চরম ব্যবসায়িক বিপর্যয়ের সময় স্বার্থের কারণে রশিদ সাহেবের
প্রতি স্ত্রী-সন্তানরাও মুখ ফিরিয়ে নেয়; অথচ জীবনের শেষ দিন
পর্যন্ত রশিদ সাহেবকে সেবা করার শপথ নেয় ভৃত্য করিম।
উদ্দীপকের ভৃত্য করিম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন
চরিত্রের অনুরূপ?
A.
সাঁফ্রে
B.
লুৎফা
C.
মোহনলাল
D.
নারান সিং
সঠিক উত্তরঃ
D.
নারান সিং
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের স্থান-
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাশিমবাজার কুঠির প্রধান কে?
- চরম ব্যবসায়িক বিপর্যয়ের সময় স্বার্থের কারণে রশিদ সাহেবেরপ্রতি স্ত্রী-সন্তানরাও মুখ ফিরিয়ে নেয়; অথচ জীবনের শেষ দিনপর্যন্ত রশিদ সাহেবকে সেবা করার শপথ নেয় ভৃত্য করিম।উদ্দীপকে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের যে ভাব প্রকাশিত, তাহলো-স্বার্থান্ধতাব্যক্তিজীবনের বিপর্যয়আত্মীয়তার বন্ধনের শৈথিল্যনিচের কোনটি সঠিক?
- ঘসেটি বেগম কেন সিরাজের ধ্বংস কামনা করেন?
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। একটা সময় তিতুমীর পরাজিত হন এবং তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ইংরেজরা হত্যা করে। তিতুমীরের এ লড়াই ব্যর্থ মনে হলেও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে সুদূরপ্রসারী অবদান রেখেছে। তাই তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী।উদ্দীপকের তিতুমীর চরিত্রকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাউদ্দৌলা চরিত্রের সঙ্গে তুলনা কর।
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোধেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।'নবাব সিরাজউদ্দৌলার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ একই প্রেরণা থেকে উৎসারিত।'- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- ওয়ার্ল্ড গার্ডেন নেটওয়ার্ক নামে একটি বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি সারা দেশ ব্যাপী প্রসার লাভ করে। স্বল্প বিনিয়োগে মোটা অংকের মুনাফা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা দেশের সাধারণ মানুষের নিকট হতে টাকা তোলা শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যে কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোম্পানিটি এক রাতের মধ্যে সারা দেশ হতে গায়েব হয়ে যায়। এই ভুয়া কোম্পানির নিকট দেশের সাধারণ মানুষগুলো তাদের সর্বস্ব খুইয়ে দারুণভাবে প্রতারিত হয়।উদ্দীপকে ওয়ার্ল্ড গার্ডেন নেটওয়ার্ক কোম্পানির সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- 'কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে' — সিরাজেরএই উক্তির কারণ, তিনি-
- "শুধু ওই একটি পথেই আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।" কিভাবে?
- "নিজগৃহপথ, তাত দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?"'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'স্বার্থান্ধ প্রতারকের কাপুরুষতা বীরের সংকল্প টলাতে পারেনি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ‘ইনি কি নবাব না ফকির’ কে, কাকে উদ্দেশ্য করে বলেছে?
- দশ গ্রামের মাতব্বর আশরাদ চৌধুরী নিঃসন্তান না হলেও কোনো পুত্রসন্তান নেই। বিত্তশালী চৌধুরী সাহেব তাই সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী করেন ভাইপো সজলকে। এতে ক্ষিপ্ত হয় তার অন্যান্য ওয়ারিশরা। চৌধুরী সাহেব সকলকে বোঝাতে পারলেও জামাতা আসমত সাহেবকে কোনোভাবে বোঝাতে পারেনি। তিনি শ্বশুরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।"উদ্দীপকটিতে চক্রান্তের আভাস থাকলেও তা সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সমগ্র ভাবধারাকে ধারণ করতে পারেনি।" এ বিষয়ে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- মৃত্যুকালে সিরাজের মুষ্টিবদ্ধ হাত কীসের প্রতীক?
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'- উক্তিটির সপ্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করো।
- উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?
- "আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে"- এ উক্তির তাৎপর্য কী?
- 'সিরাজের পতন কে না চায়?'- উক্তিটি কার?
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। একটা সময় তিতুমীর পরাজিত হন এবং তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ইংরেজরা হত্যা করে। তিতুমীরের এ লড়াই ব্যর্থ মনে হলেও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে সুদূরপ্রসারী অবদান রেখেছে। তাই তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী।'তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী'. মন্তব্যটির যথার্থতা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- 'ইনি কি নবাব না ফকির?'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে দেশের জনমানুষ সুসংহত হতে থাকে। সকলে পরাশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার শপথ নেয়। এ সময় কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী ব্যক্তিবর্গ প্রতিপক্ষের সাথে শলাপরামর্শ করে স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য। অথচ দেশবিরোধীরা ধর্মগ্রন্থ নিয়ে শপথ করে যে তারা দেশের স্বার্থে ও নেতার পক্ষে কাজ করবে। তাদের মধ্যে আবার কেউ বলে, বাইবেলের কসম আমার জীবন দেশের কল্যাণে উৎসর্গকৃত।
- মোদাচ্ছের পীরের মাজারকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- 'পলাশিতে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয় ।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- তুমিও আমার বিচার করতে বসলে? ব্যাখ্যা কর।
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহা ধনবানঅসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান,কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমির হিতস্বজাতির সেবা যেবা করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সতুরঅতীব ঘৃণিত সেই পাষন্ড বর্বর।উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে দেশবৈরিতার যে ঘৃণিত রূপ প্রকাশিত হয়েছে তার সাদৃশ্য দেখাও।
- 'আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে'সিরাজউদ্দৌলার এই উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মিরজাফরের গুপ্তচরের নাম কী?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রকাশকাল কত?
- , সিয়াজউদ্দৌলা ' নাটকে কোথাকার 'মহারাণীর কথা উল্লেখ রয়েছে?
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবাত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্ঘাটিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের নিঃসীয় দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।উদ্দীপকের প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রেক্ষাপটে কতটুকু সাদৃশ্য বহন করে? আলোচনা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কি ছিল?
- 'বর্গি এস খাজনা নিতেমারল মানুষ কত।পুড়ল শহর, পুড়ল শ্যামলগ্রাম যে শত শত।হানাদারের সজো জোরেলড়ে মুক্তি সেনা,তাদের কথা দেশের মানুষকখনো ভুলবে না।'"উদ্দীপকের মুক্তিসেনা এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলা একই সূত্রে গাঁথা।" মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ করো।
- 'মেঘনাদবধ কাব্যে'র দেশপ্রেমিক রাক্ষসরাজ রাবণ দেশে শত্রুবেষ্টিত ও অবরুদ্ধ। রামচন্দ্র ও তার বানর সৈন্য লঙ্কা নগরীকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। রাবণের অনুজ বিভীষণ শত্রুসেনাদের সাথে যোগ দিয়ে রাবণের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। চারিদিকে অবিশ্বাস, প্রতারণা ও বিপর্যয়ের হাতছানি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বীর পুত্রদের মৃত্যুর খবর আসে তাঁর কানে । বিষন্ন ও দ্রোহক্ষুব্ধ রাবণ শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য যুদ্ধসাজ নিয়ে রণক্ষেত্রে অগ্রসর হয়। দেশের জন্য এ সংগ্রাম প্রকৃত বীরত্বের মহিমায় উজ্জ্বল।উদ্দীপকের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে তা মূল্যায়ন করো।
- 'আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- চিকিৎসক আসগর আলীর কাছে অর্থের প্রয়োজনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি রোগী দেখার আগেই পরামর্শ ফি নেন। আপন-পর কিংবা আর্তমানবতা তাঁর কাছে মূল্যহীন। উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোন চরিত্র সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'সিরাজউদ্দৌলা, এখন কয়েদি, ওয়ার ক্রিমিনাল।'- ব্যাখ্যা করো।