সিরাউদ্দৌলা নাটকে কে, কেন নিজেকে 'দওলাতের পূজারি' হিসেবে ঘোষণা করেছে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সুজন মিয়া এতিম আলীকে আদর, ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করে হাটবাজারে পাঠান বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করার জন্য। প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে প্রায়ই বলেন, আলীকে এত বিশ্বাস না করতে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে সুজন মিয়া মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করলে আলী গোপনে তার সব খবর। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেয়।, পরবর্তীকালে রাজাকার আর পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সুজন মিয়াকে ধরিয়ে দেয়।"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পুরোভাব প্রকাশিত না হলেও, একটি দিক মাত্র প্রকাশিত হয়েছে।"- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তার নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাক বাহিনীর হাতে।নিকটজনের দ্বারা বিপর্যয়ের শিকার রফিক উদ্দিন ও সিরাজউদ্দৌলা।'- মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম যথার্থভাবে ভেবেছিলেন এবং বুঝেছিলেন সকল দুঃশাসক ও শোষকের জুলুম নিপীড়ন থেকে উদ্ধার পাবার শ্রেষ্ঠ অবলম্বন হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র। এ শিক্ষা তিনি ইতিহাস থেকে লাভ করেছিলেন। তাই তিনি আমাদের এই উপমহাদেশের মুক্তির জন্য যুদ্ধকেই প্রধান মাধ্যম হিসেবে গণ্য করেছিলেন। তার কবিতায় এ চেতনা লক্ষ করা যায়।উদ্দীপকের চেতনা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।
- 'ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোখেওরা এদেশের নয়, দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।'ওদের ঘৃণ্য পদাঘাত, এই বাংলার বুকে।"দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়' পঙ্ক্তিতে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মর্মার্থই প্রতিধ্বনিত হয়েছে"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ‘ইনি কি নবাব না ফকির’ কে, কাকে উদ্দেশ্য করে বলেছে?
- ১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি মাত্র ১৭/১৮ জন সৈন্য নিয়ে নদীয়ার শাসক লক্ষ্মণ সেনের রাজ্য আক্রমণ করেন। বখতিয়ার খিলজির শৃঙ্খলিত ও বিশ্বস্ত সেনবাহিনীর কাছে অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষ্মণ সেনের সেনাবাহিনী যুদ্ধ না করে জীবন বাঁচাতে পলায়ন করে। সেই সাথে লক্ষ্মণ সেনও সেদিন পলায়ন করেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বখতিয়ার খিলজি বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন। আসলে সেদিন সেখানে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি নির্দেশ করে? উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আঙ্গিকে উক্তিটি মূল্যায়ন কর।
- আওয়ালপুরের পীরের প্রধান মুরিদ কে?
- একরাতে একদল অচেনা লোক রাহাত সাহেবের বাড়িতে'আশ্রয় চায়। রাহাত সাহেব দয়াপরবশ হয়ে তাদের থাকা ওখাওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু মধ্যরাতে সেই অচেনালোকেরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে টাকা-পয়সা ও মূল্যবানজিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় ।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে এরূপ সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়-বাণিজ্য করতে এসে ক্ষমতা দখলের চেষ্টানবাবের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ামিরজাফরদের সাথে গোপনে সন্ধি করানিচের কোনটি সঠিক?
- এ পবিত্র বাংলাদেশবাঙালির-আমাদের।দিয়া প্রহারেণ ধনঞ্জয়তাড়াব আমরা, করি না ভয়যত পরদেশি দস্যু ডাকাতরামাদের গামাদের।উদ্দীপকের কোন দিকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
- রক্ত ঝরেঅগ্নির মতো বাঁশের কেল্লা বেদির পরেরক্ত ঝরাই ফাঁসির মঞ্চে দীপান্তরেঝরেছে সকল রক্ত। এখন কখানা হাড়েঝকঝক করে তীব্র তীক্ষ্ণ বর্শা-ফলানতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারেইস্পাত হাড়ে গড়েছি বজ্র বহ্নি-জ্বালা।উদ্দীপকের 'বাঁশের কেল্লা' আর পলাশীর আম্রকানন কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ?
- পঁচিশে মার্চের রাতে হানাদার বাহিনী ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনস আক্রমণ করলে মুমিনের বাবা প্রাণ হারান। বাবা মারা যাওয়ার পর মুমিনের দাদা ওদের পরিবারের সকলকে গ্রামে নিয়ে যান। তখন থেকেই মুমিন প্রতিজ্ঞা করে- তার বাবার হত্যার প্রতিশোধ নিতে হবে। খানদের তাড়াতে হবে এ দেশ থেকে।উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি চিহ্নিত করো।
- কাকে ঘুষ খাইয়ে চন্দন নগর ধ্বংস করা হয়েছে?
- 'ইনি কি নবাব না ফকির?'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- রতন ও রমন দুই বন্ধু বনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। তারা এই মর্মে প্রতিজ্ঞা করে যে, কোনো বিপদ এলে কেউ কাউকে ছেড়ে পালাবে না। কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর তারা দেখতে পায়, একটি ভালুক তাদের দিকে এগিয়ে আসছে। দুজনই ভীত হয়। রতন হঠাৎ লাফ দিয়ে গাছের উপরে ওঠে। রমন গাছে চড়তে জানে না। তাই মৃত মানুষের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ে। হিংস্র ভালুকটি দৌড়ে এসে মাটিতে শুয়ে থাকা রমনের দেহটিকে নিরীক্ষণ করে অবশেষে মৃতদেহ ভেবে চলে যায়। রতন গাছ থেকে নেমে রমনের কাছে গিয়ে ভালুক তার কানে কানে কী বলে গেল তা জানতে চায়। রমন গম্ভীর স্বরে উত্তর দিলো: ভালুকটি বলেছে "বিপদের সময় যারা প্রতিজ্ঞার কথা ভুলে যায়, অসহায় বন্ধুকে ত্যাগ করে, তারা কখনো ভালো মানুষ হয় না।" রতন লজ্জিত হয়। বিনম্র স্বরে বলে, " বন্ধু, বন্ধুত্ব নয়, বুদ্ধি দিয়ে তুমি জিতেছ।"'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিশ্বাসভঙ্গের দিকটি কতটুকু উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে তুলনামূলক আলোচনা করো।
- ১৯৭১ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ আর লাখো শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পথ চলায় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী ছাড়াও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এদেশীয় রাজাকার শ্রেণি। গণহত্যা, লুট, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ নানা ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডে শামিল হয় তারা। কিন্তু এদেশের স্বাধীনতার জয়যাত্রায় কোনোভাবেই তারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এদেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এদেশে স্বাধীন হয়েছে।উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজাকার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে? ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ দৃশ্যের সময় কখন?
- 'শুধুই অপমান নেই আমার'- এ উক্তির মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে সিরাজউদ্দৌলার-
- 'নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?' উদ্দীপকের 'তস্কর' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোনটিপ্রতিনিধিত্ব করে?
- নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চতুর ও উচ্চাভিলাষী চন্দ্রগুপ্ত গ্রিক শিবিরে আলেকজান্ডারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নন্দবংশের উৎখাতের জন্য তার সাহায্য কামনা করে। আলেকজান্ডার চন্দ্রগুপ্তের ধৃষ্টতায় রুষ্ট হয়ে তার প্রাণদণ্ড দিলেও সে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে। পরে বিচক্ষণ কূটনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদ চাণক্যের পরামর্শে নন্দবংশ ধ্বংসপূর্বক সিংহাসনে আরোহণ করে চন্দ্রগুপ্ত।'উদ্দীপকের চন্দ্রগুপ্তের মধ্যে মিরজাফরের উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকলেও রবার্ট ক্লাইভের ধূর্ততাই বেশি।'- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- 'ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।'- ব্যাখ্যা করো।