সিরাজউদ্দৌলা নাটকে 'দি ব্রেভেস্ট সোলজার' আখ্যা দেওয়া হয়েছে-
A. নারান সিংকে
B. সাঁফ্রেকে
C. বদ্রিআলিকে
D. মিরমর্দানকে
সঠিক উত্তরঃ
D.
মিরমর্দানকে
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে সির???জ।'-উক্তি?
- ‘দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড় ।’- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে এই উক্তি কার?
- মুকিম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ময়লার ভাগাড়ের পাশে আট মাস বয়সী এক শিশুর কান্না শুনতে পান। পরম যত্নে বুকে তুলে নেন এবং নাম দেন আজমল। সে প্রায় ত্রিশ বছর আগের ঘটনা। তখন থেকেই তিনি আজমলকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করে তোলেন। নীচু মানসিকতার আজমল ছিল অত্যন্ত লোভী। সে সুযোগ খোঁজে আশ্রয়দাতার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করার। একদিন অস্ত্রের মুখে মুকিম সাহেবকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দিতে বাধ্য করে এবং স্বহস্তে আশ্রয়দাতাকে হত্যা করে আজমল।"উদ্দীপকের মুকিম সাহেব এবং নবাব সিরাজের করুণ পরিণতি একই সূত্রে গ্রথিত।" উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- কার উক্তি?
- 'তুমিও আমাকে বিচার করতে বসলে?'- কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে? সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
- 'আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু।'- উক্তিটি কার?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশি-বিদেশি চক্রান্তে একদলবিপথগামী সেনাসদস্যের সহায়তায় জাতির জনকবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে ক্ষমতা দখলকরে খন্দকার মোশতাক।উদ্দীপকের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুররহমান-এর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের মিল রয়েছে?
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্যাপিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের অসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।'উদ্দীপকের প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রেক্ষাপটে কতটুকু সাদৃশ্য বহন করে?' আলোচনা করো।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে রাজাকার ও আলবদররা গোপনে পাকিস্তানিবাহিনীকে সহায়তা করে এবং বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।তাদের সহায়তায় পাক হানাদার বাহিনী বাংলাদেশে বু??্ধিজীবী হত্যারনীল নকশা প্রণয়ন করে।উদ্দীপক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল বিষয়—
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের 'এক জীবন্ত মুসলিম চরিত্র তোরাপ। এই তোরাপ সোচ্চার হয়েছে সামাজিক নানা অসংগতির বিরুদ্ধে, সমাজপতিদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিপক্ষে। একজন গরিব কৃষক হয়েও সে সত্যবাদী, সাহসী ও পরোকারী মানুষ। নবীন মাধবের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে সে প্রস্তুত। তাই নবীন মাধবের সব ধরনের সাহসী কাজে সে তার সঙ্গী হয়। ধর্ম- বর্ণের ভেদাভেদ তার দৃষ্টিতে ছিল না বলেই তোরাপ শেষ পর্যন্ত নবীন মাধবের সাথে ছিল। এমনকি নিরীহ কৃষকদের পাশে থেকে অত্যাচারী শোষক ইংরেজ নীলকরদেরও মোকাবিলা করে গেছে সে।উদ্দীপকের তোরাপ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? কীভাবে?
- 'যার অন্তরে বয়ে যায় দেশপ্রেমকোন অসম্মান তাকে পারে না ছুঁতেশত কলঙ্ক রেখা দিলে টেনেকালের পৃষ্ঠা তাকে খাঁটি করে হেমেপ্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরেতিনি বেঁচে থাকেন অন্তরে।'পরিণতি বিচারে উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' 'নাটককে একই সূত্রে বাঁধা যায় কি? যুক্তি প্রদর্শন করো।
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ‘ইনি কি নবাব না ফকির’ কে, কাকে উদ্দেশ্য করে বলেছে?
- "সিরাজউদ্দৌলা" নাটকের দৃশ্য সংখ্যা কয়টি?
- সুজন মিয়া এতিম আলীকে আদর, ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করে হাটবাজারে পাঠান বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করার জন্য। প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে প্রায়ই বলেন, আলীকে এত বিশ্বাস না করতে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে সুজন মিয়া মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করলে আলী গোপনে তার সব খবর। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেয়।, পরবর্তীকালে রাজাকার আর পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সুজন মিয়াকে ধরিয়ে দেয়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময়কাল কত?
- ‘ভীরু প্রতারকের দল চিরকালী পালায়’- এটি কার সংলাপ?
- সুদূর লাহোর হইতে আমি বাংলাদেশে আসিয়াছি অর্থ উপার্জনের জন্য।' “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকে উক্তিটি কে করেছেন?
- কী থেকে নাটকের উদ্ভব?
- সিরাজের শ্বশুরের নাম কী?
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতীয় স্বার্থের বদলে নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অনেকেই পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা দেয়। এদের স্বাধীনতাকামী মানুষ ঘৃণা করে। এরা গাদ্দার বলে বিবেচিত হয়।উদ্দীপকের 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে-বিশ্বাসঘাতকতাদেশদ্রোহিতাঅপমানবিকতানিচের কোনটি সঠিক?
- নীলকর ইংরেজদের বাঙালি সহযোগী আমিন ইয়েস-নো-ভেরি গুড়জাতীয় ইংরেজি শিখে নিজেকে নীলকরদের সগোত্রীয় প্রমাণ করার জন্যনীলচাষিদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের উপায় বাতলে দেয়। নির্যাতনঅসহনীয় হয়ে উঠলে প্রতিশোধ ছাড়া উপায় থাকে না বাঙালি চাষিদের।উদ্দীপকের আমিন ও 'রেইনকোট' গল্পের ইসহাক মিয়ারসাদৃশ্য—ভাষা ব্যবহারে বিদেশি প্রীতিতে নির্যাতনে সহযোগিতায় নিচের কোনটি সঠিক?
- কেউ তো জানে না প্রাণের আকৃতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের কারণে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।"উদ্দীপকের তৃতীয় চরণ যেন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত দিকের উন্মোচক।”- মূল্যায়ন করো।
- পলাশীর যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
- লাল পলাশের ভস্মস্তূপে কিসের জ্বালাস্তব্ধ অধীর বজ্রগর্ভ মেঘের মতো?শিবির-সীমায় মনের ছায়ায় ইতস্ততছড়ায় সে তার কূট-মন্ত্রণা ঘৃণায় ঢালাদুই শতকের সেই একদিন মনে কি পড়ে?মিরজাফরের গুলির শিখায়, সমুদ্ধতনিভল তোমার দিনের সূর্য দিগন্তরেদূর গোধূলীর সেই একদিন মনে পড়েমনে কি পড়ে?উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল চেতনার যে মিল রয়েছে তা যুক্তিসহকারে উপস্থাপন করো।
- 'আমার অদৃষ্ট আর কল্যাণের মাঝখানে শুধু দেয়াল।'- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে উক্তিটি কার?
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- 'মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন সেনাপতি'- এখানে সেনাপতির নাম কী?
- বৃটিশ শাসকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভারতবাসী। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে এগিয়ে আসেন তার অনেক অনুসারী। এদেরই একজন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য দেশপ্রেম, যা উদ্দীপকে বিদ্যমান- তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
- 'বিসর্জন' নাটকে সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ার কারণে শোকার্ত ভিখারি অপর্ণা। সে রাজা গোবিন্দ মাণিক্যের কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারির দুঃখ রাজচিত্তকে আহত করে। রাজা রাজ্যে পশুবলি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন কিন্তু তাঁর এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজ-পুরোহিত রঘুপতি। তিনি রাজার অনুজ নক্ষত্র রায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান।"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিষয়বস্তুর আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"- তোমার মতামত দাও।
- বীথি ও সাথী দুই বোন। দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে বীথি যখন দেশে ফিরল তখন তার বাবার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পূর্বে বাবা তার সম্পত্তির কিছু অংশ সাথীকে দান করে যান। এই নিয়ে বীথি ভীষণ গোলযোগ সৃষ্টি করে। সে মনে করে বৃদ্ধ পিতাকে ভুলিয়ে সাথী সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে। সম্পত্তির জন্য সে ভয়ংকর হয়ে ওঠে এবং সাথীর কলেজপড়ুয়া ছেলের পেছনে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দেয়।'বীথি ও সাথীর দ্বন্দ্ব নিতান্তই পারিবারিক। পক্ষান্তরে ঘসেটি বেগম ও সিরাজের দ্বন্দ্ব অনেকটা রাজনৈতিক ।'- উক্তিটি যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- দওলত আমার কাছে 'ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েওবড়।' কার কাছে?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রনির্ভর নাটক রচনা করেন কে?
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মোট কয়টি দৃশ্য রয়েছে?
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?
- মহাকবি বাল্মীকির 'রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির প্রতিভূ। রামায়ন্ত্রে কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মেঘনাদ' চরিত্রটি তাঁর এক অসাধারণ সৃষ্টি। সীমাহীন দেশপ্রেম ও অসাধারণ বীরত্ব সত্ত্বেও গৃহশত্রু বিভীষণের কারণে তাকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়। মেঘনাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে রাম-রাবণ যুদ্ধে বিজয় সূচিত হয় আর্যশক্তির।"উদ্দীপকের মেঘনাদ এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ চরিত্র দেশপ্রেমের এক অনুপম প্রতীক।"- বিশ্লেষণ করো।
- ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদের জোয়ার লাগে,পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়'- এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্যাপিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের অসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ চরিত্রের করুণ পরিণতি আলোচনা করো।
- 'শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়'- ব্যাখ্যা করো।
- দিল্লির সুলতান ইলতুৎমিশ তাঁর কন্যা রাজিয়া সুলতানাকে প্রাণাধিক ভালোবাসতেন। কোনো প্রয়োজনে যখন সুলতান ইলতুৎমিশকে রাজধানী ছাড়তে হতো, তিনি তখন তার কন্যা দক্ষ সেনাপতি ও প্রশাসক রাজিয়াকে শাসনভার বুঝিয়ে দিয়ে যেতেন। পুত্র বর্তমান থাকা সত্ত্বেও সুলতান তার কন্যা রাজিয়াকে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত করেন। এতে রাজিয়ার ভাইয়েরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বহিরাগত শত্রুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজিয়াকে হত্যা করে।'সুলতানা রাজিয়া ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরিণাম একসূত্রে গাঁথা।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।' ব্যাখ্যা কর।