উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?
A.
মাদ্রাজ
B.
লাহোর
C.
কলকাতা
D.
পাঞ্জাব
সঠিক উত্তরঃ
B.
লাহোর
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম সংলাপটি কার?
- 'বিসর্জন' নাটকে সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ার কারণে শোকার্ত ভিখারি অপর্ণা। সে রাজা গোবিন্দ মাণিক্যের কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারির দুঃখ রাজচিত্তকে আহত করে। রাজা রাজ্যে পশুবলি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন কিন্তু তাঁর এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজ-পুরোহিত রঘুপতি। তিনি রাজার অনুজ নক্ষত্র রায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান।উদ্দীপকের নক্ষত্র রায়ের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমের সাদৃশ্য দেখাও।
- উমিচাঁদকে এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক বলা হয় কেন?
- "বাপের খেদানো মায়ে তাড়ানো" - কথটি সিরাজুদ্দোলা নাটকের কোন চরিত্র সম্পকে প্রযোজ্য ?
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।"উদ্দীপকের দ্বিতীয় লাইনটি যেন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমকে ইঙ্গিত করছে"- মন্তব্যটি বুঝিয়ে লেখো।
- অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে স্বৈরাচারী পাকিস্তান শাসকের বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই করেছেন। ১৯৫২, ১৯৬৯ এবং শেষ পর্যন্ত উনিশ শত একাত্তর সনে এসে তাঁরই নেতৃত্বে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রের জন্ম হয়। কিন্তু পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রকারী দালালরা থেমে থাকেনি। তাঁর উদারতার সুযোগে তারা এদেশে আবার শিকড় গেড়ে বসে। শুরু হয় নতুন ষড়যন্ত্র। তারই চরম পরিণতি হয় ১৯৭৫ সালের পনেরই আগস্ট।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং নাটকের সিরাজউদ্দৌলা উভয়ে আপনজনের ষড়যন্ত্রের শিকার হলেও উদ্দীপকের সাথে নাটকের বৈসাদৃশ্য রয়েছে আলোচনা কর।
- কোন নদীর তীরে পলাশী অবস্থিত?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কয়টি অঙ্ক রয়েছে?
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- দেশের স্বার্থের জন্য নিজেদের স্বার্থ তুচ্ছ করে আমরা নবাবের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকব।'- এ উক্তিটি কে করেছিল?
- 'ক্লাইভের গাধা' কে?
- 'ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব'। বুঝিয়ে লেখ।
- আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে। এই উক্তির তাৎপর্য কী?
- কী থেকে নাটকের উদ্ভব?
- “ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।'— উমিচাঁদের এই উক্তিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- জোহরা: আর একদিন কি দু'দিন। তার পরই ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো। আমার সঙ্গে ফিরে চলো।কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হব না সে হবে বিশ্বাসঘাতক। আমাদের সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটির প্রতি উদ্দীপকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? আলোচনা করো।
- রফিক সাহেব নাম-পরিচয়হীন এক অনাথ বালককে আশ্রয় দিয়েছিলেন বিশ বছর আগে। নাম রেখেছিলেন সজল। অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আদর-যত্নে রফিক সাহেবের সন্তান হিসেবেই সে বড়ো হয়। কিন্তু, ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধের সৌরভ তার মধ্যে সৃষ্টি হয়নি। মনের দিক থেকে সে এতই কদর্য ও সংকীর্ণ যে, রফিক সাহেবের বিশাল সম্পত্তির মালিক হয়ে যেতে চায় সে। এলাকায় রফিক সাহেবের যশ-খ্যাতি ও সুনামের যারা প্রতিপক্ষ, তাদের দ্বারা সজল প্রতিনিয়ত প্ররোচিত হয়। সে তার আশ্রয়দাতার সম্পত্তি হস্তগত করার জন্য সুযোগ খোঁজে। একদিন সে অস্ত্রের মুখে সমস্ত সম্পত্তি তার নামে লিখে দিতে রফিক সাহেবকে বাধ্য করে এবং পরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।"উদ্দীপকের রফিক সাহেব ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের পরিণতি এক হলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন।"- আলোচনা করো।
- 'আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু।'- উক্তিটি কার?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপটি কার?
- ক্লাইভের গাধা বলা হয় কাকে?
- ‘পরোক্ষ তার নামে দেশ শাসন করবেন রাজবল্লভ।’-সিরাজকে হটানোর এই চক্রান্তসূত্রের সঙ্গে মিল রয়েছে যে বাগধারার-
- রোমের একচ্ছত্র অধিপতি জুলিয়াস সিজার। তাঁর সিনেটরয়া ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এমনকি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাসও এই হীন চক্রান্তে যোগ - দেয়। সিনেটে নৃশংসভাবে নিহত হন সিজার। মৃত্যুকালে বন্ধু ব্রুটাসের হাতেও উদ্যত ছুরি দেখে - বিস্ম??ত সিজার বলে ওঠেন, 'ব্রুটাস, তুমিও!''ব্রুটাসেরা কেবল রোমেই নয়, এ বাংলাতেও বিচরণ করেছে।'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে উক্তিটির মূল্যায়ন করো।
- "সিরাজউদ্দৌলা" নাটকের দৃশ্য সংখ্যা কয়টি?
- 'রজার ড্রেক প্রাণভয়ে কুকুরের মতো ল্যাজ গুটিয়ে পালিয়েছে'- ব্যাখ্যা করো।
- ১৭৫৭ সালের কোন তারিখে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিতহয়?
- সিরাজের শ্বশুরের নাম কী?
- ব্যাংক ম্যানেজার মনোয়ার হোসেন অত্যন্ত সরলমনা ও উদার প্রকৃতির মানুষ। ব্যাংকের প্রতিটি কর্মচারীকে তিনি অগাধ বিশ্বাস করেন। তাঁর মামার অনুরোধে মাকসুদ হাসান নামের এক ব্যক্তিকে তিনি ক্যাশিয়ার পদে নিয়োগ দেন এবং সিন্দুকের চাবি হস্তান্তর করেন। একদিন রাতের অন্ধকারে নৈশ প্রহরীর সহায়তায় মাকসুদ হাসান ব্যাংকের সকল অর্থসম্পদ আত্মসাত করে আত্মগোপন করেন।নবাব সিরাজউদ্দৌলার অদূরদর্শিতাসমূহ উদ্দীপকের ব্যাংক ম্যানেজারের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- নীলকর ইংরেজদের বাঙালি সহযোগী আমিন ইয়েস-নো-ভেরি গুড়জাতীয় ইংরেজি শিখে নিজেকে নীলকরদের সগোত্রীয় প্রমাণ করার জন্যনীলচাষিদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের উপায় বাতলে দেয়। নির্যাতনঅসহনীয় হয়ে উঠলে প্রতিশোধ ছাড়া উপায় থাকে না বাঙালি চাষিদের।উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পে যুগপৎ প্রকাশিত হয়েছে—
- কোথায় যেতে পারলে আবার প্রতিরোধ গড়ে তোলা যাবে বলে নবাব প্রত্যয় ব্যক্ত কর??ন?
- 'অর্থাৎ ঘুষ খেয়ে খেয়ে ঘুষ কথাটার অর্থই বদলে গেছেআপনার কাছে।'— 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সংলাপটি কার?
- এ দেশে থেকে এ দেশকে ভালোবেসেছি'- সংলাপটি কার?
- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাশাসক, রাজনীতিবিদ ও কতিপয় বিপথগামী দোসররা জনসাধারণের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায় ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এ দেশের আপামর জনতা দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে ।উদ্দীপকে শেষ বাক্যের বিষয়বস্তু সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের নিচের কোন বাক্যে প্রতিফলিত হয়েছে?
- ''সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে লুৎফুন্নেসা কার কন্যা?
- প্রাচীন গ্রিস প্রজাতন্ত্রী নগররাষ্ট্র ছিল। 'জুলিয়াস সিজার একজন সফল সেনাপ্রধান ছিলেন। কালক্রমে জুলিয়াস সিজার একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তাঁর এ নীতির সমর্থন দেন তাঁর স্নেহভাজন ব্রুটাস। পরবর্তীতে সিনেটররা রাষ্ট্রের কল্যাণার্থে সিজারকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেন। ব্রুটাস তখন ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে যোগ দেন। নিরস্ত্র সিজারকে সিনেটররা একের পর এক ছুরিকাঘাত করতে থাকে। যখন তাঁর প্রিয় ব্রুটাস তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন তখন সিজার হতবাক হয়ে বলে, Et tu, Brue অর্থ: ও ব্রুটাস তুমিও?'যুগে যুগে কালে কালে ব্রুটাসরা আছেন, থাকবেন'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি যাচাই করো।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসায় জাতীয়- আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। যারা এ হীন কাজে জড়িত ছিল তাদের সবাই বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সেনাবাহিনীর বিপথগামী সদস্য। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতে পারেননি যে তাঁকে কেউ মারতে পারে। উদ্দীপকের বিপথগামী সেনাসদস্যদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?
- গঙ্গাজল ছুঁয়ে ঈশ্বরের নামে শপথ করেছিল কে?
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্যাপিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের অসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।'উদ্দীপকের প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রেক্ষাপটে কতটুকু সাদৃশ্য বহন করে?' আলোচনা করো।
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।'- উক্তিটি কার?
- "আমি আল্লাহর পাক কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করছি, আজীবন নবাবের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকব।" উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকেবারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্কা গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দন্ত প্রতাপ।'আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুরবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।'বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়।' উদ্দীপকের এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।