'তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে সিরাজ।' কে, কাকে এবং কেন এ উক্তিটি করেছেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তার নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাক বাহিনীর হাতে।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'-সংলাপটি বুঝিয়ে লেখো।
- দুর্গম গিরি কান্তার মরু, দুস্তর পারাপারলঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার!দুলিতেছে তরি, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ,ছিড়িয়াছে পাল, কে ধরিয়ে হাল, আছে কার হিম্মৎ?কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ।এ তুফান ভারি, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরি পার।উদ্দীপকের যাত্রীরা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাদের প্রতিরূপ? বিশ্লেষণ করো।
- 'বিপদ আসন্ন দেখে কাপুরুষেয় মতো হাল ছেড়ে দিও না।' কার সংলাপ?
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মঞ্জু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বেদনাবহ পরিণতির খন্ড চিত্র।"- আলোচনা কর।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি কতটি অঙ্ক ও দৃশ্যে রচিত হয়?
- ওই দেখো, ওই যেন চিত্রিত প্রাচীরওই তব সৈন্যগণদাঁড়াইয়া অকারণ,গণিতেছে লহরী কি রণ-পয়োধির?দেখিছ না সর্বনাশ সম্মুখে তোমার?যায় বঙ্গ-সিংহাসনযায় স্বাধীনতা-ধনযেতেছে ভাসিয়া সব, কি দেখিছ আর।'নিজ সেনাদের নির্লিপ্ততাই নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের অন্যতম কারণ।' উদ্দীপক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- দশ গ্রামের মাতব্বর আশরাদ চৌধুরী নিঃসন্তান না হলেও কোনো পুত্রসন্তান নেই। বিত্তশালী চৌধুরী সাহেব তাই সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী করেন ভাইপো সজলকে। এতে ক্ষিপ্ত হয় তার অন্যান্য ওয়ারিশরা। চৌধুরী সাহেব সকলকে বোঝাতে পারলেও জামাতা আসমত সাহেবকে কোনোভাবে বোঝাতে পারেনি। তিনি শ্বশুরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।"উদ্দীপকটিতে চক্রান্তের আভাস থাকলেও তা সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সমগ্র ভাবধারাকে ধারণ করতে পারেনি।" এ বিষয়ে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালনকরেন। শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবেরবিরোধ বাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।উদ্দীপকের হাবিবের মধ্যে সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রের সাদৃশ্য মেলে?
- হোসেন মিয়া বিশাল সম্পত্তির অধিকারী। তার চার ছেলে সবাই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য কৌশলী, মনোভাবের অধিকারী। হোসেন মিয়া সবকিছু বুঝতে পারলেও সন্তান হিসেবে তাদেরকে বারবার ক্ষমা করে দেন। তার এই অপরিসীম কোমল মনোভাবের কারণে একসময় ছেলেরা গোপনে পুরো সম্পত্তি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয় এবং শেষ পরিণতিতে হোসেন মিয়া রাস্তায় নেমে আসেন। "উদ্দীপকের হোসেন মিয়ার অপরিসীম মহানুভবতা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।" মন্তব্যটি যথার্থতা বিচার করো।
- মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর 'পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরোহণের পরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সাথে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তাঁর অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও শক্ত, হাতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।উদ্দীপকের হুমায়ুনের সিংহাসনে আরোহণ এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার সিংহাসনে আরোহণের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর কে?
- মিরজাফর নবাব হওয়ার পর ক্লাইভ কোন এলাকারস্থায়ী মালিকানা পায়?
- স্বার্থের কারণে তমাল সাহেবের জীবনের চরম বিপর্যয়ের সময়স্ত্রী-পুত্র-কন্যা দূরে সরে গেল, অথচ বিশ্বস্ত ভৃত্য আনোয়ারজীবন দিয়ে হলেও তমাল সাহেবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারশপথ নেয়।উদ্দীপকের আনোয়ার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের অনুরূপ ?
- 'রাইসুল জুহালা' আসলে কোন ব্যক্তি?
- সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- 'সিরাজের পতন কে না চায়' সংলাপটি কার?
- ঘসেটি বেগম কোন প্রাসাদে থাকতেন?
- মনসুর, অপু, তাহেরসহ মোট বারোজন মিলে নিজেদেরউন্নতির জন্য একটি সমিতি গঠনে করে। সবাই প্রতি মাসেপাঁচশ টাকা করে তাহেরের কাছে জমা রাখে। কিছুদিন পরতাহের সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- " এখন থেকে কারও শান্তিতে আর কোনো রকম বিঘ্ন ঘটবে না।"- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে যিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত কর???ছেন -