ওরে মোর মূঢ় মেয়ে
কে রে তুই, কোথা হতে কি শক্তি পেয়ে
কহিলি এমন কথা, এত স্পর্ধা ভরে-
'যেতে আমি দেবো না তোমায়।' চরাচরে
কাহারে রাখিবি ধরে' দুটি ছোটো হাতে,
গরবিনি সংগ্রাম করিবি কার সাথে
বসি গৃহদ্বার প্রান্তে প্রান্ত ক্ষুদ্র দেহ
শুধু লয়ে ওইটুকু বুক ভরা স্নেহ!
উদ্দীপকটিতে 'সোনার তরী' কাব্যের গভীর জীবন দর্শনের পরিচয় কতটুকু প্রকাশ পেয়েছে? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।'- চরণটিতে কৃষকের কীরূপ আবেদন প্রকাশিত হয়েছে?
- উদ্দীপকের 'ক' চিত্রের সাথে 'সোনার তরী' কবিতা কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা কর।
- 'শেষাবধি 'মানুষ 'খ' নং চিত্রের শিল্পকর্মের কথাই মনে রাখে, 'ক' নং চিত্রের শিল্পীকে কেউ মনে রাখে না।' উক্তিটির যথার্থতা উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে মূল্যায়ন কর।
- 'আমায় নহে গোভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান।বনের পাখিরে কে চিনে রাখেগান হলে অবসান।... ... ... ... চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝেতুমি বুঝিবে না, বুঝিবে না, বুঝিবে নাআলো দিতে কত পোড়েকত প্রদীপের প্রাণ।ভালোবাসো মোর গান।উদ্দীপকের প্রথমাংশের ভাববস্তু 'সোনার তরী' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- জামিল' সাহেব তার সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে নিজগ্রামে দাতব্য। চিকিৎসালয়সহ নানা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। প্রায় দুই 'যুগ আগে তিনি মারা গেলেও মানুষ তাঁর কৃতকর্মের দ্বারা আজ উপকৃত হচ্ছে। উদ্দীপকের জামিল সাহেবের কীর্তি 'সোনার তরী' কবিতার কীসের প্রতীক
- মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি হোমের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মারা যান। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টি মাদার তেরেসার জীবনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- সোনার তরী' কবিতায় কোন ঋতুর কথা আছে ?
- "যত চাও তত লও তরণী পরে"- 'সোনার তরী' কবিতায় পরের পঙক্তি?
- 'শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বনফুল' প্রকাশিত হয় কত সালে?
- অলখের পাথার বাহিয়া/তরী তার এসেছে কি?-কার তরী?
- 'যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী'- ব্যাখ্যা করো।
- 'মানুষের বেঁচে থাকার আকুলতা চিরন্তন'।-নিচের কোন কবিতায় এ বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- ‘সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা’ রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
- সোনার তরী কবিতার পংক্তিসংখ্যা -
- ‘সোনার তরী' কবিতায় 'বাকা জল' বলতে কীবোঝানো হয়েছে?
- আমায় নহে গো ভালোবাসো, শুধু ভালোবাসো মোর গান।বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান।চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে।'সোনার তরী কবিতার মূল বক্তব্য উদ্দীপকের শেষ চরণের মধ্যে নিহিত'- তোমার মতামত দাও।
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণের শুরুতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অন্যায়ভাবে এবং বিনা করণে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন, গুলি ও রক্তপাত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমঝোতা না করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে হতাহত করেছে। এরূপ রক্তের করুণ ইতিহাস পুরো পাকিস্তানি শাসনকাল জুড়ে বিরাজমান ছিল। সর্বোপরি ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতির পিতা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃক ২৩ বছর যাবৎ পাকিস্তানি শাসকদের বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক কিন্তু ভুলিনি পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ভুলিনি জাতির পিতা ও লাখো শহিদের অবদান।'সোনার তরী' কবিতার বিষয়গত সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- ‘দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?'— চরণটিতে কী বোঝানোহয়েছে?