"এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।"- এ কথার তাৎপর্য কী?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- তোমরা এসেছ, ভেঙেছ অন্ধকার- তোমরা এসেছ ভয় করি নাকো আর পায়ের স্পর্শে মেঘ কেটে যাবে, উজ্জ্বল রোদ্দুরছড়িয়ে পড়বে বহুদূর বহুদূর।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? বর্ণনা কর।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- ’আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- চরণটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরায় ঘটে যাওয়া রক্তাক্ত বিভীষিকা আজও আমায় স্তম্ভিত করে দেয়। বিপন্ন মানবতার আর্তচিৎকারে ভারি হয়ে ওঠে আকাশ-বাতাস। ফারাজ আইয়াজ হোসেন, এক প্রাণবন্ত যুবক। বিপদের মুখে বন্ধুদের ছেড়ে আসতে রাজি না হওয়ায় দুষ্কৃতকারীদের হাতে প্রাণ হারায়। সে প্রকৃত বন্ধুত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, বন্ধুত্বের জন্য জীবন উৎসর্গ করে। দৃঢ়তার সঙ্গে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ভালোবাসা ও সহানুভূতির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠী, ধর্ম ও জাতীয়তার মানুষের মানবিকতাকে একসূত্রে গ্রথিত করেছে। ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধ্বে উঠে তার 'এই অসাধারণ চারিত্রিক দৃঢ়তা প্রদর্শন বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।উদ্দীপকের আলোকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- উক্তিটির সাদৃশ্য তুলো ধরো।
- আঠারো বছর বয়স' কবিতার লেখকের নাম কী ?
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম কোন জেলায়?
- 'বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাটযাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহারসাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে’– তারুণ্যের এবৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে—
- উড়ছে, উড়ছে অবিরামআমাদের হৃদয়ের রৌদ্র ঝলসিত প্রতিধ্বনিময় মাঠেআমাদের চৈতন্যের মোর্চায়।…………….…………….…………….……………আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার চেতনাগত সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম কোন জেলায়?
- কলেজে ওঠার পর রাতুল ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে, রাত জেগে স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে। বাবা-মায়ের সঙ্গেও বাজে আচরণ করে। অবশেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় রাতুল কিছু বাজে বন্ধুর পাল্লায় পড়েছে। রাতুল বুঝতে পারছে সে যা করছে ভুল করছে, কিন্তু এসব থেকে বেরিয়েও আসতে পারছে না।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন প্রসঙ্গটি উঠে এসেছে? আলোচনা করো।
- আমরা চলি সম্মুখপানেকে আমাদের বাঁধবে?রইল যারা পিছুর টানেকাঁদবে তারা কাঁদবে।ছিঁড়ব বাধা রক্ত পায়ে,চলব ছুটে রৌদ্রে ছায়েজড়িয়ে ওরা আপন গায়েকেবলই ফাঁদ ফাঁদবে।উদ্দীপকের বক্তব্য ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার যে ভাবগত মিল রয়েছে, তা কোন অর্থে ইতিবাচক?
- ”আঠার বছর বয়স” কবিতাটি সংকলিত হয়েছে কোন কাব্য থেকে?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'- ব্যাখ্যা করো।
- মাদক গ্রহণের অপর???ধ মাথায় নিয়ে পুলিশ ভ্যানে উঠে বসল সাজিদ। মা-বাবা, পাড়া- প্রতিবেশী কেউ কল্পনা করতে পারেনি এমন দৃশ্য তাদের দেখতে হবে। শুধু ভালো ছাত্র হিসেবে নয়, তার মতো সাহসী, প্রতিবাদী, পরোপকারী সর্বগুণের অধিকারী একটি ছেলেও খুঁজে পাবে না কেউ। বয়স্করা বলতেন, 'আহা' এমন সোনার টুকরা যদি সবার ঘরে জন্মাত।" কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাজিদের মা বলেন, 'কিছুদিন ধরে অচেনা একটা ছেলে ওর সাথে দেখা করতে আসত। ভাবতে পারিনি এত বড় সর্বনাশ হবে আমার ছেলের।''আহা! এমন সোনার টুকরা যদি সবার ঘরে জন্মাত - 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার শেষ পঙক্তিটির আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?-
- পাড়ার সকলের প্রিয় পন্টু। অদ্ভুত তার চরিত্র। এখনই কারো গাছের ফল চুরি করে খেলো, তো পরক্ষণেই শীতার্তকে নিজের গায়ের জামা খুলে দিয়ে দিলো। কখনো গৃহস্থের গরুর গলার রশি খুলে দিয়ে মজা করছে, কখনো মহিলাদের আড্ডায় রাবারের সাপ ছেড়ে দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, কখনো পথচারীর গায়ে সাইকেল তুলে দিয়ে খিলখিল করে হাসছে। সেই পন্টুই আবার প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা করা ডাকাত দলকে একাই রুখে দিতে লড়াই করছে। কারো বাচ্চাটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, কারো অসুস্থ আত্মীয়কে হাসপাতালে নিতে হবে, কোনো কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার বিয়ের সব ব্যবস্থাপনা করে দিতে হবে, কারো অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান করতে হবে-এ সবে পল্টই সর্বাগ্রে।পল্টুর পরোপকারের বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটির ইঙ্গিতবাহী? বুঝিয়ে দাও।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মারা যান?
- আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক দিক প্রতিফলিত হয়েছে নিচের কোন চরণে?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।''তারুণ্য শক্তিই পারে আগামী জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে।'- উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- কত বছর বয়সে কবি সুকান্তের মৃত্যু হয়েছিল?
- আঠারো বছর বয়সে কী নেই?
- আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'-পরের চরণ কোনটি?
- 'আঠারো বছর বয়স' বিপদের মুখে কী?
- রাশেদ গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিতোলায় শ্রমিকনেতা জামালকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করাহয়। দারুণ অর্থকষ্টে পতিত হলেও জামাল হাল ছাড়ে না।দৃঢ় আত্মপ্রত্যায়ের সাথে শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্বারআন্দোলন গড়ে তোলে ।উদ্দীপকের শেষ লাইনের সঙ্গে নিচের কোন লাইনটিরভাবগত সাদৃশ্য রয়েছে?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ফ্যাসিবিরোধী লেখক শিল্পী সংঘেরপক্ষে কোন কাব্যগ্রন্থটি সম্পাদনা করেন?
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- কলেজে ওঠার পর রাতুল ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে, রাত জেগে স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে। বাবা-মায়ের সঙ্গেও বাজে আচরণ করে। অবশেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় রাতুল কিছু বাজে বন্ধুর পাল্লায় পড়েছে। রাতুল বুঝতে পারছে সে যা করছে ভুল করছে, কিন্তু এসব থেকে বেরিয়েও আসতে পারছে না।'অসৎ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে তরুণরা ভুল পথে পা বাড়াতে পারে" উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে তোমার মতামত দাও।
- আঠারো বছর বয়স দুর্যোগে হাল ঠিক রাখতে পারে না কেন?
- 'আপদ আছে, জানি আঘাত আছেতাই জেনে তো বক্ষে পরান নাচে।'উদ্দীপকটির আঠারো বছর বয়স' কবিতার নিচেরকোন চরণের সাথে মিল রয়েছে?
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।রক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে।পুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচাআয় দূরন্ত আয় রে আমার কাঁচা।"উদ্দীপকে এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় মূলত তারুণ্যের জয়গান গাওয়া হয়েছে।" মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।"উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আংশিক ভাব ধারণ করেছে।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।