"ধান কাটা হল সারা ভরা নদী .......... " শূন্যস্থানে কোনটি হবে?
A. গতিধারা
B. স্রোতধারা
C. জলধারা
D. ক্ষুরধারা
সঠিক উত্তরঃ
D.
ক্ষুরধারা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ”চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।” ‘বাঁকা জল’ কিসের প্রতীক?
- “সকলি দিলাম তুলে ......... ।” এ কবিতাংশের শূন্যস্থান পূরনে কী বসবে?
- “মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।” এই লাইনগুলো যেই কবিতার অংশ, সেই কবিতাটি কে লিখেছেন ?
- 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধান আসলে কী?
- নানা: আমার বন্ধু বিদ্যানন্দ এ বিখ্যাত বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সমাজের অনেকেই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে তখন ভালো চোখে দেখেননি; সহযোগিতাও করেননি। তবে তিনি দমে যাননি, তিলে তিলে গড়ে তোলেন এ বিদ্যালয়টি। কিন্তু সুনামের সবটুকু সম্মান তাঁর কপালে জুটল না।নাতি: তিনি কোথায়?নানা: তিনি নেই। অথচ তাঁর কর্ম পথ পেয়েছে, তাঁরই অবর্তমানে আমাদের মাঝে।নাতি: কী নিষ্ঠুর পৃথিবীর নিয়ম !উদ্দীপকের বিদ্যানন্দ 'সোনার তরী' কবিতা কার সাথে, কীভাবে সম্পর্কিত?
- পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়ামসী-মাখা।' এখানে'মসী-মাখা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে -
- 'সোনার তরী' কবিতায় বাংলা কোন মাসেরউল্লেখ রয়েছে?
- কবি নিজেকে কোন সময়ের এলোকেশে ঝড় বলেছেন?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
- পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়া মসী-মাখা।'- এখানে 'মসী-মাখা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতায় “গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে”- কে বলতে কবি কাকে বোঝাতে চেয়েছেন?
- সোনার ধান কীসের প্রতীক?
- কবি 'ছোটো খেত' বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত ?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।উদ্দীপকের সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- মহাকালের প্রতীক তরণিতে ঠাঁই পায় কেবল-
- রবীন্দ্রনাথের 'সোনার তরী' কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- "সােনার তরী” কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'বাঁকা জল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- "ভরা নদী ক্ষুরধারা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত কাব্যনাট্য?
- ‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি’-রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক কোনটি?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা?
- তুমুল তুঙ্গে তীর-তিরন্দাজ ছুটবে বিজয় রথে সত্য-সপথ সমুন্নত ন্যায়-সংগ্রাম শান্তি পথেশোষণ স্তব্ধ হবে, বিজয় বলয় ছড়িয়ে যাবেদিকে দিকে মুক্তি এলেই প্রভাত ফেরি পাবে।জয় জনতার লাল পতাকার, বিজয় রক্ত পথে শান্তি-সাম্য-মুক্তি আসে জাতীয় ঐক্য ব্রতে।''এক্যবদ্ধ জাতীয় চেতনাই যেকোনো জাতির মুক্তি ও সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত।'- 'বিদ্রোহী' কবিতার এ ভাব উদ্দীপকে প্রতিফলিত হলে তা প্রমাণ করো।
- আধুনিক বাংলা কবিতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন কবি মাইকেল মধূসুদন দত্ত। অমিত্রাক্ষরের ছন্দ ব্যবহার করে তিনি বাংলা কবিতাকে মুক্তি দিয়েছেন। আজ তিনি নেই কিন্তু তাঁর সৃষ্টিকর্ম আছে ও থাকবে।'আজ তিনি নেই কিন্তু তাঁর সৃষ্টিকর্ম আছে ও থাকবে'- 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণের শুরুতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অন্যায়ভাবে এবং বিনা করণে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন, গুলি ও রক্তপাত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমঝোতা না করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে হতাহত করেছে। এরূপ রক্তের করুণ ইতিহাস পুরো পাকিস্তানি শাসনকাল জুড়ে বিরাজমান ছিল। সর্বোপরি ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতির পিতা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃক ২৩ বছর যাবৎ পাকিস্তানি শাসকদের বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক কিন্তু ভুলিনি পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ভুলিনি জাতির পিতা ও লাখো শহিদের অবদান।'সোনার তরী' কবিতার বিষয়গত সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএখনই সহস্র এসে গেছে বারবারশাজাহান আর তাঁর মহারাজ্যপাট'অশোকের সাম্রাজ্যের যত ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছে।নাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাথে উদ্দীপকের ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোর তুলনামূলক আলোচনা করো।
- সোনার তরী' কবিতায় কোন ঋতুর কথা আছে ?
- পৃথিবীর পুরোনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয় প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়'। 'সোনার তরী' কবিতার সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য-
- 'সোনার তরী' কবিতায় 'সোনার ধান' কথাট?? ব্যবহৃত হয়েছে-
- 'সোনার তরী' কবিতায় কোন সময়ের কথা আছে?
- 'তরুছায়ামসীমাখা' কোন রঙের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- ‘সোনার তরী' কবিতায় কবির আক্ষেপ নিচের কোনপঙক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে?
- পার্থিব ও ক্ষণস্থায়ী জীবনের জন্য আমরা কত কিছুই না করি। ভালোমন্দ ভুলে দিয়ে নানান কাজে জড়িয়ে পড়ছি। এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনই ঠিক হবে, সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন, চলে যেতে হবে'। আমরা আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে এ ক্ষণস্থায়ী জীবনের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে যাই। টাকাকড়ি সুন্দর বাড়ি সবই পড়ে রবে, তোমার করা কৃতকর্মই তোমাকে স্মরণ নেবে যখন তুমি আর থাকবে না এই জনাকীর্ণ ভবে। উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- সেইদি?? এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-এই নদী নক্ষত্রের তলে।সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন-সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!আমি চলে যাব বলেচালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলেনরম গন্ধের ঢেউয়ে?লক্ষ্মীপেঁচা গান গাবে নাকি তার লক্ষ্মীটির তরে?সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রকাশিত আক্ষেপ 'সোনার তরী' কবিতার শিল্পস্রষ্টার অসহায়ত্বের দিকটিকে কীভাবে উন্মোচিত করে? বিচার করো।
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?