রক্ত জমাট বাধা শেষ হলে জমাট থেকে যে হলুদ তরল বেরিয়ে আসে তাকে কি বলে?
JUUnit-Dজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্ত জমাট বাঁধা বা রক্ত তঞ্চন (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
সিরাম
Explanation: রক্ত জমাট বাঁধার পর যে হলুদ তরল বের হয় তাকে সিরাম বলে। সুতরাং সঠিক উত্তর Option C। Option A: প্লাজমা ভুল কারণ এটি ফাইব্রিনোজেন ধারণ করে; Option B: লসিকা ও D: কোনটিই নয় প্রাসঙ্গিক নয়। নোট: সিরাম হলো প্লাজমার অংশ যা ফাইব্রিনোজেন মুক্ত।
Another Explanation (5):
রক্ত জমাট বাঁধা: সিরামের উদ্ভব 🩸
রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া একটি জটিল শারীরবৃত্তীয় ঘটনা। এই প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে জমাট বাঁধা অংশ থেকে হালকা হলুদ রঙের যে তরল নির্গত হয়, তাকে সিরাম বলা হয়। সিরাম রক্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
সিরাম কি? 🧪
সিরাম হলো রক্তরস বা প্লাজমার সেই অংশ, যা রক্ত জমাট বাঁধার সময় ব্যবহৃত ক্লটিং ফ্যাক্টর (যেমন: ফাইব্রিনোজেন) থেকে আলাদা করা হয়। অর্থাৎ, প্লাজমা থেকে জমাট বাঁধার উপাদানগুলো সরিয়ে নিলে যা অবশিষ্ট থাকে, তাই সিরাম।
সিরামের উপাদান 🧬
- পানি (প্রায় ৯২%)💧
- প্রোটিন (যেমন: অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন) 🧑🔬
- ইলেক্ট্রোলাইট (যেমন: সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড) 🧂
- অ্যান্টিবডি (ইমিউনোগ্লোবুলিন) 🛡️
- হরমোন 🧪
- বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান 🍎
- বর্জ্য পদার্থ 🗑️
সিরামের কাজ 🤔
- রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে (অ্যান্টিবডি থাকার কারণে)। 🧫
- শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলী স্বাভাবিক রাখা। ⚙️
- pH এর ভারসাম্য রক্ষা করা। ⚖️
- কোষের পুষ্টি সরবরাহ করা। 🥕
প্লাজমা ও সিরামের মধ্যে পার্থক্য 📊
| বৈশিষ্ট্য | প্লাজমা | সিরাম |
|---|---|---|
| জমাট বাঁধার উপাদান | উপস্থিত ✅ | অনুপস্থিত ❌ |
| ফাইব্রিনোজেন | আছে ✅ | নেই ❌ |
| সংগ্রহের পদ্ধতি | অ্যান্টি-কোয়াগুলেন্ট টিউবে সংগ্রহ করা হয় 🩸 | জমাট বাঁধার পর সংগ্রহ করা হয় 🩸 |
সিরামের ব্যবহার 👨⚕️
- রোগ নির্ণয় (যেমন: অ্যান্টিবডি সনাক্তকরণ)। 🔬
- গবেষণায় (বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য)। 🧑🔬
- সেরা থেরাপি (নির্দিষ্ট রোগের চিকিৎসায়)। 💉
সিরাম আমাদের শরীরবৃত্তীয় কার্যাবলী বুঝতে ও রোগ নির্ণয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ❤️