বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ৬৫০ খ্রি. থেকে চর্যাপদের কাল ধরেছেন। হাজার বছরের অধিক সময় পূর্বে রচিত হওয়ায় পদকর্তাদের জীবন ইতিহাস বিস্তারিত জানা সম্ভব হয় না। রচয়িতাদের পরিচিতি কালের প্রবাহে ধূসর হয়ে গেলেও তাঁদের রচনাগুলোর ভাষা ও বিষয় নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে সমাদৃত।
"উদ্দীপকের বিভিন্ন পদকর্তার রচনা 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধানের মতোই।"- মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কোন দুটি রচনা একই শ্রেণির?
- "শ্রাবণ গগণ ঘিরে ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে, শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি" পরের লাইনটি কী?
- সোনার তরী কবিতায় উল্লিখিত সময়-
- জামিল' সাহেব তার সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে নিজগ্রামে দাতব্য। চিকিৎসালয়সহ নানা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। প্রায় দুই 'যুগ আগে তিনি মারা গেলেও মানুষ তাঁর কৃতকর্মের দ্বারা আজ উপকৃত হচ্ছে।উদ্দীপকের মূলভাব প্রকাশক চরণ-এখন আমারে লহো করুণা করেসকলি দিলাম তুলে থরে বিথরেআমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরিনিচের কোনটি সঠিক?
- মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি হোমের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মারা যান। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।"মাদার তেরেসার জীবনের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'বাঁকা জল' মূলত কীসের প্রতীক?
- ‘সোনার তরী' কবিতায় 'বাকা জল' বলতে কীবোঝানো হয়েছে?
- নানা: আমার বন্ধু বিদ্যানন্দ এ বিখ্যাত বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সমাজের অনেকেই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে তখন ভালো চোখে দেখেননি; সহযোগিতাও করেননি। তবে তিনি দমে যাননি, তিলে তিলে গড়ে তোলেন এ বিদ্যালয়টি। কিন্তু সুনামের সবটুকু সম্মান তাঁর কপালে জুটল না।নাতি: তিনি কোথায়?নানা: তিনি নেই। অথচ তাঁর কর্ম পথ পেয়েছে, তাঁরই অবর্তমানে আমাদের মাঝে।নাতি: কী নিষ্ঠুর পৃথিবীর নিয়ম !উদ্দীপকের বিদ্যানন্দ 'সোনার তরী' কবিতা কার সাথে, কীভাবে সম্পর্কিত?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও দ্রোহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষরা তাঁর লেখায় খুঁজে পান উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। অথচ তাঁর কবিতা ও গান আজও প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস। তাইতো তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন আপামর জনসাধারণের মাঝে।'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি উদ্দীপকের কবির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বুঝিয়ে লেখো।
- কখন হাল ঠিকমতো রাখা ভার?
- রবীন্দ্রনাথের ‘সোনার তরী’ কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা?
- কনফুসিয়াস কে?
- "খেয়া" রবীন্দ্রনাথের একটি-
- 'আমায় নহে গোভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান।বনের পাখিরে কে চিনে রাখেগান হলে অবসান।... ... ... ...চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝেতুমি বুঝিবে না, বুঝিবে না, বুঝিবে নাআলো দিতে কত পোড়েকত প্রদীপের প্রাণ।ভালোবাসো মোর গান।"উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাবকে সম্পূর্ণ ধারণ করে কি?"- তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি হোমের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মারা যান। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টি মাদার তেরেসার জীবনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-এই নদী নক্ষত্রের তলে।সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন-সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!আমি চলে যাব বলেচালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলেনরম গন্ধের ঢেউয়ে?লক্ষ্মীপেঁচা গান গাবে নাকি তার লক্ষ্মীটির তরে?সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!উদ্দীপকে 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- 'চারি দিকে বাঁকা জল'-চরণটিতে কীসের ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- সোনার তরী কবিতার পংক্তিসংখ্যা -