‘সঞ্চয়িতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?
A. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B. কাজী নজরুল ইসলাম
C. হাসান হাফিজুর রহমান
D. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তরঃ
A.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation: ‘সঞ্চয়িতা’ (১৯৩১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত কবিতার সংকলন। ‘সন্ধ্যাসঙ্গীত’ কাব্যগ্রন্থ থেকে ‘শেষ লেখা’ পর্যন্ত কবিতাগুলো এতে কালানুক্রমিকভাবে সজ্জিত। উল্লেখ্য, ‘সঞ্চয়িতা’ রবীন্দ্রনাথের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় গ্রন্হ।
Related Questions (Any University/Year)
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএমনই সহস্র এসে গেছে বারবার।শাজাহান আর তাঁর মহারাজ্য, পাটঅশোকের সাম্রাজ্যের ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছেনাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।উদ্দীপকে বর্ণিত চরিত্রগুলোর সঙ্গে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাদৃশ্য কোথায় তা আলোচনা করো।
- কোন চরণে কবির দ্বিমুখী নীতির প্রকাশ ঘটেছে?
- 'সোনার তরী' কবিতায় বাংলা কোন মাসেরউল্লেখ রয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজী শিরােনাম কী?
- 'আর আছে- আর নাই, গিয়াছি ভরে'- অন্তর্নিহিত কারণ ব্যাখ্যা করো।
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণের শুরুতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অন্যায়ভাবে এবং বিনা করণে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন, গুলি ও রক্তপাত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমঝোতা না করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে হতাহত করেছে। এরূপ রক্তের করুণ ইতিহাস পুরো পাকিস্তানি শাসনকাল জুড়ে বিরাজমান ছিল। সর্বোপরি ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতির পিতা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃক ২৩ বছর যাবৎ পাকিস্তানি শাসকদের বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক কিন্তু ভুলিনি পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ভুলিনি জাতির পিতা ও লাখো শহিদের অবদান।'সোনার তরী' কবিতার বিষয়গত সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- রবীন্দ্রনাথের লেখা গ্রন্থ কোনটি?
- সোনার তরী' কবিতায় 'ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই'- কথাটিতে মাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে?
- এক সময়ের ডাকসাইটে জমিদার নারায়ণ চৌধুরী প্রজ্ঞা ও প্রতিভায় ছিলেন সবার শীর্ষে। তাঁর জীবনের অর্জিত সম্পদের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে সন্তানদের মানুষ করেছেন তিনি। ছেলে-মেয়েরা ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশে ভালো অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু বৃদ্ধ বাবার খোঁজখবর নেওয়ার সময় নেই তাদের কারও। বার্ধক্যের এই সংকটাপন্ন অবস্থায় তিনি বৃদ্ধাশ্রমেও যাননি সন্তানদের সম্মানের কথা ভেবে। এখন তাঁর সময় কাটে নিজের বাড়িতে একেবারে একা একা।উদ্দীপকের নারায়ণ চৌধুরীর সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের কোন দিকটির মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- “মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।” এই লাইনগুলো যেই কবিতার অংশ, সেই কবিতাটি কে লিখেছেন ?
- "সোনার তরী" কবিতা নৌকা কিসের প্রতীক?
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ৬৫০ খ্রি. থেকে চর্যাপদের কাল ধরেছেন। হাজার বছরের অধিক সময় পূর্বে রচিত হওয়ায় পদকর্তাদের জীবন ইতিহাস বিস্তারিত জানা সম্ভব হয় না। রচয়িতাদের পরিচিতি কালের প্রবাহে ধূসর হয়ে গেলেও তাঁদের রচনাগুলোর ভাষা ও বিষয় নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে সমাদৃত।"উদ্দীপকের বিভিন্ন পদকর্তার রচনা 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধানের মতোই।"- মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
- বাংলা কবিতার ইতিহাসে 'সোনার তরী তেমনি আশ্চর্যসুন্দর এক কী কবিতা?
- 'শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি হোমের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মারা যান। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।"মাদার তেরেসার জীবনের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘সোনার তরী' কবিতায় কবির আক্ষেপ নিচের কোনপঙক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে?
- "ধান কাটা হল সারা ভরা নদী .......... " শূন্যস্থানে কোনটি হবে?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ?
- সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-এই নদী নক্ষত্রের তলে।সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন-সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!আমি চলে যাব বলেচালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলেনরম গন্ধের ঢেউয়ে?লক্ষ্মীপেঁচা গান গাবে নাকি তার লক্ষ্মীটির তরে?সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!উদ্দীপকে 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।