'ইউ ক্যান ফিল রিয়েলি সেফ নাও।' ক্লাইভ যাকে এ কথা বলেছেন
A. সাফ্রে
B. ওয়াটসন
C. মিরন
D. মীরজাফর
সঠিক উত্তরঃ
D.
মীরজাফর
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- দওলত আমার কাছে 'ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েওবড়।' কার কাছে?
- "ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?”- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মূলত বিধৃত হয়েছে—
- নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন শকুন নেমে আসে এই সোনার বাংলায়নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমার দেশ ছেয়ে যায় দালালেরই আলখাল্লায়; নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমার স্বপ্ন লুট হয়ে যায়;নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমার কণ্ঠ বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়;নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়।যখন আমারই দেশে আমার এ দেহ থেকে রক্ত ঝরে যায়ইতিহাসে, প্রতিটি পৃষ্ঠায়।(নূরলদীনের কতা মনে পড়ে যায়- সৈয়দ শামসুল হক)'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার সাথে উদ্দীপকের নূরলদীনের কোন দিক থেকে সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'তুমিও আমাকে বিচার করতে বসলে?'- কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে? সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম সংলাপ-
- অটোমান সাম্রাজ্যের একমাত্র অধিপতি সুলতান সুলেমান খান। সুলতানের নিকটস্থ ও পদস্থ সেনাপতিরা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তারা সুলতানকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। সুলতান তা জেনেও কোনো উপযুক্ত দণ্ডাদেশ দিতে অপারগ। হীন চক্রান্তের ফলে নৃশংসভাবে নিহত হয় সুলতান।'বিশ্বাসঘাতকরা কেবল অটোমান সাম্রাজ্যেই নয়, এই বাংলাতেই বিচরণ করেছে।'- উক্তিটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে উক্তিটি কার?
- চরম ব্যবসায়িক বিপর্যয়ের সময় স্বার্থের কারণে রশিদ সাহেবেরপ্রতি স্ত্রী-সন্তানরাও মুখ ফিরিয়ে নেয়; অথচ জীবনের শেষ দিনপর্যন্ত রশিদ সাহেবকে সেবা করার শপথ নেয় ভৃত্য করিম।উদ্দীপকে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের যে ভাব প্রকাশিত, তাহলো-স্বার্থান্ধতাব্যক্তিজীবনের বিপর্যয়আত্মীয়তার বন্ধনের শৈথিল্যনিচের কোনটি সঠিক?
- সিরাজউদ্দৌলা কাকে কলকাতার দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- ‘ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়' এটি কার সংলাপ?
- স্ত্রী জাএদা কর্তৃক বিষ প্রয়োগে মৃত্যুর পূর্ব সময়ে হাসানের উক্তি, শয্যার নিকটে জাএদাকে ডাকিয়া হাসান চুপি চুপি বলিতে লাগিলেন, 'জাএদা, তোমার চক্ষু হইতে হাসান বিদায় হইতেছে, আশীর্বাদ করি, সুখে থাকো। তুমি যে কার্য করিলে সমস্তই আমি জানিতে পারিয়াছি। তোমাকে বড়োই বিশ্বাস করিতাম। বড়োই ভালোবাসিতাম। তাহার উপর্যুক্ত কার্যই তুমি করিয়াছ। ভালো থেকো, সুখে থাকো, আমি তোমাকে ক্ষমা করিলাম।'হাসানের পরিণতির সঙ্গে সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রের পরিণতির পার্থক্য কোথায়? বুঝিয়ে লেখো।
- পাকিস্তানি মিলিটারিরা একটি স্কুল ঘরে ক্যাম্প করেছিল। তাদের সাথে কিছু রাজাকারও ছিল। মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার জাভেদের যুদ্ধের নৈপুণ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে থাকা রাজাকারদের পরামর্শে তারা আত্মসমর্পণ করে প্রাণ রক্ষা করল।উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজাকারদের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ওয়ালি খানের তুলনা করো।
- 'ভিক্টরি অর ডেথ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের কারণ-তাঁর অদূরদর্শিতাআপনজনের বিশ্বাসঘাতকতাভাগ্যের বিপর্যয়নিচের কোনটি সঠিক?
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?
- পাকিস্তানি মিলিটারিরা একটি স্কুল ঘরে ক্যাম্প করেছিল। তাদের সাথে কিছু রাজাকারও ছিল। মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার জাভেদের যুদ্ধের নৈপুণ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে থাকা রাজাকারদের পরামর্শে তারা আত্মসমর্পণ করে প্রাণ রক্ষা করল।'নবাব সিরাজউদ্দৌলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা, জুগিয়েছে।'- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্য অবলম্বনে আলোচনা করো।
- সিরাজের শ্বশুরের নাম কী?
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। একটা সময় তিতুমীর পরাজিত হন এবং তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ইংরেজরা হত্যা করে। তিতুমীরের এ লড়াই ব্যর্থ মনে হলেও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে সুদূরপ্রসারী অবদান রেখেছে। তাই তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী।'তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী'. মন্তব্যটির যথার্থতা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- মিরমর্দান ছিলেন—
- সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালের দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত। জেনারেল পিনোচেট।উদ্দীপকের পিনোচেট 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- ‘আমি জানি হি ইজ অ্যা ডেড হর্স’ -এখানে ‘ডেড হর্স’ বলতে বোঝানো হয়েছে-
- মুকিম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ময়লার ভাগাড়ের পাশে আট মাস বয়সী এক শিশুর কান্না শুনতে পান। পরম যত্নে বুকে তুলে নেন এবং নাম দেন আজমল। সে প্রায় ত্রিশ বছর আগের ঘটনা। তখন থেকেই তিনি আজমলকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করে তোলেন। নীচু মানসিকতার আজমল ছিল অত্যন্ত লোভী। সে সুযোগ খোঁজে আশ্রয়দাতার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করার। একদিন অস্ত্রের মুখে মুকিম সাহেবকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দিতে বাধ্য করে এবং স্বহস্তে আশ্রয়দাতাকে হত্যা করে আজমল।উদ্দীপকের আজমল চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- জহিরউদ্দীন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে হুমায়ূন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তাঁর বয়স অল্প। সিংহাসনে বসার সাথে সাথেই চারদিকে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। আপন আত্মীয়স্বজন তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এমনকি আপন ভাইয়েরাও তাঁকে সহযোগিতা করেনি। তারপরেও বাবরের বড়ো ছেলে হিসেবে তিনি শক্ত হাতে শাসনকার্য চালিয়ে যান এবং মুঘল সাম্রাজ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।'উদ্দীপকের হুমায়ূনের সিংহাসনে আরোহণ আর নবাব সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে আরোহণ অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ।'- আলোচনা করো।
- "ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- দশ গ্রামের মাতব্বর আশরাদ চৌধুরী নিঃসন্তান না হলেও কোনো পুত্রসন্তান নেই। বিত্তশালী চৌধুরী সাহেব তাই সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী করেন ভাইপো সজলকে। এতে ক্ষিপ্ত হয় তার অন্যান্য ওয়ারিশরা। চৌধুরী সাহেব সকলকে বোঝাতে পারলেও জামাতা আসমত সাহেবকে কোনোভাবে বোঝাতে পারেনি। তিনি শ্বশুরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।উদ্দীপকের আসমত সাহেব 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের 'এক জীবন্ত মুসলিম চরিত্র তোরাপ। এই তোরাপ সোচ্চার হয়েছে সামাজিক নানা অসংগতির বিরুদ্ধে, সমাজপতিদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিপক্ষে। একজন গরিব কৃষক হয়েও সে সত্যবাদী, সাহসী ও পরোকারী মানুষ। নবীন মাধবের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে সে প্রস্তুত। তাই নবীন মাধবের সব ধরনের সাহসী কাজে সে তার সঙ্গী হয়। ধর্ম- বর্ণের ভেদাভেদ তার দৃষ্টিতে ছিল না বলেই তোরাপ শেষ পর্যন্ত নবীন মাধবের সাথে ছিল। এমনকি নিরীহ কৃষকদের পাশে থেকে অত্যাচারী শোষক ইংরেজ নীলকরদেরও মোকাবিলা করে গেছে সে।উদ্দীপকের তোরাপ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? কীভাবে?
- "এতক্ষণে"-অরিন্দম কহিলা বিষাদেজানিনু কেমনে আমি লক্ষণ পশিলরক্ষঃপুরে হায়, তাত উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভনিতকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসবাবিজয়ী।নিজগৃহপত্র, আত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আমি রাজার আলয়ে?"উদ্দীপকের তস্কর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা মহাকালের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে বাঙালিরা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং বাংলার স্বপ্নের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনেন। রাজনীতির মহাকবি বঙ্গবন্ধু সুখী-সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আজীবন কাজ করে গেছেন। অথচ এই দেশেরই মানুষরূপী নরপশু-হায়েনার দল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করে।"উদ্দীপকের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের পরিণতি একই সূত্রে গাঁথা"- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।
- চিকিৎসক আসগর আলীর কাছে অর্থের প্রয়োজনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি রোগী দেখার আগেই পরামর্শ ফি নেন। আপন-পর কিংবা আর্তমানবতা তাঁর কাছে মূল্যহীন।এরূপ সাদৃশ্যের কারণ- রাজ অমাত্যদের অর্থলিপ্সাক্ষমতায় যাওয়ার জন্য অর্থ প্রয়োজনরাজকর্মচারীদের হীনম্মন্যতানিচের কোনটি সঠিক?
- ওই দেখো, ওই যেন চিত্রিত প্রাচীরওই তব সৈন্যগণদাঁড়াইয়া অকারণ,গণিতেছে লহরী কি রণ-পয়োধির?দেখিছ না সর্বনাশ সম্মুখে তোমার?যায় বঙ্গ-সিংহাসনযায় স্বাধীনতা-ধনযেতেছে ভাসিয়া সব, কি দেখিছ আর।উদ্দীপকে প্রতিফলিত বিষয়ের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলার' নাটকের। কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
- রবার্ট ক্লাইভ নারীর ছদ্মবেশে মিরনের বাড়ি এসেছিল কেন?
- সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তার নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাক বাহিনীর হাতে।নিকটজনের দ্বারা বিপর্যয়ের শিকার রফিক উদ্দিন ও সিরাজউদ্দৌলা।'- মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- "আপনাকে আমরা মায়ের মত ভালবাসি।" ঘসেটি বেগমকে উদ্দেশ্য করে একথা বলেছিল-
- 'ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জা কথা'- কে, কেন এ কথা বলেছেন?
- নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই।'- ক্লাইভের এ কথার অর্থ কী?
- জহিরউদ্দীন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে হুমায়ূন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তাঁর বয়স অল্প। সিংহাসনে বসার সাথে সাথেই চারদিকে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। আপন আত্মীয়স্বজন তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এমনকি আপন ভাইয়েরাও তাঁকে সহযোগিতা করেনি। তারপরেও বাবরের বড়ো ছেলে হিসেবে তিনি শক্ত হাতে শাসনকার্য চালিয়ে যান এবং মুঘল সাম্রাজ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।'নবাব সিরাজউদ্দৌলা উদ্দীপকের হুমায়ূনের মতো হলে, 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পরিণতি ভিন্ন হতে পারত।'-বিশ্লেষণ করো।