বিত্তশালী আশিক চৌধুরী তার একমাত্র সন্তান জামিল
চৌধুরী ও সম্পদের দেখাশোনার জন্য নাসির মিয়াকে
পরিবারের একজনের মতোই স্থান দেন। কিন্তু চৌধুরী
সাহেবের মৃত্যুর পরে নাসির মিয়া সম্পদের লোভে ঘুমন্ত
জামিল চৌধুরীকে হত্যা করে।
উদ্দীপকের নাসির মিয়ার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা'
নাটকের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে-
A.
মিরজাফর
B.
উমিচাঁদ
C.
মোহাম্মদি বেগ
D.
ঘসেটি বেগম
সঠিক উত্তরঃ
C.
মোহাম্মদি বেগ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতীয় স্বার্থের বদলে নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অনেকেই পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা দেয়। এদের স্বাধীনতাকামী মানুষ ঘৃণা করে। এরা গাদ্দার বলে বিবেচিত হয়।উদ্দীপকের 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে-বিশ্বাসঘাতকতাদেশদ্রোহিতাঅপমানবিকতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'ইনি কি নবাব না ফকির?'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- নতুন বাইকে চেপে রাশেদ একদিন বিকেলে তার মামার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে নির্জন স্থানে লাঠিতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজন লোক হাত তুলে তাকে থামতে বলে। রাশেদ কাছে গিয়ে বাইক থামালে লোকটি তাকে অনুরোধ করে বলে- "ভাই, আমি একজন পঙ্গু মানুষ, দয়া করে আমাকে সামনের মোড়ে নামিয়ে দিবেন?" রাশেদ তাকে বাইকের পিছনে নিয়ে কিছুদূর যেতেই লোকটি কৌশলে তার হাতের লাঠি ফেলে দেয় এবং তাকে লাঠিটা আনতে অনুরোধ করে। রাশেদ বাইক থেকে নেমে লাঠি আনতে গেলে লোকটি নিমিষেই বাইক নিয়ে উধাও হয়ে যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত পঙ্গু লোকটির বিশ্বাসঘাতকতার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কতটুকু মিল আছে- আলোচনা করো।
- কাকে ঘুষ খাইয়ে চন্দন নগর ধ্বংস করা হয়েছে?
- রাস্তায় বসে ছোট্ট শিশু আমিনকে কাঁদতে দেখে তাকে বাড়িতে নিয়ে এলেন প্রফেসর মধুসূদন রায়। পরম মমতায়, সন্তান স্নেহে বড়ো করে তোলেন তাকে। শিক্ষা-দীক্ষা, ধন-সম্পদ কোনো কিছুরই অভাব রাখেননি তিনি। কিন্তু একদিন আমিনই ষড়যন্ত্র করে মধুসূদন বাবুর সমস্ত সম্পত্তি জোর করে দখল করে নিয়ে বাড়ি থেকে সস্ত্রীক মধুসূদন বাবুকে বের করে দিলো। সম্পদের প্রচণ্ড লোভের কাছে পরাজিত হন মধুসূদন বাবুর দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।"উদ্দীপকের আমিন ও 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগম একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।"- মন্তব্যটির সত্যতা নিরূপণ করো।
- জামালপুর জেলায় মেলান্দহ উপজেলার একটি নদী কাটাখালী। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা এলাকার ধানী জমিগুলোতে ইটভাটা বসিয়ে কৃষি- উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানার কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করে যাচ্ছে। এলাকায় পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়কর ও ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের কাছে এসবের প্রতিকার চায়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে ??লতে থাকলে অচিরেই এলাকায় মানবিক বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের অসাধু ব্যবসায়ী এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বেনিয়াদের চরিত্র এক ও অভিন্ন।" উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- 'যার অন্তরে বয়ে যায় দেশপ্রেমকোন অসম্মান তাকে পারে না ছুঁতেশত কলঙ্ক রেখা দিলে টেনেকালের পৃষ্ঠা তাকে খাঁটি করে হেমেপ্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরেতিনি বেঁচে থাকেন অন্তরে।'পরিণতি বিচারে উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' 'নাটককে একই সূত্রে বাঁধা যায় কি? যুক্তি প্রদর্শন করো।
- উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যস্থান কোনটি?
- ‘যদি জানতাম বড় হয়ে সে একদিন আমার সৌভাগ্যের অন্তরায় হবে’ । এখানে সে কে?
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। একটা সময় তিতুমীর পরাজিত হন এবং তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ইংরেজরা হত্যা করে। তিতুমীরের এ লড়াই ব্যর্থ মনে হলেও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে সুদূরপ্রসারী অবদান রেখেছে। তাই তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী।'তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী'. মন্তব্যটির যথার্থতা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছিনা তো?— উক্তিটি কার?
- 'ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজা সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?'- উক্তিটিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'সিরাজের পতন কে না চায়?'- উক্তিটি কার?
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।উদ্দীপকের রাজাকার ও কমান্ডার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ- বিশ্লেষণ করো।
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রনির্ভর নাটক রচনা করেন কে?
- শহিদ ক্যাপ্টেন বাশার চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে ক্যাপ্টেন বাশার সেনানিবাস পরিত্যাগ করে হালি শহরে অবস্থান নেন এবং পাকিস্তান আর্মির বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পাকিস্তানি বাহিনী এদেশীয় দালাল মারফত তাঁর অবস্থান শনাক্ত করলে তিনি ধৃত হন। তাঁকে ক্যাম্পে বন্দি করে রাখা হয় এবং অমানুষিক নির্যাতন করে তথ্য আদায়ে ব্যর্থ হয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ রকম নির্যাতনেও দমে যায়নি মুক্তিপাগল বাংলার মানুষ। মুক্তিকামী জনতার সম্মিলিত সংগ্রামের ফলে এদেশ স্বাধীন হয়েছে।উদ্দীপকের এদেশীয় দালাল 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- "ওর কাছে সব কিছুই যেন বড় রকেরম জুয়ো খেলা'- কার কাছে, কেন?