পেশায় কৃষক হলেও জলিল শেখ সৌখিন মানুষ। রিকশা
ছাড়া বাজারে যায় না। চা খাওয়ারও দারুণ নেশা। বাড়িতে
রান্না হলেও বাজারের হোটেলে প্রায়ই সে খাওয়া-দাওয়া
করে।
উদ্দীপকের জলিল শেখ চরিত্রে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের
যে দিকটির মিল রয়েছে—
- বিলাসিতা
- রুচিশীলতা
- সচ্ছলতা
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i
B.
ii
C.
iii
D.
i, ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
A.
i
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- “মাসুদ রানা” সিরিজের লেখক কে?
- 'বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস' গ্রন্থের লেখক কে?
- 'লোক-লোকান্তর' কবিতায় আহত কবির গান পূর্ণতালাভ করে কীভাবে?
- 'চাষার দুক্ষু' রচনায় লেখিকার প্রত্যাশা কী?
- 'ঐকতান' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- পুঁথির প্রতাপ' কে লিখেছেন ?
- জরথুন্ত্রবাদের ধর্মগ্রন্থ “জেন্দা আবেস্তা” এখানে ‘জেন্দা' শব্দের অর্থ কি?
- শিক্ষকতার দীর্ঘ জীবনে রহিম সাহেবের কাছে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় কখনো বড়ো হয়ে ওঠেনি। জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি আশপাশের মানুষদের মানবতাবাদে দীক্ষিত করা ছিল তাঁর জীবনব্রত। এখন তাঁর অবসর কাটে সামাজিক আর ব্যক্তি মানুষের কল্যাণকর্মে। ধর্মীয় গোঁড়ামি কিংবা অন্ধ সংস্কারের কারণে সমাজে যখন অনাচার দেখা দেয় তখন রহিম সাহেব সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের প্রায়ই চন্ডীদাসের সেই অমর উচ্চারণ মনে করিয়ে দিতেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।""উদ্দীপকটি ভাবগত দিক থেকে 'সাম্যবাদী' কবিতাকে ধারণ করেছে।"- মন্তব্যটি বিচার করো।
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে ‘সজীবতা ও সার্থকতা' জীবন্তদৃষ্টান্ত হিসেবে কীসের উল্লেখ রয়েছে?
- 'মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'লোক-লোকান্তর' কবিতার মূলভাব কী?
- কাঁসা শিল্পের জন্য বিখ্যাত জামালপুরের-
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।'বৃক্ষের মতো জাদুঘরও আমাদেরকে সার্থকতার গান শোনায়।'- তোমার মতামত ব্যাখ্যা কর।
- চন্ডিগড় শহরের উপকণ্ঠে বাড়ি ভাড়া নেয় সুরেশ ও কল্যাণী ব্যানার্জী। তাদের এক সন্তান শান্ত। স্বামী-স্ত্রী চাকুরিজীবী হওয়ায় শান্তাকে দেখাশোনার জন্য গ্রাম থেকে আনা হয় আট বছর বয়সী দরিদ্র অনিতাকে। সারাদিনের খাটুনিতে অনিতার শ্রান্ত শরীরে ঘুম চলে আসে সন্ধ্যারাতে। কল্যাণীর ধারণা অনিতার খাবারের পরিমাণ আরও কমালে ওর ঘুম আসবে না। তাই অনিতার খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেয় কল্যাণী। কম খেতে খেতে অনিতা শীর্ণকায় হয়ে পড়ে। শান্তর উচ্ছিষ্ট সে চুরি করে খায়। এটা জানতে পেরে কল্যাণী অনিতার উপর নির্যাতন চালায়, তওবা করায় এবং উপদেশ দেয় যে চুরি করে খাওয়া পাপ। ফ্রিজে ভর্তি করা খাবার, শান্ত খাওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়ায় আর অনিতা শান্তর উচ্ছিষ্টের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'বিড়াল' প্রবন্ধের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- ‘অয়োময়' নাটকটির রচয়িতা কে?
- কালীদাসের নাটক নয় কোনটি?
- 'সংশয়ে দুলে দুলে কাঁটাটি ডানদিকে হেলে থেকে যায়।' বাক্যটি কোন রচনা অন্তর্গত ?
- কায়রো মিউজিয়াম কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- 'বাংলাদেশ অনস্ত অক্ষয় মূর্তি জাগে' -পংক্তিটির কবির নাম কি?
- 'আমাদের জীবনটা ছিল যান্ত্রিক ' । কোন গল্প থেকে নেওয়া ?