'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'- কবির এমন অনুভূতির কারণ কী?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সোনার তরী' কবিতায় 'ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই'- কথাটিতে মাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে?
- একটা সময় সব অকেজো হয়ে যায়শরীর, মন ও বুদ্ধি।থেমে যায় বুদ্ধিকেউ আর রাখে না মনে তায়।যৌবন থেকে মৃত্যু-অনেক সফল কাজ,কাজগুলো রেখে দাও, শুধু তুমি চলে যাও।“সোনার তরী' কবিতার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য উদ্দীপকে ধরা পড়েছে।"- উক্তিটির সত্যতা বিচার করো।
- “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি" রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএখনই সহস্র এসে গেছে বারবারশাজাহান আর তাঁর মহারাজ্যপাট'অশোকের সাম্রাজ্যের যত ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছে।নাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।"উদ্দীপকের মূলসুর 'সোনার তরী' কবিতারই প্রতিধ্বনি।"-উক্তিটির পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'সোনার তরী' কবিতায় কবির যে জীবনদর্শনের ইঙ্গিত করা হয়েছে তা আলোচনা করো।
- ছোটো তরি কীসে ভরে গিয়েছে?
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণের শুরুতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অন্যায়ভাবে এবং বিনা করণে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন, গুলি ও রক্তপাত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমঝোতা না করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে হতাহত করেছে। এরূপ রক্তের করুণ ইতিহাস পুরো পাকিস্তানি শাসনকাল জুড়ে বিরাজমান ছিল। সর্বোপরি ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতির পিতা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃক ২৩ বছর যাবৎ পাকিস্তানি শাসকদের বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক কিন্তু ভুলিনি পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ভুলিনি জাতির পিতা ও লাখো শহিদের অবদান।'সোনার তরী' কবিতার বিষয়গত সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- এক সময়ের ডাকসাইটে জমিদার নারায়ণ চৌধুরী প্রজ্ঞা ও প্রতিভায় ছিলেন সবার শীর্ষে। তাঁর জীবনের অর্জিত সম্পদের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে সন্তানদের মানুষ করেছেন তিনি। ছেলে-মেয়েরা ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশে ভালো অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু বৃদ্ধ বাবার খোঁজখবর নেওয়ার সময় নেই তাদের কারও। বার্ধক্যের এই সংকটাপন্ন অবস্থায় তিনি বৃদ্ধাশ্রমেও যাননি সন্তানদের সম্মানের কথা ভেবে। এখন তাঁর সময় কাটে নিজের বাড়িতে একেবারে একা একা।'সৃষ্টিকর্ম সর্বদা মূল্যবান, সৃষ্টিকর্তা নয়'-উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- “মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।” এই লাইনগুলো যেই কবিতার অংশ, সেই কবিতাটি কে লিখেছেন ?
- ‘সোনার তরী' কবিতায় মহাকালের প্রতীক কোনটি?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার পান?
- শিকক্ষ: বাংলাদেশের একটি নান্দনিক স্থাপত্যকর্মেরনাম বলো ।শিক্ষার্থীগণ; বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ।শিক্ষক: সংসদ ভবনের স্থপতি কে?শিক্ষার্থীগণ: জানি না স্যার।শিক্ষক: লুই আই কান। দেখো, তোমরা সৃষ্টিকে চেনো,স্রষ্টাকে নয় । উদ্দীপকের লুই আই কান “সোনার তরী" কবিতারকীসের সাথে তুল্য?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাজী নজরুল ইসলামকে কোন গ্রন্থটি উৎসর্গ করেন?
- মানবজীবনের এক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে কোন শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে?
- 'ভরা নদী ক্ষুরধারা খরপরশা'-বাক্যটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? বর্ণনা করো।
- ”চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।” ‘বাঁকা জল’ কিসের প্রতীক?
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ৬৫০ খ্রি. থেকে চর্যাপদের কাল ধরেছেন। হাজার বছরের অধিক সময় পূর্বে রচিত হওয়ায় পদকর্তাদের জীবন ইতিহাস বিস্তারিত জানা সম্ভব হয় না। রচয়িতাদের পরিচিতি কালের প্রবাহে ধূসর হয়ে গেলেও তাঁদের রচনাগুলোর ভাষা ও বিষয় নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে সমাদৃত।"উদ্দীপকের বিভিন্ন পদকর্তার রচনা 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধানের মতোই।"- মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
- "ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই ছোটো সে তরী"____ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- "গীতাঞ্জলির" ইংরেজি শিরোনাম কোনটি?
- "সােনার তরী" কবিতায় 'বাঁকা জল' বলতে প্রতীকী অর্থে কী বােঝানাে হয়েছে?
- চারিদিকে বাঁকা জল কী করছে?
- 'একখানি ছোট খেত , আমি একেলা' - এর পরের লাইন ঃ
- সোনার তরী' কবিতায় 'শূন্য নদীর তীরে' কে একা পড়ে থাকল?
- "ভরা নদী ক্ষুরধারা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- উদ্দীপকের ‘তুমি’ ‘সোনার তরী' কবিতায় কোনটিরসঙ্গে সংগতিপূর্ণ?
- ‘সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত ?
- আমায় নহে গো ভালোবাসো, শুধু ভালোবাসো মোর গান।বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান।চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে।'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সঙ্গে উদ্দীপকের বনের পাখির তুলনামূলক আলোচনা করো।
- ‘সঞ্চয়িতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?
- 'আমি একেলা'-এখানে 'আমি' কে?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি’-রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
- তুমুল তুঙ্গে তীর-তিরন্দাজ ছুটবে বিজয় রথে সত্য-সপথ সমুন্নত ন্যায়-সংগ্রাম শান্তি পথেশোষণ স্তব্ধ হবে, বিজয় বলয় ছড়িয়ে যাবেদিকে দিকে মুক্তি এলেই প্রভাত ফেরি পাবে।জয় জনতার লাল পতাকার, বিজয় রক্ত পথে শান্তি-সাম্য-মুক্তি আসে জাতীয় ঐক্য ব্রতে।''এক্যবদ্ধ জাতীয় চেতনাই যেকোনো জাতির মুক্তি ও সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত।'- 'বিদ্রোহী' কবিতার এ ভাব উদ্দীপকে প্রতিফলিত হলে তা প্রমাণ করো।
- নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত কাব্যনাট্য?
- ওরে মোর মূঢ় মেয়েকে রে তুই, কোথা হতে কি শক্তি পেয়েকহিলি এমন কথা, এত স্পর্ধা ভরে-'যেতে আমি দেবো না তোমায়।' চরাচরেকাহারে রাখিবি ধরে' দুটি ছোটো হাতে,গরবিনি সংগ্রাম করিবি কার সাথেবসি গৃহদ্বার প্রান্তে প্রান্ত ক্ষুদ্র দেহশুধু লয়ে ওইটুকু বুক ভরা স্নেহ!উদ্দীপকটিতে 'সোনার তরী' কাব্যের গভীর জীবন দর্শনের পরিচয় কতটুকু প্রকাশ পেয়েছে? আলোচনা করো।
- কোনটি একই সঙ্গে বিশেষ্যকে নির্দিষ্ট করে অ বিশেষনের মতো কাজ করে?
- রবীন্দ্রনাথ এর গীতাঞ্জলী কবে প্রকাশিত হয়?
- মানুষের বেঁচে ছিলেন মাত্র একুশ বছর। তাঁর অসাধারণ সৃষ্টিশীলতার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি শুকতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে আছেন।উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার কবিচেতনার আংশিক প্রতিফলন মাত্র- বিশ্লেষণ কর।
- "শ্রাবণ গগণ ঘিরে ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে, শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি" পরের লাইনটি কী?
- কবি নিজেকে কোন সময়ের এলোকেশে ঝড় বলেছেন?
- কোন চরণে কবির দ্বিমুখী নীতির প্রকাশ ঘটেছে?