নিচের কোন গ্রন্থ সমূহ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত নয়?
A. কপালকুণ্ডলা, বিষবৃক্ষ, রঙ্গমঞ্চ প্রবন্ধ
B. কৃষ্ণকান্ত, রাজসিংহ, দুর্গেশনন্দিনী
C. দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা, বিচিত্র প্রবন্ধ
D. বিষবৃক্ষ, কমলাকান্তের দপ্তর, লোকরহস্য
JUUnit-CSet-1বাংলা সাহিত্যবাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা, বিচিত্র প্রবন্ধ
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এই প্রশ্নে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত গ্রন্থ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে 'কপালকুণ্ডলা', 'বিষবৃক্ষ', 'রঙ্গমঞ্চ প্রবন্ধ' এবং অন্যান্য বইয়ের বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. কপালকুণ্ডলা, বিষবৃক্ষ, রঙ্গমঞ্চ প্রবন্ধ: সঠিক নয়, কারণ 'রঙ্গমঞ্চ প্রবন্ধ' বঙ্কিমচন্দ্র রচনা করেননি। B. কৃষ্ণকান্ত, রাজসিংহ, দুর্গেশনন্দিনী: ভুল, এইগুলোও বঙ্কিমচন্দ্রের বই, তবে 'দুর্গেশনন্দিনী' এরকম নয়। C. দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা, বিচিত্র প্রবন্ধ: সঠিক, এই গ্রন্থগুলি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা। D. বিষবৃক্ষ, কমলাকান্তের দপ্তর, লোকরহস্য: ভুল, বঙ্কিমচন্দ্রের কোনো বই নয়। নোট: 'দুর্গেশনন্দিনী' এবং 'কপালকুণ্ডলা' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিশিষ্ট রচনাবলী, কিন্তু 'রঙ্গমঞ্চ প্রবন্ধ' তাঁর রচনা নয়।
Related Questions (Any University/Year)
- যুবাইরের বক্তব্যের সাথে 'পল্লি সাহিত্য' প্রবন্ধের কোন বাক্যের মিল রয়েছে?
- বেগম রোকেয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ হচ্ছে-
- রত্না আক্তারের মানসিকতায় ফুটে উঠা 'পল্লি সাহিত্য' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয় হলোi. বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যপ্রীতিii. নতুন প্রজন্মকে সঠিক পথ নির্দেশiii. আধুনিকতার স্রোতে গা ভাসানোনিচের কোনটি সঠিক?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: যখন আমরা রাজকন্যা, রাজবধূরূপে প্রাসাদে থাকি, তখনও প্রভু-গৃহে থাকি। আবার যখন ঐ প্রাসাদতুল্য ত্রিতল অট্টালিকা ভূমিকম্পে চূর্ণ হয়, সোপান অতিক্রম করিয়া অবতরণ কালে আমাদের মাথা ভাঙ্গে, হাত পা ভাঙ্গে রক্তাক্ত কলেবরে হতজ্ঞান প্রায় অবস্থায় গোশালায় গিয়া আশ্রয় লই, তখনও অভিভাবকদের বাটীতে থাকি!! অথবা গৃহস্থের বৌ-ঝি রূপে প্রকাণ্ড আটচালায় বাস করিলেও প্রভুর আলয়ে থাকি; আর যখন চৈত্র মাসে ঘোর অমানিশীথে প্রভুর বাটীতে দুষ্টুলোক কর্তৃক লঙ্কাকাণ্ডের অভিনয় হয়, সব জিনিসপত্রসহ ঘরগুলি দাউদাউ করিয়া জ্বলিতে থাকে, আমরা একবসনে প্রাণটি হাতে করিয়া কোনোমতে দৌড়াইয়া গিয়া দূরস্থিত একটা কুলগাছতলে দাঁড়াইয়া কাঁপিতে থাকি, তখনও অভিভাবকের বাটীতে থাকি!!! ক. 'প্রভু-গৃহ' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? দুর্যোগ-দুর্ঘটনায়ও নারী প্রভু-গৃহে থাকতে বাধ্য হয় কেন? খ. 'লঙ্কাকাণ্ডে'র কথা কোন কাহিনিতে পাওয়া যায়? কীভাবে এই লঙ্কাকাণ্ড সংঘটিত হয়? গ. 'উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, অর্থদ্যোতকতা আছে।' ব্যাখ্যা কর এবং অনুচ্ছেদ থেকে উপসর্গযোগে গঠিত দুটি শব্দ লেখ। ঘ. শব্দার্থ লেখ: সোপান, কলেবর, অমানিশীথ, বসন। ঙ. 'গৃহ' শব্দের চারটি প্রতিশব্দ লেখ।
- লেখক ও পাঠকের মধ্যে এখন স্কূল মাস্টার দন্ডায়মান এ কথাটি বলেছেন-
- মানুষের মঙ্গল অথবা সৌন্দর্য সৃষ্টি ব্যতিরেকে যারা অন্য উদ্দেশ্যে লিখে থাকেন, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে তারা কাদের সঙ্গে তুলনীয়?
- কোন উপন্যাসগুচ্ছ বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের?
- 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' রচনার শুরুতে লেখক কীসের জন্য লিখতে নিষেধ করেছেন?
- বেগম রোকেয়ার মতে নারী শিক্ষার লক্ষ্য--
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং 1-4 নং প্রশ্নের উত্তর দাও: সূর্য যেন গনগনে চুল্লি । মাটি ফাটছে, শুকিয়ে আসছে জল। আকাশের অনন্ত থেকে ঝরে পড়ছে আগুনের হলকা। আবার ঝড়ের তাণ্ডবে খড়ের কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে সমস্ত উষ্ণতা। রুদ্র বৈশাখ। ‘ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল। তারই কাছে অনেকের প্রার্থনা, ‘এই প্রথম দিবসে রঙে রূপে জমে ওঠে আড়ং ও উৎসব।অনুচ্ছেদটির প্রথম বাক্যে ব্যবহৃত হয়েছে :
- "রাজনীতির.... ইতিহাসের...... নীতির এবং ধর্মের --- এইসব জিনিসে সাহিত্যের বাজার ছেয়ে গেছে।"
- লেখক প্রমথ চৌধুরী শখ হিসেবে বাঙালি জাতিকে বই পড়ার পরামর্শ দিতে চান না কেন?
- শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করার সময় বলেন, সাহিত্য ভাব ও আনন্দের ব্যাপার, শিক্ষা জ্ঞানের ব্যাপার। যিনি সাহিত্য থেকে লাভ চান, তার কাছে সাহিত্যের মূল্য নেই। - সাহিত্যে খেলা প্রবন্ধ অনুসারে কোন বক্তব্য উদ্দীপককে সমর্থন করে?
- ‘মনুষ্যত্বের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গেই দেবতার উপলব্ধি........ হতে থাকে, অন্তত হওয়া উচিত। হয় না যে তার কারণ, ...... সব কিছুকেই আমরা নিত্য বলে ধরে নিয়েছি। ভুলে যাই যে, ধর্মের .... আদর্শকে শ্রদ্ধা করি বলেই ধর্মমতকেও নিত্য বলে স্বীকার করতে হবে এমন কথা বলা চলে না।' শূন্যস্থানে কোন শব্দগুচ্ছ স্থাপন করলে সুস্পষ্ট অর্থ তৈরি হবে?
- বই কেনা গল্পে সৈয়দ মুজতবা আলী যে অভিমত ব্যক্ত করেছেন থদনুযায়ী ভেবে চিন্তে অগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনা করে বই কেনে-
- বেগম রোকেয়া তাঁর প্রবন্ধে কোন দুই দলকে অলস বলেছেন?
- "সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত" উক্তিটি কার?
- অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে।' উক্তিটির লেখক কে?
- ‘ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে,উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালিই পড়ে’- এ উক্তিটি করেছেন?
- নিচের কোন গ্রন্থসমূহ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত নয়?
- তরুলতা যেমন বৃষ্টির সাহায্যে প্রার্থী মেঘ ও সেইরূপ তরুর সাহায্যে চায় উক্তিটি রচয়িতা
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ইংরেজি উপন্যাস-
- 'বই কেনা ' রচনায় সর্বপ্রকার বিবেক বিবর্জিত বলা হয়েছে-
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস কোনটি?
- বাড়ি যেতে হয় আপনি যান। ও যাবে না। - একুশের গল্পে কথাটি বলেছিল-
- 'বিংশ শতাব্দীর সভ্যতা -ছাপাখানাই সৃষ্টি'-উক্তিটি কার?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং 1-4 নং প্রশ্নের উত্তর দাও: সূর্য যেন গনগনে চুল্লি । মাটি ফাটছে, শুকিয়ে আসছে জল। আকাশের অনন্ত থেকে ঝরে পড়ছে আগুনের হলকা। আবার ঝড়ের তাণ্ডবে খড়ের কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে সমস্ত উষ্ণতা। রুদ্র বৈশাখ। ‘ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল। তারই কাছে অনেকের প্রার্থনা, ‘এই প্রথম দিবসে রঙে রূপে জমে ওঠে আড়ং ও উৎসব।‘আড়ং' শব্দের অর্থ কী?
- অতএব সপ্রমাণ হলো জ্ঞানার্জন ধনার্জনের চেয়ে মহোত্তম । কার বক্তব্য ?
- বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাসের নাম কি?
- সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারাে মনােরঞ্জন করা বক্তব্যটি কার?
- কোন পত্রিকা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত?
- দূর ব্যাটা হতভাগা। ভাষার কথা প্রবন্ধস্থিত বাক্যটির ভার-
- কারও মনোরঞ্জন করা সাহিত্যের কাজ না এ মন্তব্য করেছেণ-
- 'অর্থলোভের আশায় লিখলে' কি ঘটে?
- মন উচুতেও উঠতে চায়, নিচুতেও নামতে চায়।এ বক্তব্য কোন লেখকের?
- 'রচনার শিল্পগুণ' প্রবন্ধটি কার লেখা?
- “কাব্যরস নামক অমৃতে যে আমাদের অরুচি জন্মেছে, তার জন্য দায়ী। যুগের স্কুল এবং তার মাস্টার।”- এ মন্তব্য করেছেন?
- 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?' উক্তিটি কে করেছিলেন?
- কোনটি বঙ্কিমচন্দ্রের রচনা?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং 1-4 নং প্রশ্নের উত্তর দাও: সূর্য যেন গনগনে চুল্লি । মাটি ফাটছে, শুকিয়ে আসছে জল। আকাশের অনন্ত থেকে ঝরে পড়ছে আগুনের হলকা। আবার ঝড়ের তাণ্ডবে খড়ের কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে সমস্ত উষ্ণতা। রুদ্র বৈশাখ। ‘ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল। তারই কাছে অনেকের প্রার্থনা, ‘এই প্রথম দিবসে রঙে রূপে জমে ওঠে আড়ং ও উৎসব।অনুচ্ছেদটির মূলভাব-