সিরাজ তাঁর চারপাশে 'দেয়াল' বলেছেন কোনটিকে?
A. অধীনদের ষড়যন্ত্রকে
B. ইংরেজদের সহযোগিতাকে
C. স্বপ্ন দেখার আকাঙ্ক্ষাকে
D. আত্মীয়দের বিশ্বাসঘাতকতাকে
সঠিক উত্তরঃ
D.
আত্মীয়দের বিশ্বাসঘাতকতাকে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশজুড়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন, নির্যাতনের মধ্যদিয়ে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই বাংলাদেশ নিয়ে নিউইয়র্কে ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয় অবিস্মরণীয় সংগীত সন্ধ্যা। উদ্যোক্তা ও শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জর্জ হ্যারিসন ও পণ্ডিত রবিশঙ্কর। 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' নামক এই অনুষ্ঠান থেকে সংগৃহীত বিপুল অর্থ বাংলাদেশের জন্য ইউনিসেফের শিশু সাহায্য তহবিলে তাঁরা দান করেন।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে কতটুকু যোগসূত্র স্থাপন করেছে?
- স্বার্থপর ক্লডিয়াস রানির সাথে হাত মিলিয়ে রাজা হ্যামলেটকে হত্যা করে।উদ্দীপকটি নিচের কোন চরিত্রের সাথে অধিকতর সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'স্বার্থপর ক্লডিয়াস রাণীর সাথে হাত মিলিয়ে রাজাহ্যামলেটকে হত্যা করে।'উদ্দীপকের রাজা 'হ্যামলেট' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেকোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।'নবাব সিরাজউদ্দৌলার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ একই প্রেরণা থেকে উৎসারিত।'- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- কোনটি ঐতিহাসিক নাটক?
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'- উক্তিটির সপ্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করো।
- মোদাচ্ছের পীরের মাজারকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘুমন্ত বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অন্যায়ভাবে ব্যাপক হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ চালায় বাংলাদেশে। আলবদর, আলশামস বাহিনীর মাধ্যমে পাকিস্তানিরা এ দেশে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। দীর্ঘ নয় মাসে তারা ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করে। কিন্তু সাহসী বাঙালি প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানিদের কোণঠাসা করে মুক্তির বিজয় ছিনিয়ে আনে।উদ্দীপকে সাহসী বাঙালির প্রবল প্রতিরোধের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কীভাবে বর্ণিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।উদ্দীপকের পিনোচেটের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- মিরজাফরের গুপ্তচর কে?
- কেউ তো জানে না প্রাণের আকৃতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের কারণে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।"উদ্দীপকের তৃতীয় চরণ যেন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত দিকের উন্মোচক।”- মূল্যায়ন করো।
- জামালপুর জেলায় মেলান্দহ উপজেলার একটি নদী কাটাখালী। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা এলাকার ধানী জমিগুলোতে ইটভাটা বসিয়ে কৃষি- উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানার কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করে যাচ্ছে। এলাকায় পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়কর ও ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের কাছে এসবের প্রতিকার চায়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে ??লতে থাকলে অচিরেই এলাকায় মানবিক বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের অসাধু ব্যবসায়ী এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বেনিয়াদের চরিত্র এক ও অভিন্ন।" উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- মোহনলাল কে?
- রফিক স্পষ্টভাবেই তার চাওয়াটা সকলকে জানিয়ে দিয়ে গেছে। সে সহ-সভাপতির পদ চায়। এও বলেছে যে, যদি সোহেলদের দল জিতবে নিশ্চয়তা থাকে তাহলেই কেবল রফিক তাদের দলে আসবে, পরাজয়ের আশঙ্কা থাকলে সে তার বর্তমান দল ত্যাগ করবে না। উদ্দীপকের রফিক চরিত্রটি 'সিরাজউদ্???ৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিরূপ?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময়-
- 'ভিক্টরি অর ডেথ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে হানাদার বাহিনীর লোকেরা এদেশের ঘুমন্ত মানুষের উপর গুলি চালায় আর সেই রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ফলে এদেশের হাজার হাজার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশমাতাকে রক্ষা করতে। কিন্তু কিছু লোক ছিল যারা পাকিস্তানের দালালে পরিণত হয়ে রাজাকার, আলবদর নাম ধারণ করে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল। রমজাম এদের মধ্যে অন্যতম। রমজান ও তার সহযোগীরা ১৪ ডিসেম্বর দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের দেখিয়ে দিয়েছিল, আর পাকিস্তানিরা তাদের মূল্যবান জীবন কেড়ে নিয়েছিল। তবুও মুক্তিযোদ্ধারা সকল বাধা অতিক্রম করে ছিনিয়ে এনেছেন আমাদের স্বাধীনতা। প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে কখনো কুণ্ঠাবোধ করেন না।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক মিল রয়েছে- বিশ্লেষণ কর।
- ধণাঢ্য ব্যাসায়ী ফিরোজ আহমেদ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। শুধু তা-ই নয় প্রাণ হারানোর ভয়ে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের দিয়ে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ফিরোজ আহমেদের স্ত্রী সায়মা স্বামীর এই দুরবস্থার কারণে সব সময় সঙ্গে সঙ্গে থাকেন। শোকে যন্ত্রণায় কাতর ফিরোজ বছর দুই পরেই মৃত্যুবরণ করে। স্বামীর মৃত্যুর পরে সায়মা তার স্মৃতি নিয়ে একাকী জীবন কাটান। ফিরোজ আহমেদর চাচাতো ভাই ফরিদ সায়মাকে বিয়ে করার অনেক চেষ্টা করেও বিফল হয়।উদ্দীপকের সায়মা, সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে তা আলোচনা করো।
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্যাপিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের অসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।'উদ্দীপকের প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রেক্ষাপটে কতটুকু সাদৃশ্য বহন করে?' আলোচনা করো।
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজউদ্দৌলার উপস্থিতিআছে কয়টি দৃশ্যে?