষণ করো।
- হোসেন মিয়া বিশাল সম্পত্তির অধিকারী। তার চার ছেলে সবাই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য কৌশলী, মনোভাবের অধিকারী। হোসেন মিয়া সবকিছু বুঝতে পারলেও সন্তান হিসেবে তাদেরকে বারবার ক্ষমা করে দেন। তার এই অপরিসীম কোমল মনোভাবের কারণে একসময় ছেলেরা গোপনে পুরো সম্পত্তি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয় এবং শেষ পরিণতিতে হোসেন মিয়া রাস্তায় নেমে আসেন। "উদ্দীপকের হোসেন মিয়ার অপরিসীম মহানুভবতা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।" মন্তব্যটি যথার্থতা বিচার করো।
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহা ধনবানঅসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান,কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমির হিতস্বজাতির সেবা যেবা করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সতুরঅতীব ঘৃণিত সেই পাষন্ড বর্বর।উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে দেশবৈরিতার যে ঘৃণিত রূপ প্রকাশিত হয়েছে তার সাদৃশ্য দেখাও।
- 'আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে'- এ উক্তির তাৎপর্য কী?
- "দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্তূপে চাপা না পড়ে।"- কে, কাকে, কী প্রসঙ্গে উক্তিটি করেছিল? ব্যাখ্যা কর।
- খাল কেটে কুমির আনা' ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের কোন চরিত্র বাগ্গারায় উল্লিখিত কুমির চরিত্রের প্রতিভূ?
- সিকানদার আবু জাফরের সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মোট দৃশ্য কয়টি ?
- "আমি আল্লাহর পাক কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করছি, আজীবন নবাবের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকব।" উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- স্বাধীনতা স্পর্শমণি সবাই ভালোবাসে,সুখের আলো জ্বালে বুকে দুঃখের ছায়া নাশে।স্বাধীনতা সোনার কাঠি খোদার সুধা-দান,স্পর্শে তাহার নেচে উঠে শূন্য দেহে প্রাণ।মনুষ্যত্বের বান ডেকে যায় পশুর হৃদয় তলে,বুক ফুলিয়ে দাঁড়ায় ভীরু স্বাধীনতার বলে।দর্প করে পদানত উচ্চ করে শির,শক্তিহীনেও স্বাধীনতা আখ্যাদানে বীর।উদ্দীপকের 'মনুষ্যত্বের বান ডেকে যায়, পশুর হৃদয়তলে" চরণটিতে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দৃশ্যের বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- পলাশীর যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
- সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাঁর নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযোদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।'নিকটজনের দ্বারা 'বিপর্যয়ের শিকার রফিক উদ্দিন ও সিরাজউদ্দৌলা।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতা থেকে সিকানদার আবু জাফর কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেন?
- "এতক্ষণে"-অরিন্দম কহিলা বিষাদেজানিনু কেমনে আমি লক্ষণ পশিলরক্ষঃপুরে হায়, তাত উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভনিতকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসবাবিজয়ী।নিজগৃহপত্র, আত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আমি রাজার আলয়ে?উদ্দীপকের 'তাত' চরিত্রের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সমগোত্রীয় চরিত্রের সাদৃশ্য বিচার করো।
- 'ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন? - সিরাজউদ্দৌলার এই উক্তি কার প্রতি।
- আলিনগরের সন্ধি কত সালে করা হয়?
- বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয় কোন নাট্যকারের হাতে?
- "আপনার দুঃসাহসের সীমা নেই। আমার প্রাসাদে কার অনুমতিতে আপনি প্রবেশ করেছেন?" ব্যাখ্যা কর।
- সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত সাহিত্য-পত্রিকার নাম কী?
- 'বাট আই অ্যাম সিউর নবাব ক্যান কজ নো হার্ম টু আস।'- উক্তিটি কেন করা হয়েছে?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন— এ বড়লজ্জার কথা'— উক্তিটি কার?
- রাস্তায় বসে ছোট্ট শিশু আমিনকে কাঁদতে দেখে তাকে বাড়িতে নিয়ে এলেন প্রফেসর মধুসূদন রায়। পরম মমতায়, সন্তান স্নেহে বড়ো করে তোলেন তাকে। শিক্ষা-দীক্ষা, ধন-সম্পদ কোনো কিছুরই অভাব রাখেননি তিনি। কিন্তু একদিন আমিনই ষড়যন্ত্র করে মধুসূদন বাবুর সমস্ত সম্পত্তি জোর করে দখল করে নিয়ে বাড়ি থেকে সস্ত্রীক মধুসূদন বাবুকে বের করে দিলো। সম্পদের প্রচণ্ড লোভের কাছে পরাজিত হন মধুসূদন বাবুর দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।"উদ্দীপকের আমিন ও 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগম একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।"- মন্তব্যটির সত্যতা নিরূপণ করো।
- মুকিম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ময়লার ভাগাড়ের পাশে আট মাস বয়সী এক শিশুর কান্না শুনতে পান। পরম যত্নে বুকে তুলে নেন এবং নাম দেন আজমল। সে প্রায় ত্রিশ বছর আগের ঘটনা। তখন থেকেই তিনি আজমলকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করে তোলেন। নীচু মানসিকতার আজমল ছিল অত্যন্ত লোভী। সে সুযোগ খোঁজে আশ্রয়দাতার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করার। একদিন অস্ত্রের মুখে মুকিম সাহেবকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দিতে বাধ্য করে এবং স্বহস্তে আশ্রয়দাতাকে হত্যা করে আজমল।উদ্দীপকের আজমল চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- আবেদ-জাবেদ দুই ভাই কার মৃত্যুতে দানবীয় উল্লাস প্রকাশ করেছিল?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়'- ব্যাখ্যা করো ।
- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীআমাদের দেশে ব্যাপক নির্যাতন চালায়। অসংখ্য মানুষেরবাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। মা-বোনদের সম্মানহানি করে এবংব্যাপক গণহত্যা চালায়।এরূপ সাদৃশ্যের অন্তর্নিহিত কারণ— কুঠিয়াল ইংরেজ কর্তৃক নিরীহ প্রজাদের ওপরঅত্যাচারলবণ বিক্রেতার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ানবাবের অর্থ আত্মসাৎ করানিচের কোনটি সঠিক?
- কিলপ্যাট্রিক মাদ্রাজ থেকে কতজন সৈন্য নিয়েহাজির হন?
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটিবকত সালে প্রকাশিত হয়?
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য কতটুকু বিশ্লেষণ করো।
- ঘসেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন কেন?
- ‘কবর’ নাটক কার রচনা?
- "নিজগৃহপথ, তাত দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?"'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে
- সালভাদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতাগ্রহণ করে আলেন্দ কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।উভয় চরিত্রের সাদৃশ্যগত বৈশিষ্ট্য— ক্ষমতালিপ্সাবিশ্বাসঘাতকতাকাপুরুষতানিচের কোনটি সঠিক?
- একরাতে একদল অচেনা লোক রাহাত সাহেবের বাড়িতে'আশ্রয় চায়। রাহাত সাহেব দয়াপরবশ হয়ে তাদের থাকা ওখাওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু মধ্যরাতে সেই অচেনালোকেরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে টাকা-পয়সা ও মূল্যবানজিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় ।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে এরূপ সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়-বাণিজ্য করতে এসে ক্ষমতা দখলের চেষ্টানবাবের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ামিরজাফরদের সাথে গোপনে সন্ধি করানিচের কোনটি সঠিক?
- বিত্তশালী আশিক চৌধুরী তার একমাত্র সন্তান জামিলচৌধুরী ও সম্পদের দেখাশোনার জন্য নাসির মিয়াকেপরিবারের একজনের মতোই স্থান দেন। কিন্তু চৌধুরীসাহেবের মৃত্যুর পরে নাসির মিয়া সম্পদের লোভে ঘুমন্তজামিল চৌধুরীকে হত্যা করে।উদ্দীপকের নাসির মিয়ার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে-
- ঐতিহাসিক পলাশি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- কবর' নাটকটির রচয়িতা-
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কয়টি অঙ্ক রয়েছে?
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের 'এক জীবন্ত মুসলিম চরিত্র তোরাপ। এই তোরাপ সোচ্চার হয়েছে সামাজিক নানা অসংগতির বিরুদ্ধে, সমাজপতিদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিপক্ষে। একজন গরিব কৃষক হয়েও সে সত্যবাদী, সাহসী ও পরোকারী মানুষ। নবীন মাধবের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে সে প্রস্তুত। তাই নবীন মাধবের সব ধরনের সাহসী কাজে সে তার সঙ্গী হয়। ধর্ম- বর্ণের ভেদাভেদ তার দৃষ্টিতে ছিল না বলেই তোরাপ শেষ পর্যন্ত নবীন মাধবের সাথে ছিল। এমনকি নিরীহ কৃষকদের পাশে থেকে অত্যাচারী শোষক ইংরেজ নীলকরদেরও মোকাবিলা করে গেছে সে।উদ্দীপকের তোরাপ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? কীভাবে?
- 'আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই।'- কেন?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' ওয়াটসের কাছে যে কৈফিয়ত চান তা হলো- কাশিম বাজার কুঠিতে তোমরা গোপনে অস্ত্র আমদানি করেছিলে। কেন? আমার নিষেধ সত্ত্বেও কলকাতার দুর্গ সংস্কার তোমরা বন্ধ করনি। কেন?বাংলার মসনদে বসার পর আমাকে নজরানা পাঠাওনি কেন? নিচের কোনটি সঠিক?