'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির প্রত্যাশা কী?
A.
তার??ণ্যধর্ম দিয়ে এ দেশ পরিচালিত হোক
B.
তারুণ্যধর্ম দিয়ে এ দেশ পরিচালিত হোক
C.
যৌবনধর্ম চির অটুট থাকুক
D.
বার্ধক্য নেমে আসুক
সঠিক উত্তরঃ
A.
তার??ণ্যধর্ম দিয়ে এ দেশ পরিচালিত হোক
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী' বলতে কী বোঝায়?
- আঠারো বছর বয়স দুর্যোগে হাল ঠিক রাখতে পারে না কেন?
- তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই, যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা,মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।উদ্দীপকের উক্ত দিকটি কি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- কত বছর বয়সে কবি সুকান্ত ভট্টচার্যের মৃত্যু হয়েছিল?
- ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ ‘আকাল’ সম্পাদনা করেন কে?
- রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাবে। পরিবারের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে।উদ্দীপকের রফিকের মধ্যে আঠারো বছর বয়সের কোন দিকটি স্পষ্ট? ব্যাখ্যা করো।
- গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরায় ঘটে যাওয়া রক্তাক্ত বিভীষিকা আজও আমায় স্তম্ভিত করে দেয়। বিপন্ন মানবতার আর্তচিৎকারে ভারি হয়ে ওঠে আকাশ-বাতাস। ফারাজ আইয়াজ হোসেন, এক প্রাণবন্ত যুবক। বিপদের মুখে বন্ধুদের ছেড়ে আসতে রাজি না হওয়ায় দুষ্কৃতকারীদের হাতে প্রাণ হারায়। সে প্রকৃত বন্ধুত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, বন্ধুত্বের জন্য জীবন উৎসর্গ করে। দৃঢ়তার সঙ্গে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ভালোবাসা ও সহানুভূতির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠী, ধর্ম ও জাতীয়তার মানুষের মানবিকতাকে একসূত্রে গ্রথিত করেছে। ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধ্বে উঠে তার 'এই অসাধারণ চারিত্রিক দৃঢ়তা প্রদর্শন বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'- কবির এ প্রত্যাশা উদ্দীপকের ফারাজ আইয়াজ কতটুকু পূরণ করেছে? তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- আঠারো বছর বয়স' কবিতায় এ বয়স বাঁচে কীভাবে?
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পিতার নাম কী?
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।'উদ্দীপকটির বক্তব্য 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বক্তব্যের সাথে কি সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- দুরন্ত পথিক দুর্বার তারুণ্যের প্রতীক। সে বিপ্লবের অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত মুক্তি সৈনিক। মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে সে দুর্গম পথে এগিয়ে চলে। তার শক্তি অবিনশ্বর। পথ চলতে সে কখনো থেমে যায় না। তার চেতনা দুর্বারকে জয় করে।উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার চেতনা সর্বজন কর্তৃক অনুকরণীয়- বিশ্লেষণ কর।
- আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় এ বয়সে প্রাণ তীব্র আরপ্রখর।' বলতে বোঝানো হয়েছে—
- 'আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।''তারুণ্য শক্তিই পারে আগামী জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে।'- উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- বাংলাদেশের সড়ক পথে হতাহতের ঘটনা কেন্দ্র করে ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল নয় দিনের একটি আন্দোলন 'নিরাপদ সড়ক চাই।' এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী। আন্দোলনের রেশ ছড়িয়ে পড়েছিল সারা দেশে।"উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব একই সূত্রে গ্রোথিত'- বিশ্লেষণ করো।"
- বিপদের মুখে 'আঠারো বছর বয়স' কেমন?
- আমি গাই তারি গান-
- উড়ছে, উড়ছে অবিরামআমাদের হৃদয়ের রৌদ্র ঝলসিত প্রতিধ্বনিময় মাঠেআমাদের চৈতন্যের মোর্চায়।…………….…………….…………….……………আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।'আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা'- উদ্দীপকের এই চরণটির আলোকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি বিশ্লেষণ করো।