অনুবাদে পারদর্শিতা মূলত কীসের ওপর নির্ভরশীল?
সঠিক উত্তরঃ
A.
অভ্যাসের
Explanation: অনুবাদে পারদর্শিতা মূলত অভ্যাসের ওপর নির্ভরশীল।
অনুবাদ হলো কোনো বক্তব্য বা রচনাকে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তরিত করা।
- রচনার বক্তব্য বিষয়ের পরিবর্তন না করে ভাষাগত পরিবর্তনই অনুবাদ বা তর্জমা বলে বিবেচিত।
অনুবাদ কাজকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
- আক্ষরিক অনুবাদ
- ভাবানুবাদ
১৯৭০ সালে ইংল্যান্ডের লেখক আলেক্সান্ডার ফ্রেজার টাইটলার সৃজনশীল রচনা অনুবাদ প্রসঙ্গে কতকগুলাে বিষয়ের দিকে দৃষ্টি দিতে বলেন—
১. মূল কাজের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র ধরবে অনুবাদের চিন্তাভাবনা, ধ্যানদর্শনকে খণ্ডিত না করে।
২. অনুবাদে মূল কাজের শৈলী (Style) যতদূর সম্ভব বজায় রাখতে হবে।
৩. অনুবাদকের দক্ষতা থাকতে হবে দুটি ভাষা—মূল ভাষা ও অনুবাদকের নিজের ভাষায়।
৪. অনূদিত লেখকের উদ্দেশ্য সম্পর্কে অনুবাদকের স্পষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে।
৫. অনুবাদের ভাষায় জটিলতা থাকা উচিত নয়। অনূদিত ভাষায় প্রচলিত ও সাধারণ্যে ব্যবহৃত শব্দাবলির সাহায্যেই অনুবাদ করা উচিত।
অনুবাদের নিয়ম ও অনুবাদের ক্ষেত্রে সচেতনতা
অনুবাদ করার সময় নিচের বিষয়গুলাের প্রতি সচেতন হতে হবে :
১. প্রথমেই মূল অংশটি (Text) বারবার পড়ে এর সঠিক অর্থ বােঝা প্রয়ােজন। একই শব্দ নানা অর্থ প্রকাশ করতে পারে। তাই কোন শব্দ কোন অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে তা ভালােভাবে বুঝে নেয়া প্রয়ােজন।
২. হুবহু শাব্দিক বা আক্ষরিক অনুবাদ করলে অনুবাদ যথার্থ হবে না। ভাষা শুদ্ধ ও সহজসাধ্য না হলেও অনুবাদ হবে না। মূল রচনার আলংকারিক গুণ অনুবাদে যেন বজায় থাকে, সে বিষয়ে সচেতন হতে হবে।
৩. সংশ্লিষ্ট ভাষার idiom, phrase সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।। ৪. ক্রিয়ার কাল, বচন, পুরুষ, প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরােক্ষ উক্তি বিষয়ে সচেতন হতে হবে।
৫. ইংরেজি নামগুলাে (Noun) অর্থাৎ বিশেষ্যগুলাে ইংরেজি হিসেবেই অনুবাদ করতে হবে।
৬. অনুবাদের শেষে অনুবাদটি বার বার পড়ে দেখা উচিত যেন তা সত্যই অনূদিত ভাষা হয়ে ওঠে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
অনুবাদ হলো কোনো বক্তব্য বা রচনাকে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তরিত করা।
- রচনার বক্তব্য বিষয়ের পরিবর্তন না করে ভাষাগত পরিবর্তনই অনুবাদ বা তর্জমা বলে বিবেচিত।
অনুবাদ কাজকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
- আক্ষরিক অনুবাদ
- ভাবানুবাদ
১৯৭০ সালে ইংল্যান্ডের লেখক আলেক্সান্ডার ফ্রেজার টাইটলার সৃজনশীল রচনা অনুবাদ প্রসঙ্গে কতকগুলাে বিষয়ের দিকে দৃষ্টি দিতে বলেন—
১. মূল কাজের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র ধরবে অনুবাদের চিন্তাভাবনা, ধ্যানদর্শনকে খণ্ডিত না করে।
২. অনুবাদে মূল কাজের শৈলী (Style) যতদূর সম্ভব বজায় রাখতে হবে।
৩. অনুবাদকের দক্ষতা থাকতে হবে দুটি ভাষা—মূল ভাষা ও অনুবাদকের নিজের ভাষায়।
৪. অনূদিত লেখকের উদ্দেশ্য সম্পর্কে অনুবাদকের স্পষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে।
৫. অনুবাদের ভাষায় জটিলতা থাকা উচিত নয়। অনূদিত ভাষায় প্রচলিত ও সাধারণ্যে ব্যবহৃত শব্দাবলির সাহায্যেই অনুবাদ করা উচিত।
অনুবাদের নিয়ম ও অনুবাদের ক্ষেত্রে সচেতনতা
অনুবাদ করার সময় নিচের বিষয়গুলাের প্রতি সচেতন হতে হবে :
১. প্রথমেই মূল অংশটি (Text) বারবার পড়ে এর সঠিক অর্থ বােঝা প্রয়ােজন। একই শব্দ নানা অর্থ প্রকাশ করতে পারে। তাই কোন শব্দ কোন অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে তা ভালােভাবে বুঝে নেয়া প্রয়ােজন।
২. হুবহু শাব্দিক বা আক্ষরিক অনুবাদ করলে অনুবাদ যথার্থ হবে না। ভাষা শুদ্ধ ও সহজসাধ্য না হলেও অনুবাদ হবে না। মূল রচনার আলংকারিক গুণ অনুবাদে যেন বজায় থাকে, সে বিষয়ে সচেতন হতে হবে।
৩. সংশ্লিষ্ট ভাষার idiom, phrase সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।। ৪. ক্রিয়ার কাল, বচন, পুরুষ, প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরােক্ষ উক্তি বিষয়ে সচেতন হতে হবে।
৫. ইংরেজি নামগুলাে (Noun) অর্থাৎ বিশেষ্যগুলাে ইংরেজি হিসেবেই অনুবাদ করতে হবে।
৬. অনুবাদের শেষে অনুবাদটি বার বার পড়ে দেখা উচিত যেন তা সত্যই অনূদিত ভাষা হয়ে ওঠে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।