‘সঞ্চয়িতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?
A. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
C. কাজী নজরুল ইসলাম
D. জসীমউদ্দীন
সঠিক উত্তরঃ
A.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১ খ্রি.) অন্যতম কাব্য সংকলন হলো ‘সঞ্চয়িতা’। কবি সত্যন্দ্রনাথ দত্তের (১৮৮২-১৯২২ খ্রি.) উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো ‘বেণু ও বীণা’, ‘কুহু ও কেকা’, ‘সন্ধিক্ষণ’ ইত্যাদি। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের (১৮৯৯-১৯৭৬ খ্রি.) কাব্য সংকলন হলো ‘সঞ্চিতা’। পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের (১৯০৩-১৯৭৬ খ্রি). কাব্য হলো ‘রাখালী’, ‘বালুচর’, ‘ধানক্ষেত’, ‘মাটির কান্না’, ‘সুচয়নী’ ও ‘রূপবতী’।
Related Questions (Any University/Year)
- 'সোনার তরী' কবিতায় ঠাই নাই, ঠাঁই নাই'— কথাটিতেমাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে?
- বারেক' শব্দের অর্থ কী?
- ‘সােনার তরী' কবিতায় আমি একেলা' বলতে বােঝানাে হয়েছেক.
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য প্রকাশিত হয় কত সনে?
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণের শুরুতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অন্যায়ভাবে এবং বিনা করণে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন, গুলি ও রক্তপাত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমঝোতা না করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে হতাহত করেছে। এরূপ রক্তের করুণ ইতিহাস পুরো পাকিস্তানি শাসনকাল জুড়ে বিরাজমান ছিল। সর্বোপরি ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতির পিতা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃক ২৩ বছর যাবৎ পাকিস্তানি শাসকদের বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক কিন্তু ভুলিনি পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ভুলিনি জাতির পিতা ও লাখো শহিদের অবদান।উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতা অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গভীর জীবনদর্শন বিশ্লেষণ করো।
- 'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'- কবির এমন অনুভূতির কারণ কী?
- জামিল' সাহেব তার সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে নিজগ্রামে দাতব্য। চিকিৎসালয়সহ নানা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। প্রায় দুই 'যুগ আগে তিনি মারা গেলেও মানুষ তাঁর কৃতকর্মের দ্বারা আজ উপকৃত হচ্ছে। উদ্দীপকের জামিল সাহেবের কীর্তি 'সোনার তরী' কবিতার কীসের প্রতীক
- বাঁকা জল কীসের প্রতীক?
- 'পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়া মসী-মাখা।'- এখানে'মসী-মাখা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- "শ্রাবণ গগণ ঘিরে ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে, শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি" পরের লাইনটি কী?
- ওরে মোর মূঢ় মেয়েকে রে তুই, কোথা হতে কি শক্তি পেয়েকহিলি এমন কথা, এত স্পর্ধা ভরে-'যেতে আমি দেবো না তোমায়।' চরাচরেকাহারে রাখিবি ধরে' দুটি ছোটো হাতে,গরবিনি সংগ্রাম করিবি কার সাথেবসি গৃহদ্বার প্রান্তে প্রান্ত ক্ষুদ্র দেহশুধু লয়ে ওইটুকু বুক ভরা স্নেহ!"সোনার তরী' কবিতার ভাববস্তু আলোচ্য উদ্দীপকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়নি"-আলোচনা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থ কোথায় বসে রচনা করেন?
- 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধান আসলে কী?
- “ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোটো সে তরী/আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।" এখানে ‘সোনার ধান' বলতে কবি ব্যঞ্জনার্থে কী বুঝিয়েছেন?
- শ্রাবণগগন ঘিরে কী ঘুরে ফিরে?
- 'সোনার তরী' কবিতায় 'সোনার ধান' কথাট?? ব্যবহৃত হয়েছে-
- 'সোনার তরী' কবিতায় উল্লিখিত 'ভাড়া ভাড়া' শব্দদ্বয়ের অর্থ কী?
- কোনটি একই সঙ্গে বিশেষ্যকে নির্দিষ্ট করে অ বিশেষনের মতো কাজ করে?
- "যত চাও তত লও তরণী পরে"- 'সোনার তরী' কবিতায় পরের পঙক্তি?
- ‘সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা’ রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
- ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোটো সে তরী, আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি'- ব্যাখ্যা করো।
- ‘সোনার তরী' কবিতার মূলভাব ফুটে উঠেছেকোন চরণে?
- রবীন্দ্রনাথের লেখা গ্রন্থ কোনটি?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'গল্পগুচ্ছে' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কতটি গল্প সংকলিত হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও দ্রোহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষরা তাঁর লেখায় খুঁজে পান উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। অথচ তাঁর কবিতা ও গান আজও প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস। তাইতো তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন আপামর জনসাধারণের মাঝে।'কর্মী নয়, কর্মই অবিনশ্বর'-উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ‘সোনার তরী' কবিতায় 'বাঁকা জল' মূলত কীসেরপ্রতীক?
- শ্রাবণগগন ঘিরে কী ঘুরে?
- 'আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও দ্রোহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষরা তাঁর লেখায় খুঁজে পান উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। অথচ তাঁর কবিতা ও গান আজও প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস। তাইতো তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন আপামর জনসাধারণের মাঝে।'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি উদ্দীপকের কবির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বুঝিয়ে লেখো।
- সোনার তরী' কবিতায় ধান কাটা শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে কী প্রকাশ পেয়েছে-
- মানবজীবনের এক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে কোন শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে?
- জয়নুল আবেদিন একজন কালজয়ী চিত্রশিল্পী। তাঁর তুলির আঁচড়ে প্রতিফলিত বিভিন্ন বিষয় মানুষকে আজও সমানভাবে আলোড়িত করে।জয়নুল আবেদিনের সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কার সাদৃশ্য রয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি নাটক?
- মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।'সময়ে সব হারিয়ে যায়' কথাটি 'সোনার তরী' কবিতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ তা বিশ্লেষণ কর।
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার 'সোনার তরী' কবিতাটি যে স্থানে রচনা করেন-
- 'ভরা নদী ক্ষুরধারা খরপরশা'-বাক্যটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? বর্ণনা করো।