প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আর
এমনই সহস্র এসে গেছে বারবার।
শাজাহান আর তাঁর মহারাজ্য, পাট
অশোকের সাম্রাজ্যের ঠাটবাট
কিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসে
নিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতে
সময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতে
মানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছে
নাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্ম
কর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।
উদ্দীপকে বর্ণিত চরিত্রগুলোর সঙ্গে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাদৃশ্য কোথায় তা আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- জয়নুল আবেদিন একজন কালজয়ী চিত্রশিল্পী। তাঁর তুলির আঁচড়ে প্রতিফলিত বিভিন্ন বিষয় মানুষকে আজও সমানভাবে আলোড়িত করে।উক্ত সাদৃশ্যের প্রেক্ষিতে বলা যায়-
- পৃথিবীর পুরোনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয় প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়'। 'সোনার তরী' কবিতার সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য-
- 'সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে'- ব্যাখ্যা করো।
- ‘সোনার তরী' কবিতায় 'বাঁকা জল' মূলত কীসেরপ্রতীক?
- 'সোনার তরী' কবিতায় কোন ঋতুর কথা বলা হয়েছে?
- "ভরা নদী ক্ষুরধারা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- কবি 'ছোটো খেত' বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- উদ্দীপকের ‘তুমি’ ‘সোনার তরী' কবিতায় কোনটিরসঙ্গে সংগতিপূর্ণ?
- 'গল্পগুচ্ছে' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কতটি গল্প সংকলিত হয়েছে?
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণের শুরুতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অন্যায়ভাবে এবং বিনা করণে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন, গুলি ও রক্তপাত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমঝোতা না করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে হতাহত করেছে। এরূপ রক্তের করুণ ইতিহাস পুরো পাকিস্তানি শাসনকাল জুড়ে বিরাজমান ছিল। সর্বোপরি ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতির পিতা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃক ২৩ বছর যাবৎ পাকিস্তানি শাসকদের বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক কিন্তু ভুলিনি পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ভুলিনি জাতির পিতা ও লাখো শহিদের অবদান।'সোনার তরী' কবিতার বিষয়গত সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- রবীন্দ্রনাথের সোনার তরীতে মূলত ব্যক্ত হয়েছে
- 'আর আছে- আর নাই, গিয়াছি ভরে'- অন্তর্নিহিত কারণ ব্যাখ্যা করো।
- “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি" রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- কোন চরণে কবির দ্বিমুখী নীতির প্রকাশ ঘটেছে?
- 'সোনার তরী' কবিতায় কোন সময়ের কথা আছে?
- সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'আমি উপড়ি ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব সৃষ্টির মহানন্দে।'- ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন-
- আমায় নহে গো ভালোবাসো, শুধু ভালোবাসো মোর গান।বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান।চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে।'সোনার তরী কবিতার মূল বক্তব্য উদ্দীপকের শেষ চরণের মধ্যে নিহিত'- তোমার মতামত দাও।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার পান?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- সঞ্চয়িতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
- "খেয়া" রবীন্দ্রনাথের একটি-
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'সোনার তরী' কবিতায় মাঝি কিসের বা কার প্রতিক?
- 'ভরা নদী ক্ষুরধারা খরপরশা'-বাক্যটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? বর্ণনা করো।
- 'তরী তার এসেছে কি?' তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়'তরী' কীসের প্রতীক?
- মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি হোমের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মারা যান। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।"মাদার তেরেসার জীবনের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ”চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।” ‘বাঁকা জল’ কিসের প্রতীক?
- 'সোনার তরী' কবিতাটির নামকরণ নিষ্ঠুর মহাকাল রাখা যেত নিচের কোন যুক্তিতে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- 'আমায় নহে গোভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান।বনের পাখিরে কে চিনে রাখেগান হলে অবসান।... ... ... ...চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝেতুমি বুঝিবে না, বুঝিবে না, বুঝিবে নাআলো দিতে কত পোড়েকত প্রদীপের প্রাণ।ভালোবাসো মোর গান।"উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাবকে সম্পূর্ণ ধারণ করে কি?"- তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- 'সোনার তরী' কবিতায় ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই'-১ কথাটিতে মাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে
- চারিদিকে বাঁকা জল কী করছে?
- 'ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই ছোট সে তরী' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ‘দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?'— চরণটিতে কী বোঝানোহয়েছে?
- মানুষের বেঁচে ছিলেন মাত্র একুশ বছর। তাঁর অসাধারণ সৃষ্টিশীলতার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি শুকতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে আছেন।উদ্দীপকের প্রথম বাক্যটি 'সোনার তরী' কবিতার কোন প্রেক্ষিতে সম্পর্কিত? যুক্তি দেখাও।
- “সকলি দিলাম তুলে ......... ।” এ কবিতাংশের শূন্যস্থান পূরনে কী বসবে?