রতন ও রমন দুই বন্ধু বনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। তারা এই মর্মে প্রতিজ্ঞা করে যে, কোনো বিপদ এলে কেউ কাউকে ছেড়ে পালাবে না। কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর তারা দেখতে পায়, একটি ভালুক তাদের দিকে এগিয়ে আসছে। দুজনই ভীত হয়। রতন হঠাৎ লাফ দিয়ে গাছের উপরে ওঠে। রমন গাছে চড়তে জানে না। তাই মৃত মানুষের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ে। হিংস্র ভালুকটি দৌড়ে এসে মাটিতে শুয়ে থাকা রমনের দেহটিকে নিরীক্ষণ করে অবশেষে মৃতদেহ ভেবে চলে যায়। রতন গাছ থেকে নেমে রমনের কাছে গিয়ে ভালুক তার কানে কানে কী বলে গেল তা জানতে চায়। রমন গম্ভীর স্বরে উত্তর দিলো: ভালুকটি বলেছে "বিপদের সময় যারা প্রতিজ্ঞার কথা ভুলে যায়, অসহায় বন্ধুকে ত্যাগ করে, তারা কখনো ভালো মানুষ হয় না।" রতন লজ্জিত হয়। বিনম্র স্বরে বলে, " বন্ধু, বন্ধুত্ব নয়, বুদ্ধি দিয়ে তুমি জিতেছ।"
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিশ্বাসভঙ্গের দিকটি কতটুকু উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে তুলনামূলক আলোচনা করো।

- কোনটি সঠিক?
- "বৃটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন এ বড় লজ্জার কথা"- ব্যাখ্যা করো।
- সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে কালী দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ায় শোকার্ত অপর্ণা রাজার কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারিণীর দুঃখ রাজাকে মর্মাহত করে। তিনি রাজ্যে পশুবলি বন্ধ করে দেন। কিন্তু রাজার এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজপুরোহিত রঘুপতি। পৌরহিত্যের দাম্ভিকতা নিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন তিনি। রাজার অনুজ নক্ষত্ররায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান। রাজা হবার স্বপ্নে বিভোর নক্ষত্ররায়ও রক্তসম্পর্ক ভ্রাতৃপ্রেম ভুলে গিয়ে রাজাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে।উদ্দীপকের রঘুপতির সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজদের সাদৃশ্য দেখাও।
- হাজী আব্দুল গণি মিয়া তার পিতার উত্তরসূরি হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন পরোপকারী এবং উদার চিত্তের মানুষ। দীন-দুঃখী মানুষকে সাহায্য করাই যেন তাঁর মূল কাজ। তাঁর সহধর্মিণীও ছিলেন একই স্বভাবের। এক রাতে একদল আগন্তুক এসে তাদের কাছে আশ্রয় চান। হাজী আব্দুল গণি মিয়া সরল মনে আগন্তুকদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। মধ্যরাতে সেই আগন্তুকরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে সব ধন-সম্পদ লুট করে নেয়, বাধা দিতে গিয়ে হাজী আব্দুল গণি মিয়া আগন্তুকদের আঘাতে নির্মমভাবে নিহত হন।উদ্দীপকের আগন্তুকদের বিশ্বাসঘাতকতার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাদৃশ্য আছে? আলোচনা কর।
- "শুধু ওই একটি পথেই আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।" কিভাবে?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ‘We have come to earn money and not to get into politics' – সংলাপটি কার?
- সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকার দীর্ঘকাল ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে শাসনের নামে চালিয়েছে শোষণের স্টিমরোলার। এ সময় ভারতে স্বাধীনতার দাবিতে দানা বেঁধে ওঠে স্বদেশি আন্দোলন। ভারতবর্ষ জুড়ে তীব্র আন্দোলনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কেঁপে ওঠে। ফলে এ আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য সাম্রাজ্যবাদী সরকার ভারতের অগণিত তরুণ-যুবাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলায়। মৃত্যু অবধারিত জেনেও মুক্ত স্বদেশের স্বপ্নে বিভোর আন্দোলনকারীরা পিছপা হননি। স্বদেশিদের দুর্বার এ সংগ্রামে তেত্রিশ কোটি ভারতবাসীর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন।"সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য দেশপ্রেম, যা উদ্দীপকে বিদ্যমান?”- তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- মুক্তিযোদ্ধাদের নৌজাহাজ বিএনএস পলাশ আর পদ্মা মংলা বন্দর দখল করে নিয়েছে। ভৈরব নদী বেয়ে জাহাজ দুটি খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছাকাছি আসতেই একটা বোমারু বিমান থেকে জাহাজ দুটির উপর বোমা এসে পড়ে। রুহুল আমিন বিএনএস পলাশ থেকে ঝাঁপ দিয়ে নদী সাঁতরে পাড়ে উঠলেন। কিন্তু পাড়ে থাকা রাজাকাররা নির্মমভাবে হত্যা করে বুহুল আমিনকে।"প্রতিপক্ষের হাত থেকে বাঁচলেও দেশীয় দোসরদের হাত থেকে রুহুল আমিন ও সিরাজ কেউই রক্ষা পাননি।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো?
- তুমিও আমার বিচার করতে বসলে? ব্যাখ্যা কর।
- কে আল্লাহর কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করেছিল?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।'উদ্দীপকের পিনোচেট 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- 'ইনি কি নবাব না ফকির?'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে'- ব্যাখ্যা করো।
- 'দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়ে বড়'- উক্তিটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- নারান সিং-এর পরিচয় কি ?
- অমর ও সমর অন্তরঙ্গ বন্ধু। একদা তারা এক বনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। তারা প্রতিজ্ঞা করেছে পথে কোনো বিপদে কেউ কাউকে ছেড়ে যাবে না। বনের মাঝামাঝি আসতেই তারা এক হিংস্র ভালুকের আক্রমণের শিকার হলো। অমর বন্ধুর কথা না ভেবে নিজের প্রাণ বাঁচাতে একটি বৃক্ষের উপর উঠে গেল; কিন্তু সমর গাছে উঠতে পারে না। উপায় না দেখে সে মৃত মানুষের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ল। হিংস্র ভালুকটি দৌড়ে এসে সমরের দেহটিকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে অবশেষে মৃতদেহ ভেবে চলে গেল। বিপদমুক্ত ভেবে অমর এবার বৃক্ষ থেকে নামল আর বন্ধু সমরের কাছে জানতে চাইল, ভালুক তার কাকে কানে কী বলে গেছে? সমর গম্ভীর স্বরে উত্তর দিল- 'ধূর্ত ও প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারীরা চিরকালই শত্রু হয়, বন্ধু হয় না, এই কথাই বলেছে।''ধূর্ত ও প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারীরা চিরকালই শত্রু হয়, বন্ধু হয় না,' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ও উদ্দীপকের এই বক্তব্যের সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়- বিচার করো।
- ঐতিহাসিক নাটক কোনটি?
- 'কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার রাতারাতি সেনাধ্যক্ষ হয়ে বসেছে'কার উক্তি?