‘সোনার তরী' কবিতায় 'বাঁকা জল' মূলত কীসের
প্রতীক?
A.
কালস্রোতের
B.
কর্মফলের
C.
মহাকালের
D.
আশঙ্কার
সঠিক উত্তরঃ
A.
কালস্রোতের
Explanation:
ধানখেতটির চারদিকে ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা। নদীর বাঁকা জলস্রোতে বেষ্টিত ছোটো খেতটির বিলীন যওয়ার ইঙ্গিত বহন করে বিধায় বাঁকা জল এখানে অনন্ত আলস্রোতের প্রতীক।
Related Questions (Any University/Year)
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।উদ্দীপকের সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কি
- বাংলা কবিতার ইতিহাসে 'সোনার তরী তেমনি আশ্চর্যসুন্দর এক কী কবিতা?
- শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি।' কোন কবিতার চরণ?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ?
- ফসল উৎপাদনকারী কৃষক বলতে কবি কাকে কল্পনা করেছেন?
- 'চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা'- ব্যাখ্যা করো।
- 'যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী'- ব্যাখ্যা করো।
- নানা: আমার বন্ধু বিদ্যানন্দ এ বিখ্যাত বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সমাজের অনেকেই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে তখন ভালো চোখে দেখেননি; সহযোগিতাও করেননি। তবে তিনি দমে যাননি, তিলে তিলে গড়ে তোলেন এ বিদ্যালয়টি। কিন্তু সুনামের সবটুকু সম্মান তাঁর কপালে জুটল না।নাতি: তিনি কোথায়?নানা: তিনি নেই। অথচ তাঁর কর্ম পথ পেয়েছে, তাঁরই অবর্তমানে আমাদের মাঝে।নাতি: কী নিষ্ঠুর পৃথিবীর নিয়ম !'তাঁর কর্ম পথ পেয়েছে, তাঁরই অবর্তমানে আমাদের মাঝে'- উদ্দীপকের এ উক্তির আলোকে 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থ কোথায় বসে রচনা করেন?
- কোনটি একই সঙ্গে বিশেষ্যকে নির্দিষ্ট করে অ বিশেষনের মতো কাজ করে?
- কখন হাল ঠিকমতো রাখা ভার?
- জামিল' সাহেব তার সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে নিজগ্রামে দাতব্য। চিকিৎসালয়সহ নানা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। প্রায় দুই 'যুগ আগে তিনি মারা গেলেও মানুষ তাঁর কৃতকর্মের দ্বারা আজ উপকৃত হচ্ছে। উদ্দীপকের জামিল সাহেবের কীর্তি 'সোনার তরী' কবিতার কীসের প্রতীক
- মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি হোমের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মারা যান। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।"মাদার তেরেসার জীবনের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "ভরা নদী ক্ষুরধারা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- 'শ্রাবণ গগন ঘিরে’ এর পরের চরণ কোনটি?
- 'সোনার তরী' কবিতার ছন্দ-
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কোথায় বসে লেখা?
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ৬৫০ খ্রি. থেকে চর্যাপদের কাল ধরেছেন। হাজার বছরের অধিক সময় পূর্বে রচিত হওয়ায় পদকর্তাদের জীবন ইতিহাস বিস্তারিত জানা সম্ভব হয় না। রচয়িতাদের পরিচিতি কালের প্রবাহে ধূসর হয়ে গেলেও তাঁদের রচনাগুলোর ভাষা ও বিষয় নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে সমাদৃত।"উদ্দীপকের বিভিন্ন পদকর্তার রচনা 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধানের মতোই।"- মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
- সোনার তরী কবিতায় উল্লিখিত সময়-