সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়'-উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- 'আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি।'- ক্লাইভেরএই উক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে—মিরজাফরের প্রতি অনাস্থানবাবের শাসনের প্রতি বশ্যতানবাবের দেশপ্রেম চেতনায় শ্রদ্ধানিচের কোনটি সঠিক?
- উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?
- মিরজাফর নবাব হওয়ার পর ক্লাইভ কোন এলাকারস্থায়ী মালিকানা পায়?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'প্রকৃত দেশপ্রেমিক দেশের জন্য প্রাণ দিতে কুণ্ঠিত হন না।'- এ উক্তিটির আলোকে উদ্দীপক 'ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- প্রগতিশীল যুবক আকাশ শহর থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করে এক সময় নিজ গ্রাম শিবালয়ে ফিরে আসে। তার গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তাই গ্রামের মানুষকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে গ্রামে একটা স্কুল প্রতিষ্ঠা- করতে চায় আকাশ। এর জন্য গ্রামের লোকজনকে ডেকে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। সভায় গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি ছমির মিয়া নিজের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার ভয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে এবং তাকে কৌশলে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য করে।"উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের খণ্ডচিত্র মাত্র, সামগ্রিক চিত্র নয়।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'পলাশিতে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয় ।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ দৃশ্যের সময় কখন?
- নবাবের গোলন্দাজ বাহিনী কোন খাল পেরিয়ে ছুটে আসছে?
- রক্ত ঝরেঅগ্নির মতো বাঁশের কেল্লা বেদির পরেরক্ত ঝরাই ফাঁসির মঞ্চে দীপান্তরেঝরেছে সকল রক্ত। এখন কখানা হাড়েঝকঝক করে তীব্র তীক্ষ্ণ বর্শা-ফলানতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারেইস্পাত হাড়ে গড়েছি বজ্র বহ্নি-জ্বালা।"নতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারে"- উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের দেশপ্রেম আলোচনা কর।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'শাজাহান।' পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট শাহজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটিকে শ্রেষ্ঠ ট্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট শাহজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'শাজাহান।'বিষয়বস্তুর দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
- জবেদা খাতুনের খুব কাছের লোক ছিল মোখলেছার রহমান। জবেদা খাতুন বিশ্বাস করে তার জমিজমা দেখাশোনার ভার দেন মোখলেছার রহমানকে। কিন্তু একদিন জবেদা খাতুন দেখেন তার সম্পত্তি মোখলেছার রহমানের নামে হয়ে আছে। তিনি ভাবলেন-এতদিন ভুল মানুষকে বিশ্বাস করেছেন। বিশ্বাস করা ভালো কিন্তু অন্ধবিশ্বাস কখনো কখনো মানুষকে পথে বসিয়ে দেয়।"উদ্দীপকের মোখলেছার যেন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফরকে ইঙ্গিত করে।"- ব্যাখ্যা করো।
- হাজী আব্দুল গণি মিয়া তার পিতার উত্তরসূরি হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন পরোপকারী এবং উদার চিত্তের মানুষ। দীন-দুঃখী মানুষকে সাহায্য করাই যেন তাঁর মূল কাজ। তাঁর সহধর্মিণীও ছিলেন একই স্বভাবের। এক রাতে একদল আগন্তুক এসে তাদের কাছে আশ্রয় চান। হাজী আব্দুল গণি মিয়া সরল মনে আগন্তুকদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। মধ্যরাতে সেই আগন্তুকরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে সব ধন-সম্পদ লুট করে নেয়, বাধা দিতে গিয়ে হাজী আব্দুল গণি মিয়া আগন্তুকদের আঘাতে নির্মমভাবে নিহত হন।উদ্দীপকের আগন্তুকদের বিশ্বাসঘাতকতার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাদৃশ্য আছে? আলোচনা কর।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলীনগরের দেওয়ান নিযুক্ত করেছিলেন?
- সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।উদ্দীপকের রাজাকার ও কমান্ডার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ- বিশ্লেষণ করো।
- "শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়"- ব্যাখ্যা করো।
- ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।
- উমিচাঁদের কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড়কী?
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপ-চারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীল চাষে বাধ্য করা, নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম, নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ। প্রজা পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীন মাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীন মাধব মৃত্যুবরণ করে। 'অবস্থানগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হলেও নবীন মাধব এবং সিরাজউদ্দৌলার জীবন একই সূত্রে গাঁথা।'- মতামতসহ তোমার অবস্থান তুলে ধরো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময়-
- 'সিরাজের পতন কে না চায়' সংলাপটি কার?
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কী ছিল?
- অটোমান সম্রাজ্যের পথপ্রদর্শক সুলতানা কোসেম। যখনই রাজপরিবার বিপদগ্রস্ত হয়েছে, তখনই সুলতানা কোসেম মুখ্য, ভূমিকা পালন করেছেন। এক সৈনিক শত্রুর সাথে হাত মেলালে প্রমাণ সাপেক্ষে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এতে ওই সৈনিকের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সুলতানা ঐ পরিবারের দায়ভার ও তার ছেলে হাবিবের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেন। কিন্তু হাবিব পিতৃহত্যার কথা জানতে পেরে মনে মনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সুযোগ পেয়ে কোসেমকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করেন। এ যাত্রায় সুলতানা রক্ষা পেলে হাবিব নাবালক বলে তাকে ক্ষমা করেন এবং সংশোধনাগারে পাঠিয়ে দেন। দীর্ঘদিন সংশোধনাগারে রাখার পর হাবিবকে আবার সৈনিক হিসেবে নিয়োগ দেন। কিন্তু হাবিব সুযোগ পেয়ে সুলতানাকে হত্যা করেন।ক্ষমা প্রদর্শন করে কোসেম সুলতানার যে পরিণতি সিরাজউদ্দৌলা নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলারও একই পরিণতি হয়েছে"- যুক্তি দিয়ে বিচার করো।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়??? নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলা কাকে কলকাতার দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- 'মেঘনাদবধ কাব্যে'র দেশপ্রেমিক রাক্ষসরাজ রাবণ দেশে শত্রুবেষ্টিত ও অবরুদ্ধ। রামচন্দ্র ও তার বানর সৈন্য লঙ্কা নগরীকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। রাবণের অনুজ বিভীষণ শত্রুসেনাদের সাথে যোগ দিয়ে রাবণের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। চারিদিকে অবিশ্বাস, প্রতারণা ও বিপর্যয়ের হাতছানি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বীর পুত্রদের মৃত্যুর খবর আসে তাঁর কানে । বিষন্ন ও দ্রোহক্ষুব্ধ রাবণ শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য যুদ্ধসাজ নিয়ে রণক্ষেত্রে অগ্রসর হয়। দেশের জন্য এ সংগ্রাম প্রকৃত বীরত্বের মহিমায় উজ্জ্বল।উদ্দীপকের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে তা মূল্যায়ন করো।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের কারণ-তাঁর অদূরদর্শিতাআপনজনের বিশ্বাসঘাতকতাভাগ্যের বিপর্যয়নিচের কোনটি সঠিক?
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকেবারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্কা গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দন্ত প্রতাপ।'আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুরবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।'বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়।' উদ্দীপকের এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- মহাকবি বাল্মীকির 'রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির প্রতিভূ। রামায়ন্ত্রে কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মেঘনাদ' চরিত্রটি তাঁর এক অসাধারণ সৃষ্টি। সীমাহীন দেশপ্রেম ও অসাধারণ বীরত্ব সত্ত্বেও গৃহশত্রু বিভীষণের কারণে তাকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়। মেঘনাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে রাম-রাবণ যুদ্ধে বিজয় সূচিত হয় আর্যশক্তির।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।' ব্যাখ্যা কর।
- নকল দলিল দেখিয়ে কাকে ঠকানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল?
- নবাবের সৈন্যরা ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করলেকে মেয়েদের নৌকায় করে পালিয়ে গিয়েছিল?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়'- ব্যাখ্যা করো ।
- মোহনলালের তথ্য মতে, নবাব সিরাজউদ্দৌলার সৈন্য সংখ্যা কত?
- জামালপুর জেলায় মেলান্দহ উপজেলার একটি নদী কাটাখালী। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা এলাকার ধানী জমিগুলোতে ইটভাটা বসিয়ে কৃষি- উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানার কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করে যাচ্ছে। এলাকায় পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়কর ও ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের কাছে এসবের প্রতিকার চায়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে ??লতে থাকলে অচিরেই এলাকায় মানবিক বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের অসাধু ব্যবসায়ী এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বেনিয়াদের চরিত্র এক ও অভিন্ন।" উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- 'ছৈলারচর' বিষখালী নদীর মোহনায় জেগে ওঠা চর। পলিতে উর্বর চরের ভূমি। এলাকার বৈলাম মল্লিক চরের ভূমি দখলের লোভ সামলাতে পারল না। কিন্তু এলাকার সমাজসেবক জমিদারের বিরুদ্ধে লড়বে কে? বৈলাম গোপনে সখ্য করেন জমিদারের দূর-সম্পর্কের জ্ঞাতি ভাই পিলু' সিকদারের সাথে। তার সহায়তায় বৈলাম মল্লিক এবং তার চাটুকার বাহিনী চর দখল করে। এখন বৈলামের নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়া ও নেতৃত্বের দাপট দেখানোর সময়। সে পিলু সিকদারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছাড়া ছৈলারচরের দায়িত্ব গ্রহণে অনীহা দেখায়। এভাবে নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চরটি জমিদারের নেতৃত্ব হারায়।উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের করুণ পরিণতির আংশিক ছায়াচিত্র।"- মতামত বিশ্লেষণ করো।
- জোহরা: আর একদিন কি দু'দিন। তার পরই ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো। আমার সঙ্গে ফিরে চলো।কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হব না সে হবে বিশ্বাসঘাতক। আমাদের সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটির প্রতি উদ্দীপকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? আলোচনা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাবের প্রধান গুপ্তচরের নাম কী?