রক্তে কিসের মাত্রা কে কিডনি রোগ নির্ণয়ের নির্দেশক বলা হয়?
RUUnit-CSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রবর্জ্য ও নিষ্কাশনরেচন ও অসমোরেগুলেশনের বৃক্কের ভূমিকা (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
ক্রিয়েটিনিন
Explanation:

Another Explanation (5):
কিডনি রোগ নির্ণয়ে ক্রিয়েটিনিনের ভূমিকা 🩺
কিডনি আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায়ই কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা পরীক্ষা করে কিডনির কার্যকারিতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া কিডনি রোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। 🤔
ক্রিয়েটিনিন কি?
ক্রিয়েটিনিন হলো মাংসপেশীর স্বাভাবিক কার্যকলাপের ফলে তৈরি হওয়া একটি বর্জ্য পদার্থ। এটি রক্তে মিশে কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে প্রস্রাবের সাথে বেরিয়ে যায়। 🚶♂️
কেন ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করা হয়? 🧪
- কিডনির কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে। ✅
- কিডনি রোগের প্রাথমিক সনাক্তকরণের জন্য। ⚠️
- চিকিৎসার কার্যকারিতা নিরীক্ষণ করতে। 👨⚕️
- কিছু ঔষধের (যেমন: NSAIDs) প্রভাব জানার জন্য। 💊
রক্তে ক্রিয়েটিনিনের স্বাভাবিক মাত্রা (mg/dL)
| লিঙ্গ | স্বাভাবিক মাত্রা |
|---|---|
| পুরুষ | 0.6 - 1.2 |
| মহিলা | 0.5 - 1.1 |
উল্লেখ্য: এই মাত্রা ব্যক্তি, বয়স এবং পরীক্ষাগার ভেদে ভিন্ন হতে পারে। ☝️
ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণসমূহ 🚨
- কিডনি রোগ (যেমন: গ্লোমেরুলোনফ্রাইটিস, পাইলোনেফ্রাইটিস)।
- মূত্রনালীর বাধা। 🚧
- ডিহাইড্রেশন (পানিশূন্যতা)। 💧➡️ 💀
- কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
- অতিরিক্ত মাংস গ্রহণ। 🥩
- শারীরিক আঘাত। 🤕
ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা কমানোর উপায় 📉
- পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা। 💧
- কম প্রোটিনযুক্ত খাবার গ্রহণ করা। 🥗
- লবণ কম খাওয়া। 🧂 🚫
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করা। 💊✅
- নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো। 🗓️
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ 💡
রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেশি হলে একজন নেফ্রোলজিস্টের (কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ) পরামর্শ নেওয়া উচিত। তিনি আপনার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সঠিক চিকিৎসা দিতে পারবেন। 😊
সুস্থ থাকুন! 💖
Option A Explanation: কাইমোট্রিপসিন (Chymotrypsin) হলো একটি প্রোটিয়াস অ্যাঞ্জাইম যা প্রধানত পেঁচানো বা ভেঙে দেয় প্রোটিনকে ছোট ছোট পেপটাইড ও অ্যামিনো অ্যাসিডে। এটি সাধারণত পাকস্থলী ও অদূরে স্নায়ু বা প্যাংক্রিয়াসে উৎপন্ন হয়। নিচে কাইমোট্রিপিনের বৈশিষ্ট্য ও ভূমিকা দেওয়া হলো:
- প্রকার: প্রোটিয়াস অ্যাঞ্জাইম (প্রোটিন ভাঙ্গা অ্যাঞ্জাইম)
- মূল কাজ: প্রোটিনের পেপটাইড বাঁধন ভেঙে ফেলা
- উৎপত্তি স্থান: প্যাংক্রিয়াস থেকে নিঃসৃত হয়
- ব্যবহার: খাদ্য পরিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়ক
- অন্য নাম: কাইমোট্রিপসিনজেন (প্রাথমিক আকার), যা পাকস্থলীতে অ্যামাইনো অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়
Option B Explanation:
- ক্রিয়েটিনিন:
- একটি প্রকৃতিতে পাওয়া যৌগিক যৌগ যা মূলত পেশির মধ্যে উৎপন্ন হয়।
- এটি ক্রিয়েটিন থেকে তৈরি হয়, যা পেশির শক্তি সংরক্ষণে সহায়ক।
- প্রধানত কিডনি দ্বারা প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
- ইউরিয়া বা অন্যান্য নাইট্রোজেন ধারণকারী পদার্থের থেকে আলাদা, কারণ এটি পেশির কার্যকলাপের দ্বারা নির্গত হয়।
- রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা কিডনি কার্যকারিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
- অরনিথিন হল একটি অ্যামাইনো অ্যাসিড নয়।
- এটি একটি কেমিক্যাল উপাদান যা সাধারণত পিপারমিন্টের স্বাদে ব্যবহৃত হয়।
- অরনিথিন মূলত একটি নাইট্রোজেন যৌগ, যা প্রোটিনের গঠনে অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এটি প্রোটিন সংশ্লিষ্ট অ্যামাইনো অ্যাসিডের মধ্যে পড়ে না, বরং একটি কেমিক্যাল উপাদান।
Option D Explanation:
- L-আরজিনেজ: এটি একটি এঞ্জাইম যা লি-আরজিনিনের মাধ্যমে নাইট্রিক অক্সাইড উৎপাদনে সহায়তা করে।
- শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় এই এঞ্জাইমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং রক্তনালীর স্বাভাবিক কার্যক্রমে।
- বিশেষ করে, কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে L-আরজিনেজের মাত্রা শরীরের বিভিন্ন রোগের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে, তবে কিডনি রোগ নির্ণয়ে এর সরাসরি ব্যবহার সাধারণত হয় না।