নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- জবেদা খাতুনের খুব কাছের লোক ছিল মোখলেছার রহমান। জবেদা খাতুন বিশ্বাস করে তার জমিজমা দেখাশোনার ভার দেন মোখলেছার রহমানকে। কিন্তু একদিন জবেদা খাতুন দেখেন তার সম্পত্তি মোখলেছার রহমানের নামে হয়ে আছে। তিনি ভাবলেন-এতদিন ভুল মানুষকে বিশ্বাস করেছেন। বিশ্বাস করা ভালো কিন্তু অন্ধবিশ্বাস কখনো কখনো মানুষকে পথে বসিয়ে দেয়।'বিশ্বাস করা ভালো কিন্তু অন্ধবিশ্বাস মানুষকে কখনো কখনো পথে বসিয়ে দেয়'- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'ফিরে এসেছি রাজধানীতে স্বাধীনতা বজায় রাখবার শেষ চেষ্টা করব বলে।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম সংলাপ কার?
- সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তার নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাক বাহিনীর হাতে।নিকটজনের দ্বারা বিপর্যয়ের শিকার রফিক উদ্দিন ও সিরাজউদ্দৌলা।'- মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কী ধরণের রচনা?
- মাস্টারদা সূর্যসেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। এ দেশের গণমানুষকে জাগিয়ে তুলতে নানাভাবে চেষ্টা করেন। তারই নির্দেশে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে আক্রমণ সফল হওয়ার পর ব্রিটিশ শাসকের টনক নড়ে। তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ইংরেজরা দশ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। অর্থের লোভে জনৈক ব্যক্তি তাঁর অবস্থান জানিয়ে দিলে তিনি ধরা পড়েন। অতঃপর তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।'প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের সূর্যসেন এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলা একই পরিণতির শিকার হয়েছেন।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- হোসেন মিয়া বিশাল সম্পত্তির অধিকারী। তার চার ছেলে সবাই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য কৌশলী, মনোভাবের অধিকারী। হোসেন মিয়া সবকিছু বুঝতে পারলেও সন্তান হিসেবে তাদেরকে বারবার ক্ষমা করে দেন। তার এই অপরিসীম কোমল মনোভাবের কারণে একসময় ছেলেরা গোপনে পুরো সম্পত্তি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয় এবং শেষ পরিণতিতে হোসেন মিয়া রাস্তায় নেমে আসেন। "উদ্দীপকের হোসেন মিয়ার অপরিসীম মহানুভবতা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।" মন্তব্যটি যথার্থতা বিচার করো।
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।'- উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- সিরাজউদ্দৌলা' চলচ্চিত্রে সিরাজউদ্দৌলার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন কে
- সিকান্দার আবু জাফরের জন্মগ্রাম কোনটি?
- একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশজুড়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন, নির্যাতনের মধ্যদিয়ে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই বাংলাদেশ নিয়ে নিউইয়র্কে ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয় অবিস্মরণীয় সংগীত সন্ধ্যা। উদ্যোক্তা ও শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জর্জ হ্যারিসন ও পণ্ডিত রবিশঙ্কর। 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' নামক এই অনুষ্ঠান থেকে সংগৃহীত বিপুল অর্থ বাংলাদেশের জন্য ইউনিসেফের শিশু সাহায্য তহবিলে তাঁরা দান করেন।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে কতটুকু যোগসূত্র স্থাপন করেছে?
- ইতিহাসের একজন সামন্ত নবাব হয়েও সিরাজুদ্দৌলা নাটকে সিরাজ চরিত্রটি হয়ে উঠেছে-
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী ছিল?
- কে আল্লাহর কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করেছিল?
- ১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি মাত্র ১৭/১৮ জন সৈন্য নিয়ে নদীয়ার শাসক লক্ষ্মণ সেনের রাজ্য আক্রমণ করেন। বখতিয়ার খিলজির শৃঙ্খলিত ও বিশ্বস্ত সেনবাহিনীর কাছে অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষ্মণ সেনের সেনাবাহিনী যুদ্ধ না করে জীবন বাঁচাতে পলায়ন করে। সেই সাথে লক্ষ্মণ সেনও সেদিন পলায়ন করেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বখতিয়ার খিলজি বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন। আসলে সেদিন সেখানে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।উদ্দীপকের প্রতিফলিত দিকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা কর।
- 'নট্' ধাতুর অর্থ কী?
- ব্রিটিশ সিংহ লেজ গুটিয়ে নিলেন এ বড় লজ্জার কথা'- ব্যাখ্যা করো।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান'। পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা, সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট সাজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটির শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট সাজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'সাজাহান'।
- 'আপনারা সব পারেন'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলাকে কে হত্যা করেন?
- মনসুর, অপু, তাহেরসহ মোট বারোজন মিলে নিজেদেরউন্নতির জন্য একটি সমিতি গঠনে করে। সবাই প্রতি মাসেপাঁচশ টাকা করে তাহেরের কাছে জমা রাখে। কিছুদিন পরতাহের সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- সিরাজউদ্দৌলা কার দৌহিত্র ছিলেন?
- ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদের জোয়ার লাগে,পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়'- এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- মহাকবি বাল্মীকির 'রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির প্রতিভূ। রামায়ন্ত্রে কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মেঘনাদ' চরিত্রটি তাঁর এক অসাধারণ সৃষ্টি। সীমাহীন দেশপ্রেম ও অসাধারণ বীরত্ব সত্ত্বেও গৃহশত্রু বিভীষণের কারণে তাকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়। মেঘনাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে রাম-রাবণ যুদ্ধে বিজয় সূচিত হয় আর্যশক্তির।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- ‘দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড় ।’- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে এই উক্তি কার?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য অনুসারে রাম-রাবণের যুদ্ধে বিভীষণ স্বপক্ষ-ত্যাগী বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী, অকৃতজ্ঞ ও স্বজনবিমুখ হিসেবে চিহ্নিত। অপরদিকে বীরবাহু, কুম্ভকর্ণ ও মেঘনাদ দেশপ্রেমিক। নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁরা জীবন উৎসর্গকারী। যদিও বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মেঘনাদ যুদ্ধ করার সুযোগ পায়নি। আজও বাঙালি সমাজে প্রবাদ হয়ে আছে-'ঘরের শত্রু বিভীষণ'।"উদ্দীপকের মেঘনাদ ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় যুদ্ধ ক্ষেত্রে নয়, ষড়যন্ত্রের কাছে।"-উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে এ উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।'- উক্তিটি কার।
- তুমিও আমার বিচার করতে বসলে? ব্যাখ্যা কর।
- 'সিরাজউদ্দৌলা এখন কয়েদি, ওয়ার ক্রিমিনাল'- উক্তিটি কার?
- মাত্র সতেরো জন সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খলজি সুদূর তুরস্ক থেকে এসে বাংলার সিংহাসন দখল করে নিয়েছিল। সামান্য কয়জন ছদ্মবেশী বণিক যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদে?? 'অসামান্য সাহস, শৃঙ্খলা ও চাতুর্য দিয়ে। পক্ষান্তরে লক্ষ্মণ সেনের রাজপ্রাসাদ ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় পরিপূর্ণ ও অরক্ষিত। তার বিশাল বাহিনী যুদ্ধ না করে পালিয়ে গেল। লক্ষ্মণ-সেনও রাজ্য ত্যাগ করতে বাধ্য হলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের তিক্ত অভিজ্ঞতা।উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘটনা কোন কোন ক্ষেত্রে তুলনীয়?
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- কার উক্তি?
- পলাশীর যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- পাকিস্তানি শাসকবর্গ দীর্ঘ চব্বিশ বছর বাঙালিদের উপর শাসন, শোষণ, অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে ও দেশ স্বাধীন করেছে। দেশের মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধু বহুবার জেল খেটেছেন। ১৯৭৫ সালে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করে দেশপ্রেমিক এ মহান নেতাকে হত্যা করে।উদ্দীপকের স্বার্থান্বেষী মহলের ভূমিকা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- "ইনি কি নবাব, না ফকির?"- মীরজাফর সম্পর্কে ক্লাইভের এ উক্তির কারণ কী?
- শোনা যায়, তিস্তাপাড়ে এখন আর ফসলি জমি নেই। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জমিতে মেশিন বসিয়ে উত্তোলন করে নিচ্ছে ভূগর্ভস্থ পাথর। এই অঞ্চলে ফসলের তুলনায় পাথরের মূল্য বেশি। দিনে দিনে মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকার সচেতন জনগোষ্ঠী দেশের স্বার্থে এতে বাধা দিলে তারা সাময়িকভাবে পাথর উত্তোলন-বদ্ধ রাখে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তিনটি মেশিন বসানোর অনুমতি নিয়ে বাস্তবে তিনশত মেশিন বসিয়ে আবার পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে যেমন ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, তেমনি নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ব্যবসায়ীদের তাতে কিছু যায়-আসে না, অধিক মুনাফা অর্জনই যেন তাদের লক্ষ্য। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো শোনা যাবে, মাটির নিচে তলিয়ে গেছে তিস্তাপাড়ের বিশাল জনপদ।উদ্দীপকের সচেতন জনগোষ্ঠী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? কীভাবে?
- রাস্তায় বসে ছোট্ট শিশু আমিনকে কাঁদতে দেখে তাকে বাড়িতে নিয়ে এলেন প্রফেসর মধুসূদন রায়। পরম মমতায়, সন্তান স্নেহে বড়ো করে তোলেন তাকে। শিক্ষা-দীক্ষা, ধন-সম্পদ কোনো কিছুরই অভাব রাখেননি তিনি। কিন্তু একদিন আমিনই ষড়যন্ত্র করে মধুসূদন বাবুর সমস্ত সম্পত্তি জোর করে দখল করে নিয়ে বাড়ি থেকে সস্ত্রীক মধুসূদন বাবুকে বের করে দিলো। সম্পদের প্রচণ্ড লোভের কাছে পরাজিত হন মধুসূদন বাবুর দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।উদ্দীপকের কোন দিকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- নবাবের সৈন্যরা ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করলেকে মেয়েদের নৌকায় করে পালিয়ে গিয়েছিল?