পৃথিবীকে ছয়টি Avifanual Region এ ভাগ করেন -
SylaUজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনবিবর্তন বা অভিব্যক্তি (Topic Practice)SylaU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
Wallace
Explanation:

Another Explanation (5):
পৃথিবীর ছয়টি অ্যাভিফাউনাল অঞ্চল (Avifaunal Regions)
পাখিদের ভৌগোলিক বিস্তারের উপর ভিত্তি করে জীবভূগোলবিদ ফিলিপ স্ল্যাটার (Philip Sclater) ১৮৫৮ সালে পৃথিবীকে প্রথম ৬টি প্রধান অ্যাভিফাউনাল অঞ্চলে ভাগ করেন। পরবর্তীতে আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস এই শ্রেণীবিন্যাসকে আরও উন্নত করেন। তাই এই অঞ্চলগুলো "Wallace" কর্তৃক চিহ্নিত অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। নিচে এই অঞ্চলগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো:
অঞ্চলগুলোর তালিকা
- প্যালিআর্কটিক অঞ্চল (Palearctic Region) 🌍:
ইউরোপ, এশিয়া (ক্রান্তীয় অঞ্চল বাদে), উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্য এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বৈশিষ্ট্য: শীত প্রধান অঞ্চল। প্রচুর পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটে।
- উদাহরণ: চড়ুই, বুলফিন্চ, ঈগল।
- নিয়ার্কটিক অঞ্চল (Nearctic Region) 🦅:
উত্তর আমেরিকা (মেক্সিকো বাদে) এবং গ্রীনল্যান্ড এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বৈশিষ্ট্য: নাতিশীতোষ্ণ এবং শীত প্রধান জলবায়ু।
- উদাহরণ: কাঠঠোকরা, রবিন, ব্লু বার্ড।
- আফ্রোট্রপিক্যাল/ইথিওপিয়ান অঞ্চল (Afrotropical/Ethiopian Region) 🦁:
আফ্রিকা (সাহারা মরুভূমি সহ), মাদাগাস্কার এবং আরব উপদ্বীপের দক??ষিণাঞ্চল এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বৈশিষ্ট্য: উষ্ণ এবং আর্দ্র জলবায়ু। পাখির বৈচিত্র্য উল্লেখযোগ্য।
- উদাহরণ: উটপাখি, সেক্রেটারি বার্ড, হর্নবিল।
- ওরিয়েন্টাল/ইন্দোমালয় অঞ্চল (Oriental/Indomalayan Region) 🐅:
ভারত, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার কিছু অংশ এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বৈশিষ্ট্য: ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল বন বিদ্যমান। পাখির প্রাচুর্য দেখা যায়।
- উদাহরণ: ময়ূর, টিয়া, কাঠঠোকরা।
- অস্ট্রেলীয় অঞ্চল (Australian Region) 🐨:
অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, নিউ গিনি এবং পার্শ্ববর্তী দ্বীপসমূহ এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বৈশিষ্ট্য: বিভিন্ন প্রকার পাখি প্রজাতি বিদ্যমান, যার অনেকগুলোই শুধুমাত্র এই অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- উদাহরণ: ক্যাঙ্গারু, কুকাবুরা, ইমু।
- নিওট্রপিক্যাল অঞ্চল (Neotropical Region) 🦜:
দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা এবং মেক্সিকো এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বৈশিষ্ট্য: পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পাখির প্রজাতি এই অঞ্চলে দেখা যায়।
- উদাহরণ: ম্যাকাও, হামিংবার্ড, টু কান।
অঞ্চলগুলোর সংক্ষিপ্তসার ছকে
| অঞ্চল | ভূগোল | বৈশিষ্ট্য | উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| প্যালিআর্কটিক | ইউরোপ, এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা | শীত প্রধান, পরিযায়ী পাখি | চড়ুই, ঈগল |
| নিয়ার্কটিক | উত্তর আমেরিকা, গ্রীনল্যান্ড | নাতিশীতোষ্ণ, শীত প্রধান | কাঠঠোকরা, রবিন |
| আফ্রোট্রপিক্যাল | আফ্রিকা, মাদাগাস্কার | উষ্ণ, পাখির বৈচিত্র্য | উটপাখি, হর্নবিল |
| ওরিয়েন্টাল | ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া | ক্রান্তীয়, পাখির প্রাচুর্য | ময়ূর, টিয়া |
| অস্ট্রেলীয় | অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড | স্থানীয় প্রজাতি, বিশেষ পরিবেশ | কুকাবুরা, ইমু |
| নিওট্রপিক্যাল | দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা | সর্বাধিক পাখির প্রজাতি | ম্যাকাও, হামিংবার্ড |
এই অঞ্চলগুলো পৃথিবীর জীববৈচিত্র্য এবং পাখি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 🐦🕊️🦅🦉🦆🐧🦢
Option A Explanation:
Sclater
- প্রথমে তিনি পৃথিবীর মহাদেশীয় জীববৈচিত্র্য ও বাসস্থান সম্পর্কিত গবেষণা করেন।
- তিনি বিভিন্ন প্রাণীর অধিবাসের জন্য উপযুক্ত পরিবেশের ভিত্তিতে বিশ্বভূমির ভৌগোলিক বিভাগ প্রস্তাব করেন।
- এসকল বিভাগে তিনি পৃথিবীকে বিভিন্ন জীববৈচিত্র্যপূর্ণ অঞ্চল বা অঞ্চল হিসেবে ভাগ করেন।
- তার এই ধারণা আধুনিক জিওগ্রাফিক ও জীববৈচিত্র্য গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- তিনি মূলত পৃথিবীর প্রাণীর আবাসস্থল ও ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বিশ্লেষণে কাজ করেন।
Option B Explanation:
- Wallace's Line: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক বিভাজকরেখা যা এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- অবস্থান: এই রেখাটি পাপুয়া ও সূর্যপ্রদীপের কেপের কাছাকাছি অবস্থান করে।
- উদ্দেশ্য: বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের বিতরণে পার্থক্য বোঝাতে এই রেখাটি ব্যবহৃত হয়।
- প্রভাব: এই রেখার দুই পাশে পৃথক ভৌগোলিক ও জীববৈচিত্র্যের বৈচিত্র্য দেখা যায়।
- প্রয়োগ: জীববিজ্ঞান ও ভূগোলের ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ এক বিভাজক রেখা হিসেবে বিবেচিত।
Option C Explanation:
- Wayber Region: এটি পৃথিবীর ভূ-অঞ্চলগুলি ভাগ করার জন্য ব্যবহৃত একটি শ্রেণীবিভাগ।
- বিশেষতা: এই অঞ্চলে প্রাকৃতিক পরিবেশ, উদ্ভিদ ও জীবজগতের বৈচিত্র্য বৈশিষ্ট্যযুক্ত।
- উপযোগিতা: ভূগোলের শিক্ষায় এই শ্রেণীবিভাগ গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি বিভিন্ন অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক ও জীববৈচিত্র্য বিশ্লেষণে সহায়তা করে।
Option D Explanation:
Russel
- প্রখ্যাত জীববিজ্ঞানী ও ভূবিজ্ঞানী
- বিশেষ করে প্রাণী ও পরিবেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শ্রেণীবিভাগে অবদান রেখেছেন
- পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাকৃতিক অঞ্চলের শ্রেণীবিন্যাসে রাশেল এর গুরুত্ব রয়েছে
- অঞ্চলভিত্তিক বৈচিত্র্য ও জীববৈচিত্র্য বিশ্লেষণে সাহায্য করে
- পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণে সহায়ক