'বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।'- চরণটিতে কৃষকের কীরূপ আবেদন প্রকাশিত হয়েছে?
A.
নির্দেশ
B.
অনুনয়
C.
নিবেদন
D.
আদেশ
সঠিক উত্তরঃ
B.
অনুনয়
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "সোনার তরী" কবিতাভুক্ত 'ভরা পালে চলে যায়’ - এই চরণের পরের চরণ কোনটি?
- 'সোনার তরী' কবিতায় 'ঘন বরষা' বলতে কী বোঝানোহয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার সোনার তরী কবিতা লিখেছেন কোথায় বসে?
- 'শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- সঞ্চয়িতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থ কোথায় বসে রচনা করেন?
- 'শ্রাবণ গগন ঘিরে’ এর পরের চরণ কোনটি?
- উদ্দীপকের শেষ চরণের সঙ্গে নিচের কোনচরণটি সমার্থবোধক?
- "সােনার তরী” কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- আমায় নহেগো, ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান,বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান;চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝে।উদ্দীপকের বনের পাখির সাথে 'সোনার তরী' কবিতায় কার সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি হোমের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মারা যান। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টি মাদার তেরেসার জীবনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- এ কথা জানিতে তুমি ভারত-ঈশ্বর শা-জাহানকালস্রোতে ভেসে যায় জীবন যৌবন ধনমানশুধু তব অন্তরবেদনাচিরন্তন হয়ে থাক, সম্রাটের ছিল এ-সাধনা।হীরামুক্ত মাণিক্যের ঘটাযেন শূন্য দিগন্তের ইন্দ্রজাল ইন্দ্রধনুচ্ছটাযায় যদি লুপ্ত হয়ে যাক,শুধু থাকএক বিন্দু নয়নের জলকালের কপোলতলে শ্রভ্র সমুজ্জল এ তাজমহল।সম্রাট শাহজাহানের সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিন্তা-চেতনার মিল দেখাও।
- শিল্পচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ অবলম্বনে অঙ্কন করেন উপরের চিত্রটিসহ অসংখ্য চিত্র যেগুলো 'দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা' নামে দেশ-বিদেশে সাড়া জাগায় এবং তাঁকে অমর করে তোলে।চিত্রটি 'সোনার তরী'র সঙ্গে কীভাবে সংগতিপূর্ণ তা বর্ণনা করো।
- মানুষের বেঁচে ছিলেন মাত্র একুশ বছর। তাঁর অসাধারণ সৃষ্টিশীলতার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি শুকতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে আছেন।উদ্দীপকের প্রথম বাক্যটি 'সোনার তরী' কবিতার কোন প্রেক্ষিতে সম্পর্কিত? যুক্তি দেখাও।
- "গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারেদেখে যেনো মনে হয় চিনি উপারে"-কোন কবিতার অংশ?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'সোনার তরী' কবিতায় 'সোনার ধান' কথাট?? ব্যবহৃত হয়েছে-
- রবীন্দ্রনাথের লেখা গ্রন্থ কোনটি?
- পার্থিব ও ক্ষণস্থায়ী জীবনের জন্য আমরা কত কিছুই না করি। ভালোমন্দ ভুলে দিয়ে নানান কাজে জড়িয়ে পড়ছি। এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনই ঠিক হবে, সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন, চলে যেতে হবে'। আমরা আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে এ ক্ষণস্থায়ী জীবনের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে যাই। টাকাকড়ি সুন্দর বাড়ি সবই পড়ে রবে, তোমার করা কৃতকর্মই তোমাকে স্মরণ নেবে যখন তুমি আর থাকবে না এই জনাকীর্ণ ভবে। উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার মর্মার্থকে ধারণ করে কি? 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।'সময়ে সব হারিয়ে যায়' কথাটি 'সোনার তরী' কবিতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ তা বিশ্লেষণ কর।
- এ কথা জানিতে তুমি ভারত-ঈশ্বর শা-জাহানকালস্রোতে ভেসে যায় জীবন যৌবন ধনমানশুধু তব অন্তরবেদনাচিরন্তন হয়ে থাক, সম্রাটের ছিল এ-সাধনা।হীরামুক্ত মাণিক্যের ঘটাযেন শূন্য দিগন্তের ইন্দ্রজাল ইন্দ্রধনুচ্ছটাযায় যদি লুপ্ত হয়ে যাক,শুধু থাকএক বিন্দু নয়নের জলকালের কপোলতলে শ্রভ্র সমুজ্জল এ তাজমহল।'উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাব ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে।'- মন্তব্যটির আলোকে যাচাই করো।
- 'চারি দিকে বাঁকা জল'-চরণটিতে কীসের ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ওরে মোর মূঢ় মেয়েকে রে তুই, কোথা হতে কি শক্তি পেয়েকহিলি এমন কথা, এত স্পর্ধা ভরে-'যেতে আমি দেবো না তোমায়।' চরাচরেকাহারে রাখিবি ধরে' দুটি ছোটো হাতে,গরবিনি সংগ্রাম করিবি কার সাথেবসি গৃহদ্বার প্রান্তে প্রান্ত ক্ষুদ্র দেহশুধু লয়ে ওইটুকু বুক ভরা স্নেহ!উদ্দীপকটিতে 'সোনার তরী' কাব্যের গভীর জীবন দর্শনের পরিচয় কতটুকু প্রকাশ পেয়েছে? আলোচনা করো।
- গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ সম্পাদনা করেছেন-
- 'ধান কাটা হলো সারা' চরণটির মাধ্যমে কোন ভাবপ্রকাশ পেয়েছে?
- ' যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনাবু তরী।" এখানে কী ব্যক্ত হয়েছে?
- কবি 'ছোটো খেত' বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি নাটক?
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ৬৫০ খ্রি. থেকে চর্যাপদের কাল ধরেছেন। হাজার বছরের অধিক সময় পূর্বে রচিত হওয়ায় পদকর্তাদের জীবন ইতিহাস বিস্তারিত জানা সম্ভব হয় না। রচয়িতাদের পরিচিতি কালের প্রবাহে ধূসর হয়ে গেলেও তাঁদের রচনাগুলোর ভাষা ও বিষয় নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে সমাদৃত।"উদ্দীপকের পদরচয়িতাগণ এবং 'সোনার তরী' কবিতার কৃষক যেন একই নিয়তির শিকার।"- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- ‘সোনার তরী' কবিতায় মহাকালের প্রতীক কোনটি?
- ‘সোনার তরী' কবিতায় 'বাঁকা জল' মূলত কীসেরপ্রতীক?
- কোন চরণে কবির দ্বিমুখী নীতির প্রকাশ ঘটেছে?
- 'বারেক ভিড়াও কুলেতে তরী এসে'। কাকে আহ্বান করা হয়েছে?
- কৃষক সব ধান সোনার তরিতে তুলে দেয় কেন?
- ‘সোনার তরী' কবিতায় তরীটি কিসে বোঝাই?
- 'সোনার ধান' কীসের প্রতীক?
- 'ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে'- এখানে তুমি কে?
- আমায় নহেগো, ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান,বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান;চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝে।"সোনার তরী' কবিতার মূল মন্তব্য যেন 'গীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে' কথাটির মধ্যে নিহিত।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।