'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
A.
মাত্রাবৃত্ত
B.
অক্ষরবৃত্ত
C.
সমিল প্রবহমান অক্ষরবৃত্ত
D.
যতি স্বাধীন অক্ষরবৃত্ত
সঠিক উত্তরঃ
A.
মাত্রাবৃত্ত
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বনফুল' প্রকাশিত হয় কত সালে?
- ‘ব্যক্ত প্রেম’ ও ‘গুপ্ত প্রেম’ কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- শ্রাবণগগন ঘিরে কী ঘুরে ফিরে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থ কোথায় বসে রচনা করেন?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও দ্রোহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষরা তাঁর লেখায় খুঁজে পান উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। অথচ তাঁর কবিতা ও গান আজও প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস। তাইতো তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন আপামর জনসাধারণের মাঝে।'কর্মী নয়, কর্মই অবিনশ্বর'-উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে'- এখানে তুমি কে?
- ‘সোনার তরী' কবিতায় 'বাকা জল' বলতে কীবোঝানো হয়েছে?
- মানুষ মরণশীল এ সত্য 'চিরন্তন' কিন্তু মানুষের মানুষের কর্ম অমর। কর্ম দিয়ে কালে কালে মানুষ জগতের মধ্যে চিরন্তন হয়ে আছে। শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রে অসংখ্য শিল্পী-সাহিত্যিক, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অসংখ্য বিজ্ঞানী, চিন্তার ক্ষেত্রে অসংখ্য চিন্তক-দার্শনিক তাঁদের জ্ঞান- বুদ্ধি-শক্তি-শ্রম সর্বোপরি মহৎ কর্ম দিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর করে গেছেন। শারীরিকভাবে তাঁদের দেহাবসান হলেও কর্ম টিকে আছে। প্রতিনিয়ত তাঁদের কর্মের দানে সমৃদ্ধ হচ্ছেপৃথিবীর মানুষ। কালের গহ্বরে কেবল কর্মী হারায়, কর্ম হারায় না।'সোনার তরী' কবিতার মূলভাবের কোন অংশের সাথে উদ্দীপকের বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ?- ব্যাখ্যা করো।
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএখনই সহস্র এসে গেছে বারবারশাজাহান আর তাঁর মহারাজ্যপাট'অশোকের সাম্রাজ্যের যত ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছে।নাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।"উদ্দীপকের মূলসুর 'সোনার তরী' কবিতারই প্রতিধ্বনি।"-উক্তিটির পক্ষে যুক্তি দাও।
- আমায় নহেগো, ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান,বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান;চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝে।"সোনার তরী' কবিতার মূল মন্তব্য যেন 'গীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে' কথাটির মধ্যে নিহিত।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।'সময়ে সব হারিয়ে যায়' কথাটি 'সোনার তরী' কবিতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ তা বিশ্লেষণ কর।
- ‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি’-রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'আমি একেলা'- এখানে আমি কে?
- 'তরুছায়ামসীমাখা' কোন রঙের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএমনই সহস্র এসে গেছে বারবার।শাজাহান আর তাঁর মহারাজ্য, পাটঅশোকের সাম্রাজ্যের ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছেনাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।উদ্দীপকের মূলসুর 'সোনার তরী' কবিতারই প্রতিধ্বনি।”- মন্তব্যটি যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোট সে সে তরীআমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।'- ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও দ্রোহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষরা তাঁর লেখায় খুঁজে পান উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। অথচ তাঁর কবিতা ও গান আজও প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস। তাইতো তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন আপামর জনসাধারণের মাঝে।'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি উদ্দীপকের কবির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বুঝিয়ে লেখো।
- চারিদিকে বাঁকা জল কী করছে?
- শিল্পচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ অবলম্বনে অঙ্কন করেন উপরের চিত্রটিসহ অসংখ্য চিত্র যেগুলো 'দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা' নামে দেশ-বিদেশে সাড়া জাগায় এবং তাঁকে অমর করে তোলে।'মানুষ বাঁচে তাঁর কর্মে, বয়সে নয়।'- উদ্দীপকের-চিত্র ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।