'বৃক্ষের পানে তাকিয়ে আমরা লাভবান হতে পারি'—
কীভাবে?
A.
বৃক্ষকে অনুসরণ ও অনুকরণ করে
B.
বৃক্ষের মতো পরোপকারী হয়ে
C.
প্রতিদিন বৃক্ষের বৃদ্ধি দেখে
D.
বৃক্ষের ফুল ফল ভোগ করে
সঠিক উত্তরঃ
A.
বৃক্ষকে অনুসরণ ও অনুকরণ করে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ফেরারী সূর্য কার রচনা?
- 'পলিতে গলিত হেম' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কোন অঞ্চলের প্রসঙ্গ অধিক গুরুত্ব পেয়েছে?
- ‘তখন চাষা অন্নবস্ত্রের কাঙাল ছিল না। তখন কিন্তুসে অসভ্য বর্বর ছিল' 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের এবক্তব্য দ্বারা বোঝায়—
- ’তামাশার জায়গা এ নয়- হলফ পড়’ উক্তিটি কার?
- ক) কাব্যাংশটির ভেতরের সংলাপে জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি' নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কেন?খ) মেঘনাদের সংলাপের মূলভাব অনধিক পাঁচ বাক্যে ব্যক্ত কর।গ) যে ভঙ্গি ও স্বরে বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ ঘৃণা ব্যক্ত করেছেন তা নিজের ভাষায় লেখ । ঘ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে কাব্যাংশটির সাদৃশ্য রয়েছে- কীভাবে?
- "নিজের কোন নদীটির উল্লেখ এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে" কবিতে পাওয়া যায় না?
- মোতাহার হোসেন চৌধুরী কোনটিকে মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
- নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিজ-চণ্ডাল,প্রভু, ক্রীতদাস!সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;সমগ্রে প্রকাশ!নমি কৃষি-তন্তুজীবী, স্থপতি, তক্ষককর্ম, চর্মকার!উদ্দীপকের আলোকে 'ঐকতান' কবিতার মর্মার্থ বিশ্লেষণ করো।
- কবি দিলওয়ার-এর জন্মস্থান কোথায়?
- কবির মতে গানের পসরা ব্যর্থ হয় কেন?
- কবি আল মাহমুদ কোথায় চোখ রাখতে পারেন না?
- "হিন্দুকুশ" হলো-
- সত্যি এক ইউনিক ব্যাপার ' - কোন কবিতার অন্তর্গত ?
- ‘কেহ মরে বিল ছেঁচে ,কেহ খায় কই’ - কোন রচনার অংশ?
- "নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিত্য-চন্ডালপ্রভু, ক্রীতদাস!সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;সমগ্রে প্রকাশ!নমি কৃষি-তন্তজীবী, স্থপতি, তক্ষক,কর্ম চর্মকার! কতরাজ্য কত রাজ গড়িছ নীরবেহে পূজ্য, হে প্রিয়!একত্বে বরেণ্য তুমি, শরণ্য এককে-আত্মার আত্মীয়।"উদ্দীপকটি 'ঐকতান' কবিতার কোন বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আলোচনা করো।
- “পলাশ ঢাকা কোকিল ডাকা আমার এ দেশ ভাইরে;ধানের মাঠে ঢেউ খেলানো এমন কোথাও নাইরে।”উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ চরণ হলো—
- 'সেই অস্ত্র' কবিতার গঠনগত বিশেষত্ব কী? -
- অমিয় চক্রবর্তীর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
- ওই যে দাঁড়ায়ে নতশিরমুক সবে, ম্লান মুখে লেখা শুধু শত শতাব্দীরবেদনার করুণ কাহিনী; স্কন্ধে যত চাপে ভারবহি চলে মন্দগতি যতক্ষণ থাকে প্রাণ তার-তার পরে সন্তানেরে দিয়ে যায় বংশ বংশ ধরি,নাহি ভর্ৎসে অদৃষ্টেরে, নাহি নিন্দে দেবতারে, স্মরি,মানবেরে নাহি দেয় দোষ, নাহি জানে অভিমান,শুধু দুটি অন্নখুঁটি কোনমতে কষ্টক্লিষ্ট প্রাণরেখে দেয় বাঁচাইয়া।উদ্দীপকের আলোকে 'ঐকতান' কবিতার শ্রমজীবী মানুষের জীবনচিত্র বর্ণনা কর।
- "ধর্মবতার ! সাক্ষী বড় সেরকশ্।" - সংলাপটি কার?
- 'নকশি কাঁথার মাঠ', 'সোজন বাদিয়ার ঘাট', 'রঙিলা নায়ের মাঝি',‘রাখালি', 'বালুচর' ইত্যাদি জনপ্রিয় কাব্যের রচয়িতা কবিজসীমউদ্দীন কবিতায় নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করেছেন গ্রামেরঅবহেলিত মানুষের প্রাত্যহিক জীবন । উদ্দীপকটির কবি জসীমউদ্দীন 'ঐকতান' কবিতার আলোকেকোন ধরনের কবি?
- ’কলিমদ্দি দফাদার’ গল্পের পটভূমি কী?
- চার্বাক আস্থাশীল ছিলেন না- বেদেআত্মায়পরলোকেনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার মূলউপজীব্য বিষয় বাংলার-
- তোমায় হদয় বিশ্ব দেউল সকলের দেবতার” কাবিতাংশটি' কোন কবিতা থেফে নেওয়া হয়েছে?
- পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে' কে পেয়েছিলেন ?
- ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- জেলা শহরের সরকারি হাসপাতালে দক্ষ চিকিৎসক ডাক্তার হুমায়ুন। ধনী-গরিব নির্বিশেষে রোগীদের তিনি পরম যত্নে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একদিন যমুনা নামে এক অসহায় বৃদ্ধা টাকার অভাবে হাসপাতারের টিকেট না কেটে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে পড়লে ডাক্তারের সহকারী দুর্ব্যবহার করে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দিতে চায়। ডাক্তার হুমায়ুন যমুনাকে ডেকে তার কথা শোনন এবং বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে সহকারীকে ডেকে বলেছেন, "অসহায় মানুষের সেবা করা মানবতার কাজ। সকল মানুষ আমার কাছে সমান।"উদ্দীপকের ডাক্তারের সহকারীর 'দুর্ব্যবহার'-এর সঙ্গে 'সাম্যবাদী' কবিতার 'দোকানে কেন এ দরকষাকষি' চরণের ভাবগত সাদৃশ্য দেখাও।
- বাজারে ভালো দাম না পাওয়ায় রহিম আর তাঁত বোনে না।তার মেধাবী ছেলেটি লেখাপড়ার ফাঁকে ফ???ঁকে পত্রিকা বিক্রিকরে আর রাতে খেটে খাওয়া দারিদ্র্যের ইতিবৃত্ত রচনা করে । উদ্দীপকের রহিম তাঁতির ছেলের সঙ্গে 'ঐকতান'কবিতার কার সাদৃশ্য বিরাজমান?
- কোন ঔপন্যাসিক নিখোঁজ হয়েছিলেন?
- ‘অনল প্রবাহ’ রচনা করেন-
- স্বল্পপ্রাণ, স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে কোনটিপরিপূর্ণ?
- ’দ্বিজাতিতত্ত্বের সত্য মিথ্যা’র লেখক কে?
- বাংলাদেশের কোন গবেষক গবেষণনা ও সাহিত্য রচনায় ভারত সরকারের 'পদ্মভূষণ' উপাধি পেয়ছেন?
- আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের এমএ ক্লাসের ছাত্র। সমাজের কল্যাণ করতে সে পছন্দ করে। একবার তার এলাকায় ব্যাপক বন্যা দেখা দেয়। গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। খাদ্য আর চিকিৎসার অভাবে সাধারণ মানুষ নানা রকম দুর্ভোগে পড়ে। সাধারণ মানুষের কষ্টে আজিজের প্রাণ কেঁদে উঠে। মানুষের এমন পরিণতি সে মেনে নিতে পারেনি। তাই সে বন্ধুদের নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।উদ্দীপকটির ভাবের সাথে 'বিড়াল' রচনার আংশিক দিক প্রতিফলিত হয়েছে। আলোচনা কর।
- হৈমন্তীর ননদের নাম কী ছিল?
- আহারপ্রস্তুত না হওয়ায় কমলাকান্ত হুঁকা হাতে কি ভাবছিলেন?
- ‘আনন্দের ধর্ম এই যে তা সংক্রামক’- উদ্ধৃতিটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- 'ঐকতান' কবিতায় 'চিত্রময়ী বর্ণনার বাণী' বলতেবোঝানো হয়েছে-