ল্যামার্ক মতবাদটি কতটি নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত?
সঠিক উত্তরঃ
C.
4
Explanation:

Another Explanation (5):
ল্যামার্ক মতবাদ: ৪টি মূল নীতি 📜
ল্যামার্কের মতবাদ জীববিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এটি মূলত চারটি প্রধান নীতির উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত:
- পরিবেশের প্রভাব 🌍: জীব তার পারিপার্শ্বিক অবস্থার দ্বারা প্রভাবিত হয়। পরিবেশের পরিবর্তন জীবকে নতুন প্রয়োজন মেটাতে বাধ্য করে।
- অঙ্গ ব্যবহারের প্রভাব 💪: কোনো জীব তার কোনো অঙ্গ ব্যবহার করলে সেটি শক্তিশালী হয় এবং অব্যবহার করলে দুর্বল হয়ে যায়, এমনকি ধীরে ধীরে বিলুপ্তও হতে পারে।
- অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশানুসরণ 🧬: জীবের জীবনকালে অর্জিত বৈশিষ্ট্যগুলো বংশ পরম্পরায় সন্তান-সন্ততিতে স্থানান্তরিত হয়। অর্থাৎ, পিতা-মাতার অর্জিত গুণাবলী তাদের বংশধরেরা উত্তরাধিকার সূত্রে পায়।
- নতুন প্রজাতির উদ্ভব 🌱: সময়ের সাথে সাথে অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশানুসরণের মাধ্যমে নতুন প্রজাতির উদ্ভব ঘটে।
ল্যামার্ক মতবাদের সারসংক্ষেপ ছকে 📊:
| নীতি | ব্যাখ্যা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| পরিবেশের প্রভাব | পরিবেশের পরিবর্তন জীবের মধ্যে পরিবর্তন আনে। 🏞️ | জলজ প্রাণী থেকে স্থলজ প্রাণীর উদ্ভব। 🐟➡️🐸 |
| অঙ্গ ব্যবহারের প্রভাব | অঙ্গের ব্যবহার বৃদ্ধি ও অব্যবহার হ্রাস ঘটায়। 🏋️♀️ | জিরাফের লম্বা গলা (যদিও এটি বিতর্কিত)। 🦒 |
| অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশানুসরণ | জীবনকালে অর্জিত গুণাবলী বংশধরে সঞ্চারিত হয়। 👪 | কামারের হাতের চামড়া শক্ত হওয়া (এটিও বর্তমানে সমালোচিত)। 🔨 |
| নতুন প্রজাতির উদ্ভব | অর্জিত বৈশিষ্ট্যের ধারাবাহিকতায় নতুন প্রজাতি সৃষ্টি হয়। 🦋 | ক্রমবিবর্তনের মাধ্যমে নতুন জীবের আগমন। 🐌➡️🐛➡️🦋 |
গুরুত্বপূর্ণ নোট 📝: ল্যামার্কের মতবাদ পরবর্তীতে বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে সমালোচিত হয়েছে। বংশগতির আধুনিক তত্ত্ব (যেমন মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র) ল্যামার্কের অনেক ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে। 🧪 তবুও, এটি বিবর্তনবাদের প্রাথমিক ধারণাগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। 👍
আরও জানতে... 📚🔍🤔
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি ল্যামার্ক মতবাদ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছে। 😊