'চারি দিকে বাঁকা জল'-চরণটিতে কীসের ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।'- চরণটিতে কৃষকের কীরূপ আবেদন প্রকাশিত হয়েছে?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথের লেখা কাব্যগ্রন্থ নয়?
- বুদ্ধদেব বসু বাংলা ভাষার কোন কবিকে “নির্জনতম” কবি বলেছেন?
- পাঁচশ বছর আগে বিশ্বচিত্রকর্মের সর্বাধিক উজ্জ্বল কিংবদন্তি লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা মহাকাব্যিক চিত্রকর্ম 'মোনালিসা' সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত চিত্রকর্ম। ফ্রান্সের ল্যুভর মিউজিয়ামে এখনো প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ শুধু মোনালিসার রহস্যময় হাসি দেখতে আসেন।উদ্দীপকের সাথে 'সোনার তরী' কবিতার সাদৃশ্যের কারণ-জগৎ স্রষ্টাকে চায় না, তার শিল্পকে সৃষ্টিকে চায় ব্যক্তিসত্তা নিষ্ঠুর কালগ্রাসের শিকার হয় মহৎ সৃষ্টিকর্ম বেঁচে থাকেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'ওগো তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে'—‘সোনার তরী' কবিতায় এখানে 'তুমি' কে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার সোনার তরী কবিতা লিখেছেন কোথায় বসে?
- 'সোনার তরী' কবিতায় উল্লিখিত 'ভাড়া ভাড়া' শব্দদ্বয়ের অর্থ কী?
- 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধান আসলে কী?
- "সোনার তরী" কবিতাভুক্ত 'ভরা পালে চলে যায়’ - এই চরণের পরের চরণ কোনটি?
- কবি নিজেকে কোন সময়ের এলোকেশে ঝড় বলেছেন?
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএখনই সহস্র এসে গেছে বারবারশাজাহান আর তাঁর মহারাজ্যপাট'অশোকের সাম্রাজ্যের যত ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছে।নাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাথে উদ্দীপকের ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোর তুলনামূলক আলোচনা করো।
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএমনই সহস্র এসে গেছে বারবার।শাজাহান আর তাঁর মহারাজ্য, পাটঅশোকের সাম্রাজ্যের ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছেনাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।উদ্দীপকের মূলসুর 'সোনার তরী' কবিতারই প্রতিধ্বনি।”- মন্তব্যটি যথার্থতা নিরূপণ করো।
- পার্থিব ও ক্ষণস্থায়ী জীবনের জন্য আমরা কত কিছুই না করি। ভালোমন্দ ভুলে দিয়ে নানান কাজে জড়িয়ে পড়ছি। এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনই ঠিক হবে, সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন, চলে যেতে হবে'। আমরা আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে এ ক্ষণস্থায়ী জীবনের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে যাই। টাকাকড়ি সুন্দর বাড়ি সবই পড়ে রবে, তোমার করা কৃতকর্মই তোমাকে স্মরণ নেবে যখন তুমি আর থাকবে না এই জনাকীর্ণ ভবে। উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার মর্মার্থকে ধারণ করে কি? 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'মানুষের বেঁচে থাকার আকুলতা চিরন্তন'।-নিচের কোন কবিতায় এ বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- পার্থিব ও ক্ষণস্থায়ী জীবনের জন্য আমরা কত কিছুই না করি। ভালোমন্দ ভুলে দিয়ে নানান কাজে জড়িয়ে পড়ছি। এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনই ঠিক হবে, সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন, চলে যেতে হবে'। আমরা আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে এ ক্ষণস্থায়ী জীবনের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে যাই। টাকাকড়ি সুন্দর বাড়ি সবই পড়ে রবে, তোমার করা কৃতকর্মই তোমাকে স্মরণ নেবে যখন তুমি আর থাকবে না এই জনাকীর্ণ ভবে। উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
- আমায় নহেগো, ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান,বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান;চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝে।"সোনার তরী' কবিতার মূল মন্তব্য যেন 'গীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে' কথাটির মধ্যে নিহিত।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- একটা সময় সব অকেজো হয়ে যায়শরীর, মন ও বুদ্ধি।থেমে যায় বুদ্ধিকেউ আর রাখে না মনে তায়।যৌবন থেকে মৃত্যু-অনেক সফল কাজ,কাজগুলো রেখে দাও, শুধু তুমি চলে যাও।“সোনার তরী' কবিতার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য উদ্দীপকে ধরা পড়েছে।"- উক্তিটির সত্যতা বিচার করো।
- সোনার তরী কবিতার পংক্তিসংখ্যা -
- শ্রাবণগগন ঘিরে কী ঘুরে ফিরে?