'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময়-
A.
১৭৫৬ সাল, ১৭ জুন
B.
১৭৫৬ সাল, ১৯ জুন
C.
১৭৫৬ সাল, ২০ জুন
D.
১৭৫৬ সাল, ২১ জুন
সঠিক উত্তরঃ
B.
১৭৫৬ সাল, ১৯ জুন
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'রাজিব এতিম সুমনকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনে প্রতিপালন করে এবং প্রতিষ্ঠিত করে। সেই রাজীবকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে সুমন।'উদ্দীপকের সুমনের চরিত্রটি নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- “ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন— এ বড়লজ্জার কথা।”— উমিচাঁদের এ উক্তিতে প্রকাশপেয়েছে—
- নারান সিং-এর পরিচয় কী?
- রোমের একচ্ছত্র অধিপতি জুলিয়াস সিজার। তাঁর সিনেটরয়া ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এমনকি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাসও এই হীন চক্রান্তে যোগ - দেয়। সিনেটে নৃশংসভাবে নিহত হন সিজার। মৃত্যুকালে বন্ধু ব্রুটাসের হাতেও উদ্যত ছুরি দেখে - বিস্মিত সিজার বলে ওঠেন, 'ব্রুটাস, তুমিও!'উদ্দীপকের জুলিয়াস সিজার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- "আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভীড়"- উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- এ দেশের বাতাস, আমার প্রতিটি বিশুদ্ধ নিশ্বাসকেউ চাইলেই—আমার নিশ্বাসের বাতাসে বারুদের গন্ধ ছড়াতে পারে না।আমরা তা কিছুতেই দিতে পারি না...........উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন তাৎপর্যবহন করে?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে অঙ্ক সংখ্যা কত?
- 'ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব'। বুঝিয়ে লেখ।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম সংলাপটি কার?
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের 'এক জীবন্ত মুসলিম চরিত্র তোরাপ। এই তোরাপ সোচ্চার হয়েছে সামাজিক নানা অসংগতির বিরুদ্ধে, সমাজপতিদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিপক্ষে। একজন গরিব কৃষক হয়েও সে সত্যবাদী, সাহসী ও পরোকারী মানুষ। নবীন মাধবের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে সে প্রস্তুত। তাই নবীন মাধবের সব ধরনের সাহসী কাজে সে তার সঙ্গী হয়। ধর্ম- বর্ণের ভেদাভেদ তার দৃষ্টিতে ছিল না বলেই তোরাপ শেষ পর্যন্ত নবীন মাধবের সাথে ছিল। এমনকি নিরীহ কৃষকদের পাশে থেকে অত্যাচারী শোষক ইংরেজ নীলকরদেরও মোকাবিলা করে গেছে সে।'উদ্দীপক ও সিরাজউদ্দৌলা নাটক উভয় ক্ষেত্রেই অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে বিশ্বস্ত ও দুঃসাহসী যোদ্ধার প্রতিবাদী সংগ্রাম উজ্জ্বল হয়ে ফুটে উঠেছে।'- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী ছিল?
- 'স্বার্থপর ক্লডিয়াস রাণীর সাথে হাত মিলিয়ে রাজাহ্যামলেটকে হত্যা করে।' মিরজাফরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলো— ক্ষমতালোভী, পরশ্রীকাতর কূটকৌশলী, ব্যক্তিত্বশালীসুযোগসন্ধানী, ষড়যন্ত্রকারীনিচের কোনটি সঠিক?
- "ওর কাছে সব কিছুই যেন বড় রকেরম জুয়ো খেলা'- কার কাছে, কেন?
- নবাব মোহনলালের উপর ভরসা রেখেছিলেন কেন?
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটিবকত সালে প্রকাশিত হয়?
- ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদের জোয়ার লাগে,পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়'- এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- স্বাধীনতার যুদ্ধে গ্রামের এক বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলআহত কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা। টাকার লোভে বাড়ির মালিকতাদের পাকসেনাদের হাতে তুলে দেয়। সেই থেকে সেবজলু রাজাকার নামে সকলের ঘৃণার পাত্র হয়ে আছে।বজলু রাজাকার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়?
- 'নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই'— ক্লাইভের একথার অর্থ কী?
- সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকার দীর্ঘকাল ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে শাসনের নামে চালিয়েছে শোষণের স্টিমরোলার। এ সময় ভারতে স্বাধীনতার দাবিতে দানা বেঁধে ওঠে স্বদেশি আন্দোলন। ভারতবর্ষ জুড়ে তীব্র আন্দোলনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কেঁপে ওঠে। ফলে এ আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য সাম্রাজ্যবাদী সরকার ভারতের অগণিত তরুণ-যুবাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলায়। মৃত্যু অবধারিত জেনেও মুক্ত স্বদেশের স্বপ্নে বিভোর আন্দোলনকারীরা পিছপা হননি। স্বদেশিদের দুর্বার এ সংগ্রামে তেত্রিশ কোটি ভারতবাসীর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন।"সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য দেশপ্রেম, যা উদ্দীপকে বিদ্যমান?”- তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।