‘একখানি ছোট ক্ষেত আমি একেলা’– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার চরণ?
A. সোনার তরী
B. চিত্রা
C. মানসী
D. বলাকা
সঠিক উত্তরঃ
A.
সোনার তরী
Explanation: ‘একখানি ছোট ক্ষেত আমি একেলা’ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্হের নামকবিতা ‘সোনার তরী’ কবিতার চরণ। সোনার তরী কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে বসে রচনা করেন। এই সোনার তরী কাব্যগ্রন্থটিরই একটি বিখ্যাত কবিতা ‘বর্ষাযাপন’ এর বিখ্যাত চরণ- “ছোট প্রাণ ছোট ব্যথা, ছোট ছোট দুঃখকথা……অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে, শেষ হয়েও হইলো না শেষ”। মানসী, চিত্রা ও বলাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্হ।
Related Questions (Any University/Year)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার সোনার তরী কবিতা লিখেছেন কোথায় বসে?
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার 'সোনার তরী' কবিতাটি যে স্থানে রচনা করেন-
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।উদ্দীপকের সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথের 'সোনার তরী' কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
- 'সোনার তরী' কবিতায় কোন ঋতুর কথা বলা হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।"কাজী নজরুল ইসলামের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি'-রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- মানুষের বেঁচে ছিলেন মাত্র একুশ বছর। তাঁর অসাধারণ সৃষ্টিশীলতার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি শুকতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে আছেন।উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার কবিচেতনার আংশিক প্রতিফলন মাত্র- বিশ্লেষণ কর।
- 'সোনার তরী' কবিতায় নিরুপায় কে?
- সেইদি?? এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-এই নদী নক্ষত্রের তলে।সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন-সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!আমি চলে যাব বলেচালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলেনরম গন্ধের ঢেউয়ে?লক্ষ্মীপেঁচা গান গাবে নাকি তার লক্ষ্মীটির তরে?সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রকাশিত আক্ষেপ 'সোনার তরী' কবিতার শিল্পস্রষ্টার অসহায়ত্বের দিকটিকে কীভাবে উন্মোচিত করে? বিচার করো।
- 'আমায় নহে গোভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান।বনের পাখিরে কে চিনে রাখেগান হলে অবসান।... ... ... ...চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝেতুমি বুঝিবে না, বুঝিবে না, বুঝিবে নাআলো দিতে কত পোড়েকত প্রদীপের প্রাণ।ভালোবাসো মোর গান।"উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাবকে সম্পূর্ণ ধারণ করে কি?"- তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- 'দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।'- চরণটি বুঝিয়ে লেখো।
- এ কথা জানিতে তুমি ভারত-ঈশ্বর শা-জাহানকালস্রোতে ভেসে যায় জীবন যৌবন ধনমানশুধু তব অন্তরবেদনাচিরন্তন হয়ে থাক, সম্রাটের ছিল এ-সাধনা।হীরামুক্ত মাণিক্যের ঘটাযেন শূন্য দিগন্তের ইন্দ্রজাল ইন্দ্রধনুচ্ছটাযায় যদি লুপ্ত হয়ে যাক,শুধু থাকএক বিন্দু নয়নের জলকালের কপোলতলে শ্রভ্র সমুজ্জল এ তাজমহল।'উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাব ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে।'- মন্তব্যটির আলোকে যাচাই করো।
- নিচের কোন জন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য-মুগ্ধ হয়ে অবাঙালি হওয়া সত্ত্বেও বাংলা ভাষা শিখেছিলেন?
- কখন হাল ঠিকমতো রাখা ভার?
- এক সময়ের ডাকসাইটে জমিদার নারায়ণ চৌধুরী প্রজ্ঞা ও প্রতিভায় ছিলেন সবার শীর্ষে। তাঁর জীবনের অর্জিত সম্পদের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে সন্তানদের মানুষ করেছেন তিনি। ছেলে-মেয়েরা ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশে ভালো অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু বৃদ্ধ বাবার খোঁজখবর নেওয়ার সময় নেই তাদের কারও। বার্ধক্যের এই সংকটাপন্ন অবস্থায় তিনি বৃদ্ধাশ্রমেও যাননি সন্তানদের সম্মানের কথা ভেবে। এখন তাঁর সময় কাটে নিজের বাড়িতে একেবারে একা একা।উদ্দীপকের নারায়ণ চৌধুরীর সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের কোন দিকটির মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি হোমের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মারা যান। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।"মাদার তেরেসার জীবনের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।