শ্রাবণগগন ঘিরে কী ঘুরে ফিরে?
A.
ধবল বক
B.
ঘন মেঘ
C.
নিঃসঙ্গ গাঙচিল
D.
শুভ্র মেঘ
সঠিক উত্তরঃ
B.
ঘন মেঘ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ সম্পাদনা করেছেন-
- 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর কোন জাতীয় গ্রন্থ?
- 'বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।' চরণটিতে কৃষকের কীরূপ আবেদন প্রকাশিত হয়েছে?
- সোনার তরী' কবিতায় 'ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই'- কথাটিতে মাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে?
- শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি।' কোন কবিতার চরণ?
- চারিদিকে বাঁকা জল কী করছে?
- 'ব্যক্তিজীবন কদরহীন' - এ উপলব্ধির ইঙ্গিত 'সোনার তরী' কবিতার কোন চরণে রয়েছে?
- ওরে মোর মূঢ় মেয়েকে রে তুই, কোথা হতে কি শক্তি পেয়েকহিলি এমন কথা, এত স্পর্ধা ভরে-'যেতে আমি দেবো না তোমায়।' চরাচরেকাহারে রাখিবি ধরে' দুটি ছোটো হাতে,গরবিনি সংগ্রাম করিবি কার সাথেবসি গৃহদ্বার প্রান্তে প্রান্ত ক্ষুদ্র দেহশুধু লয়ে ওইটুকু বুক ভরা স্নেহ!"সোনার তরী' কবিতার ভাববস্তু আলোচ্য উদ্দীপকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়নি"-আলোচনা করো।
- জয়নুল আবেদিন একজন কালজয়ী চিত্রশিল্পী। তাঁর তুলির আঁচড়ে প্রতিফলিত বিভিন্ন বিষয় মানুষকে আজও সমানভাবে আলোড়িত করে।জয়নুল আবেদিনের সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কার সাদৃশ্য রয়েছে?
- "সােনার তরী” কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- কোনটি একই সঙ্গে বিশেষ্যকে নির্দিষ্ট করে অ বিশেষনের মতো কাজ করে?
- পৃথিবীর পুরোনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয় প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়'। 'সোনার তরী' কবিতার সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য-
- 'আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- পার্থিব ও ক্ষণস্থায়ী জীবনের জন্য আমরা কত কিছুই না করি। ভালোমন্দ ভুলে দিয়ে নানান কাজে জড়িয়ে পড়ছি। এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনই ঠিক হবে, সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন, চলে যেতে হবে'। আমরা আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে এ ক্ষণস্থায়ী জীবনের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে যাই। টাকাকড়ি সুন্দর বাড়ি সবই পড়ে রবে, তোমার করা কৃতকর্মই তোমাকে স্মরণ নেবে যখন তুমি আর থাকবে না এই জনাকীর্ণ ভবে। উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কোথায় বসে লেখা?
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণের শুরুতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অন্যায়ভাবে এবং বিনা করণে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন, গুলি ও রক্তপাত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমঝোতা না করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে হতাহত করেছে। এরূপ রক্তের করুণ ইতিহাস পুরো পাকিস্তানি শাসনকাল জুড়ে বিরাজমান ছিল। সর্বোপরি ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতির পিতা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃক ২৩ বছর যাবৎ পাকিস্তানি শাসকদের বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক কিন্তু ভুলিনি পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ভুলিনি জাতির পিতা ও লাখো শহিদের অবদান।'সোনার তরী' কবিতার বিষয়গত সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- তরুছায়ামসি-মাখা গ্রামখানি কোথায় আঁকা
- একটা সময় সব অকেজো হয়ে যায়শরীর, মন ও বুদ্ধি।থেমে যায় বুদ্ধিকেউ আর রাখে না মনে তায়।যৌবন থেকে মৃত্যু-অনেক সফল কাজ,কাজগুলো রেখে দাও, শুধু তুমি চলে যাও।উদ্দীপকে উল্লিখিত 'কাজগুলো' 'সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত কীসের সাথে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য ছিলেন বাঙালি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব। নিজের ঐকান্তিক চেষ্টায় বিপুল ধনসম্পদের অধিকারী হন। কিন্তু নিজে কৃচ্ছ সাধন করে জনহিতকর কাজে লিপ্ত হন। তিনি শিক্ষা বিস্তারের জন্য টোল, পাঠশালা, গ্রন্থাগার, হোস্টেল, নারীশিক্ষার জন্য বিদ্যানিকেতন, ছাত্রীনিবাস এবং দরিদ্রের জন্য আশ্রম, ধর্মশালা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আজও সকলের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন।'মানুষ বাঁচে কর্মের মধ্যে।'- উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- নানা: আমার বন্ধু বিদ্যানন্দ এ বিখ্যাত বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সমাজের অনেকেই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে তখন ভালো চোখে দেখেননি; সহযোগিতাও করেননি। তবে তিনি দমে যাননি, তিলে তিলে গড়ে তোলেন এ বিদ্যালয়টি। কিন্তু সুনামের সবটুকু সম্মান তাঁর কপালে জুটল না।নাতি: তিনি কোথায়?নানা: তিনি নেই। অথচ তাঁর কর্ম পথ পেয়েছে, তাঁরই অবর্তমানে আমাদের মাঝে।নাতি: কী নিষ্ঠুর পৃথিবীর নিয়ম !'তাঁর কর্ম পথ পেয়েছে, তাঁরই অবর্তমানে আমাদের মাঝে'- উদ্দীপকের এ উক্তির আলোকে 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।
- শ্রাবণগগন ঘিরে কী ঘুরে?
- ‘সোনার তরী' কবিতায় কবির আক্ষেপ নিচের কোনপঙক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে?
- “একখানি ছােটো খেত, আমি একেলা” এর পরের চরণ?
- 'ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই ছোট সে তরী' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'চারি দিকে বাঁকা জল'-চরণটিতে কীসের ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যনাট্য কোনটি?
- সোনার তরী’ কবিতায় কী নিরুপায়?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- 'সোনার তরী' কবিতায় কোন ঋতুর কথা বলা হয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কি
- ‘সোনার তরী' কবিতার মূলভাব ফুটে উঠেছেকোন চরণে?
- 'পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়া মসী-মাখা।'- এখানে'মসী-মাখা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?'— চরণটিতে কী বোঝানোহয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ?
- মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।উদ্দীপকের মালিহার সাথে 'সোনার তরী' কবিতার মাঝির সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- কবি নিজেকে কোন সময়ের এলোকেশে ঝড় বলেছেন?
- আমায় নহেগো, ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান,বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান;চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝে।উদ্দীপকের বনের পাখির সাথে 'সোনার তরী' কবিতায় কার সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- 'সোনার তরী' কবিতায় ঠাই নাই, ঠাঁই নাই'— কথাটিতেমাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে?