‘দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড় ।’- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে এই উক্তি কার?
A. উমিচাঁদ
B. ঘসেটি বেগম
C. রাজবল্লভ
D. মিরজাফর
সঠিক উত্তরঃ
A.
উমিচাঁদ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে উক্তিটি কার?
- রবার্ট ক্লাইভ কাকে সেরা বিশ্বাসঘাতক বলেছেন?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তখন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন মোনায়েম খাঁ। বাঙালি হয়েও তিনি স্বদেশ ও স্বজাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। তার সাথে নানা অপতৎপরতায় যুক্ত হয় এ দেশের কিছু দালাল-দোসর। মোনায়েম খাঁ ও তার সহযোগী কুলাঙ্গারদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় হানাদার বাহিনী লাখ লাখ দেশপ্রেমিক বাঙালিকে হত্যা করে।তুমি কী মনে কর উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিষয়বস্তুর প্রতিফলন ঘটেছে? যুক্তিসহ ব্যাখ্যা কর।
- সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কে নবাব হলে সকলের উদ্দেশ্যইহাসিল হবে?
- উমিচাঁদের কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড়কী?
- তোমার অপরাধের জন্য নবাবের দন্ডাজ্ঞা শোনাতে এসেছি।'- কোন নবাবের?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়ো লজ্জার কথা।'– উক্তিটি কে করেছিল?
- সিংহজানী পরগণার এক প্রতাপশালী জমিদারের নাম সিংহ নারায়ণ রায়। প্রজাবাৎসল্য তার চরিত্রের অন্যতম দিক। প্রজাদের সুখের জন্য তিনি দিঘি খনন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, খাদ্যাভাব মোকাবিলায় খাদ্য মজুদসহ নানা রকম জনহিতকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তার জমিদারির অন্যতম সদস্য ছিলেন একমাত্র ভগ্নিপতি সমর সমাদ্দর। তিনি তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং বিশ্বাস করতেন। এই বিশ্বাসের সুযোগে সমর সমাদ্দার আত্মস্বার্থ চরিতার্থে ব্যস্ত থাকত। তার কৃতকর্ম অনেকবার ধরা পড়লেও জমিদার ঔদার্যবশত তাকে ক্ষমা করে দিতেন। এক বছর খাজনা পরিশোধের জন্য সমরকে দায়িত্ব দিলে সে সমস্ত অর্থ নিয়ে আত্মগোপন করে। সূর্যাস্ত আইনে জমিদারির পতন ঘটে।উদ্দীপকের সমর সমাদ্দার কীভাবে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফরের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের রচয়িতা কে?
- মসনদে একটি মাত্র দিনের জন্য মাথা উঁচু করে বসার ইচ্ছা ছিল কার?
- কাদায় আটকে পড়ে আর্তনাদরত এক ২ সিংহের প্রতি সদয় হয়ে তাকে উদ্ধার করে একজন পথচারী। কিন্তু পরক্ষণে সে পথচারীকে সিংহটি খেতে চায়।উদ্দীপকের সিংহ এবং 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মোহাম্মদি বেগ কোন অর্থে অভিন্ন?
- 'মাকড়সা' সিকানদার আবু জাফরের কী ধরনের রচনা?
- 'আজ আমার ভরসা আমার সেনাবাহিনীর শক্তি নয় ....' - সিরাজউদ্দৌলা তাহলে পলাশীতে কিসের উপর ভরসা করতে চেয়েছিলেন?
- "ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়" এর তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।
- ওয়ার্ল্ড গার্ডেন নেটওয়ার্ক নামে একটি বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি সারা দেশ ব্যাপী প্রসার লাভ করে। স্বল্প বিনিয়োগে মোটা অংকের মুনাফা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা দেশের সাধারণ মানুষের নিকট হতে টাকা তোলা শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যে কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোম্পানিটি এক রাতের মধ্যে সারা দেশ হতে গায়েব হয়ে যায়। এই ভুয়া কোম্পানির নিকট দেশের সাধারণ মানুষগুলো তাদের সর্বস্ব খুইয়ে দারুণভাবে প্রতারিত হয়।উদ্দীপকে ওয়ার্ল্ড গার্ডেন নেটওয়ার্ক কোম্পানির সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- "বাংলাদেশের নাটকে "বর্ণনাত্মক রীতি" এর সার্থক প্রয়োগ কে ঘটান ?
- “সবাই উচ্চাবিলাষী । সবাই সুযোগ খুঁজছে ৷ ” ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে এ উক্তিটি কার?
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে রাজাকার ও আলবদররা গোপনে পাকিস্তানিবাহিনীকে সহায়তা করে এবং বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।তাদের সহায়তায় পাক হানাদার বাহিনী বাংলাদেশে বুদ্ধিজীবী হত্যারনীল নকশা প্রণয়ন করে।উদ্দীপকের রাজাকার ও আলবদরদের সাথে “সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র___
- মাস্টারদা সূর্যসেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। এ দেশের গণমানুষকে জাগিয়ে তুলতে নানাভাবে চেষ্টা করেন। তারই নির্দেশে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে আক্রমণ সফল হওয়ার পর ব্রিটিশ শাসকের টনক নড়ে। তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ইংরেজরা দশ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। অর্থের লোভে জনৈক ব্যক্তি তাঁর অবস্থান জানিয়ে দিলে তিনি ধরা পড়েন। অতঃপর তাঁকে নির্মমভ??বে হত্যা করা হয়।উদ্দীপকের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- পত্র মারফত শওকতজঙ্গকে কে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিলেন?
- ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণের প্রাক্কালে ইংরেজবাহিনী সাদা নিশান উড়ায় কেন?
- 'শুধুই অপমান নেই আমার'- এ উক্তির মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে সিরাজউদ্দৌলার-
- “কেউ এক চুল নড়লে প্রাণ যা???ে” উক্তিটি কার ?
- 'খোদার কাছে শুকরিয়া, এ পীড়ন তুমি দেখলে না'- ব্যাখ্যা কর।
- 'ট্রাজেডি' নাটকের অঙ্গ বিভাজন কত প্রকার?
- নীলকর ইংরেজদের বাঙালি সহযোগী আমিন ইয়েস-নো-ভেরি গুড়জাতীয় ইংরেজি শিখে নিজেকে নীলকরদের সগোত্রীয় প্রমাণ করার জন্যনীলচাষিদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের উপায় বাতলে দেয়। নির্যাতনঅসহনীয় হয়ে উঠলে প্রতিশোধ ছাড়া উপায় থাকে না বাঙালি চাষিদের।উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পে যুগপৎ প্রকাশিত হয়েছে—
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের 'এক জীবন্ত মুসলিম চরিত্র তোরাপ। এই তোরাপ সোচ্চার হয়েছে সামাজিক নানা অসংগতির বিরুদ্ধে, সমাজপতিদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিপক্ষে। একজন গরিব কৃষক হয়েও সে সত্যবাদী, সাহসী ও পরোকারী মানুষ। নবীন মাধবের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে সে প্রস্তুত। তাই নবীন মাধবের সব ধরনের সাহসী কাজে সে তার সঙ্গী হয়। ধর্ম- বর্ণের ভেদাভেদ তার দৃষ্টিতে ছিল না বলেই তোরাপ শেষ পর্যন্ত নবীন মাধবের সাথে ছিল। এমনকি নিরীহ কৃষকদের পাশে থেকে অত্যাচারী শোষক ইংরেজ নীলকরদেরও মোকাবিলা করে গেছে সে।উদ্দীপকের তোরাপ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? কীভাবে?
- জমিদার কান্ত রায়ের মৃত্যুর পর একমাত্র পুত্র হীরক রায়জমিদারি লাভ করেন। হীরক রায় বয়সে তরুণ ও সরলপ্রকৃতির মানুষ। সরলতার সুযোগ নিয়ে কাকা তপন রায়অমাত্যদের নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। টের পেয়েহীরক রায় কঠোর হস্তে সে ষড়যন্ত্র দমন করেন। হীরক রায় কর্তৃক ষড়যন্ত্র দমন 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের কোন ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়?সিরাজের কলকাতা অভিযানঘসেটি বেগমের নজরবন্দিকোম্পানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?
- যতিন শেখ বহু বছর ধরে প্রবাসী। থাকা-খাওয়াসহ মাসিক বেতনের বিনিময়ে তার গ্রামের বাড়ি ও সম্পদ দেখাশুনা করে মোহন। প্রচন্ড অর্থলোভী মোহন যতিন শেখের সহায়-সম্পদের যথেচ্ছা ব্যবহার ও তা আত্মসাৎ করলেও যতিন শেখের কাছে সে ভীষণ বিশ্বাসভাজন। এবার দেশে এলে মোহন ডাকাত দলের সাথে মিলে যতিন শেখের বাড়ি ডাকাতি করে বিপুল অর্থ আত্মসাতের পরিকল্পনা করেছে। সে মনে করে অর্থই সব, অর্থের চেয়ে বড় আর কিছু নেই।"অর্থলোভ মানুষকে অন্যায় ও অনৈতিকতার দিকে ধাবিত করে।"- মন্তব্যটি উদ্দীপক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- পারিবারিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ন্যায্য সুবিধাদেওয়ার দাবিতে অনড় থাকায় সুবিধাভোগীদের সহায়তায়অতি আদরের ভাতিজা নাজিমের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ষড়যন্ত্রেলিপ্ত হয় চাচা কামরুল ।উদ্দীপকের চাচা কামরুল 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রের অনুরূপ?
- "আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে"- এ উক্তির তাৎপর্য কী?
- 'নবাব মসনদের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। ইনি কিনবাব না ফকির।'— এ কথার মধ্য দিয়ে মিরজাফরচরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়েছে?
- উদ্দীপকে উল্লিখিত কোন বৈশিষ্ট্যের অভাবে সিরাজউদ্দৌলা সফল হতে পারেননি বলে তুমি মনে করো? বর্ণনা করো।
- রফিক স্পষ্টভাবেই তার চাওয়াটা সকলকে জানিয়ে দিয়ে গেছে। সে সহ-সভাপতির পদ চায়। এও বলেছে যে, যদি সোহেলদের দল জিতবে নিশ্চয়তা থাকে তাহলেই কেবল রফিক তাদের দলে আসবে, পরাজয়ের আশঙ্কা থাকলে সে তার বর্তমান দল ত্যাগ করবে না। উদ্দীপকের রফিক চরিত্রটি 'সিরাজউদ্???ৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিরূপ?
- কে নবাব সিরাজউদ্দৌলা'র আত্মীয় ছিলেন?
- "ইনি কি নবাব, না ফকির?"- মীরজাফর সম্পর্কে ক্লাইভের এ উক্তির কারণ কী?
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে রাজাকার ও আলবদররা গোপনে পাকিস্তানিবাহিনীকে সহায়তা করে এবং বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।তাদের সহায়তায় পাক হানাদার বাহিনী বাংলাদেশে বু??্ধিজীবী হত্যারনীল নকশা প্রণয়ন করে।উদ্দীপক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল বিষয়—
- 'বিপদ আসন্ন দেখে কাপুরুষেয় মতো হাল ছেড়ে দিও না।' কার সংলাপ?
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটির 'বুড়িরঘাট' যুদ্ধে শত্রুপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের কাছাকাছি চলে আসে। সহযোদ্ধাদের অপ্রস্তুতির বিষয়টি টের পেয়ে মুন্সি আবদুর রউফ মেশিনগানের গুলি চালিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে সহযোদ্ধারা প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাক্কালে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ। পরাস্ত হয় শত্রুপক্ষ।"উদ্দীপকে বিজয়ের বারতা থাকলেও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে পরাজয় ঘটেছে দেশপ্রেমিক শক্তির।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।