Archaeopteryx থেকে কোন শ্রেণির উৎপত্তি হয়েছে?
সঠিক উত্তরঃ
C.
Reptilia
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে: Reptilia।
ব্যাখ্যা:
Archaeopteryx একটি প্রাচীন পাখি-সদৃশ জীব যা সাধারণত ডাইনোসরদের সাথে সম্পর্কিত। এটি অনেক বৈশিষ্ট্য দ্বারা রেপটিলিয়ানদের সাথে মিল রয়েছে যেমন:
ব্যাখ্যা:
Archaeopteryx একটি প্রাচীন পাখি-সদৃশ জীব যা সাধারণত ডাইনোসরদের সাথে সম্পর্কিত। এটি অনেক বৈশিষ্ট্য দ্বারা রেপটিলিয়ানদের সাথে মিল রয়েছে যেমন:
- দেহের গঠন এবং স্কেল
- অঙ্গবিন্যাস
- মস্তিষ্কের গঠন
Option A Explanation:
- অর্থ: Osteichthyes (অস্টিয়িচথিস) হল এক ধরণের মাছ যেগুলি মূলত হাড়ের দ্বারা গঠিত স্কেলেটি নিয়ে গঠিত।
- বৈশিষ্ট্য: এই শ???রেণীর মাছগুলো সাধারণত শ্বাস নেয় জলে থাকা গ্যাসের মাধ্যমে, বিশেষ করে গ্যাসের গহ্বর বা স্বস্তি গ্যাসের মাধ্যমে।
- উদাহরণ: এই শ্রেণীর মাছের মধ্যে রয়েছে ক্যাটফিশ, প্যাকার, টেংরা, ও ইলিশ প্রভৃতি।
- অন্তর্ভুক্তি: Osteichthyes হল এক বৃহৎ শ্রেণী যা সমগ্র শারীরিক গঠন ও শ্বাসপ্রণালী ব্যবস্থা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরণের মাছের অন্তর্ভুক্ত।
Option B Explanation:
অ্যামফিবিয়ারী (Amphibia) শ্রেণীর প্রাণীদের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- প্রাকৃতিক জীবনচক্র: অ্যামফিবিয়ারা সাধারণত জলজ ও স্থলে জীবিত হয়। তাদের জীবনচক্রে লার্ভা পর্যায় জলজ এবং পরিণত হলে স্থলে চলে আসে।
- শরীরের গঠন: এদের শরীর সাধারণত আঠালো ও নমনীয়, সঙ্গে সূক্ষ্ম ত্বক থাকে যা জল শোষণে সহায়ক।
- প্রজনন: অধিকাংশ অ্যামফিবিয়ারীর প্রজনন জলজ পরিবেশে হয় এবং ডিম জলজ পরিবেশে দেয়।
- শ্বাসপ্রশ্বাস: তরুণ পর্যায়ে গ্যাস বিনিময় মূলত জলের মাধ্যমে হয়, আর পরিণত হলে ফুসফুসের মাধ্যমে শ্বাস নেয়।
- উদাহরণ: গ্রোউন, স্লথ, সালামান্দার প্রভৃতি।
Option C Explanation:
- Reptilia: এই শ্রেণীর প্রাণীদের মধ্যে ভেনাস হার্ট পাওয়া যায়।
- Reptilia এর অন্তর্ভুক্ত প্রাণীদের সাধারণত তিনটি হার্ট অঙ্গ থাকে: দুইটি অ্যাট্রিয়া এবং একটি ভেনাস হার্ট বা ভেনাস সংযোগের মাধ্যমে রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- উদাহরণস্বরূপ, সাপ, কচ্ছপ, অজগর ইত্যাদি প্রাণীদের মধ্যে এই ধরনের হার্ট দেখা যায়।
- ভেনাস হার্টের মাধ্যমে রক্তের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও রূপান্তর ঘটে, যা তাদের শারীরিক কার্যক্রমে সহায়ক।
Option D Explanation:
- Aves (পাখি):
- প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- উচ্চতর দেহ গঠন ও উড়ার জন্য উন্নত পাখনা ও ডানাগুলি রয়েছে।
- উচ্চতর শ্বাসপ্রশ্বাস ব্যবস্থা, যেমন ফুসফুস ও বায়ুবাহী অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।
- উন্নত দেহ কাঠামো, বিশেষ করে হাড়ের গঠন শক্তিশালী ও হালকা।
- অমেরুদণ্ডী, উচু মাথা ও চোখের দৃষ্টি শক্তি খুবই উন্নত।
- সাধারণত ডিম পাড়ে; ডিমের খোসা শক্ত ও বাহ্যিকভাবে রক্ষা পায়।
- উচ্চতর মনোযোগ ও সামাজিক আচরণ দেখা যায়।