বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে কোনটি প্রায় 50%?
CVASUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনজীবভুমি বা বায়োম (Topic Practice)CVASU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
CO2
Explanation:

Another Explanation (5):
বিশ্ব উষ্ণায়নে কার্বন ডাই অক্সাইডের ভূমিকা (প্রায় ৫০%)
বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) প্রায় 50% ভূমিকার জন্য দায়ী। এর প্রধান কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
কার্বন ডাই অক্সাইড: প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস 🏭
- উৎপত্তি: CO2 প্রধানত জীবাশ্ম জ্বালানি (যেমন: কয়লা ⛽, পেট্রোল 🛢️, প্রাকৃতিক গ্যাস 💨) পোড়ানোর ফলে উৎপন্ন হয়। এছাড়াও, বনভূমি ধ্বংসের 🌳🔥 কারণে এবং কিছু শিল্প প্রক্রিয়ার মাধ্যমেও এটি নির্গত হয়।
- স্থায়িত্ব: CO2 বায়ুমণ্ডলে দীর্ঘ সময় ধরে (শত বছর পর্যন্ত) টিকে থাকতে পারে, যার ফলে এর উষ্ণতা ধরে রাখার ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হয়।
- পরিমাণ: অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাসের তুলনায় বায়ুমণ্ডলে CO2-এর পরিমাণ অনেক বেশি। শিল্প বিপ্লবের পর থেকে এর পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে।📈
CO2-এর প্রভাব 🌡️
CO2 সূর্যের তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে তোলে। এই কারণে:
- বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় 🌍🔥।
- জলবায়ু পরিবর্তন ঘটে 🌧️➡️🏜️।
- সমুদ্রের জলস্তর বাড়ে 🌊⬆️।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের (যেমন: বন্যা 🌊, খরা ☀️, ঘূর্ণিঝড় 🌪️) প্রকোপ বাড়ে।
গ্রিনহাউস গ্যাসের অবদান (আনুমানিক)
| গ্রিনহাউস গ্যাস | অবদান (%) |
|---|---|
| কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) | 50% (প্রায়) |
| মিথেন (CH4) | 18% |
| নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) | 6% |
| ওজোন (O3) | 13% |
| CFCs এবং অন্যান্য গ্যাস | 13% |
নোট: এই শতাংশগুলি আনুমানিক এবং বিভিন্ন গবেষণা অনুসারে পরিবর্তিত হতে পারে।
করণীয় 🤝
বিশ্ব উষ্ণায়ন কমাতে CO2-এর নির্গমন কমানো অত্যন্ত জরুরি। এর জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে:
- জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো 📉 এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির (যেমন: সৌর শক্তি ☀️, বায়ু শক্তি 🌬️) ব্যবহার বাড়ানো।
- বনভূমি সংরক্ষণ 🌳 এবং বৃক্ষরোপণ করা 🌲🌳।
- শিল্প এবং পরিবহন খাতে CO2 নির্গমন কমাতে প্রযুক্তি ব্যবহার করা।
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন করা ♻️।
আসুন, সবাই মিলে আমাদের পৃথিবীকে রক্ষা করি! ❤️🌍
Option A Explanation:
- CFC (Chlorofluorocarbons):
- প্রাথমিকভাবে ব্যবহৃত হতঃ রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, এবং স্প্রে প্রপ্সে।
- গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে শক্তিশালী শক্তি রাখে কারণ এটি দীর্ঘকাল বাতাসে স্থায়ী থাকে।
- তবে, বর্তমানের বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য এর অবদান মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে খুবই ক্ষুদ্র, সাধারণত উল্লেখ্য নয়।
- তাদের ক্ষয়কারী প্রভাব ও ওজোন স্তর ক্ষয়কারী ক্ষমতা বেশি হওয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য Montreal Protocol গৃহীত হয়েছে।
Option B Explanation:
- অক্সিজেনের উৎস: সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন O2 এর মূল উৎস হলো পানি (H2O)।
- প্রক্রিয়া: ক্লোরোফিলের সহায়তায় সূর্যের আলো ব্যবহার করে, গাছপালা পানি ভেঙে অক্সিজেন মুক্ত করে।
- প্রক্রিয়ার ধাপ: এই প্রক্রিয়ায়, জল (H2O) থেকে অণু বিভাজন হয়, যার ফলস্বরূপ অক্সিজেন (O2) মুক্ত হয়।
- উপসংহার: তাই, সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন O2 এর মূল উৎস হলো পানি (H2O)।
Option C Explanation:
- প্রকৃতি ও মানবসৃষ্টির উভয় কারণে নির্গমন: কার্বন মনোক্সাইড (CO) মূলত পরিবেশে উত্পন্ন হয় যখন জীবাশ্ম জ্বালানি জ্বলানো হয়, যেমন যানবাহন, শিল্প কারখানা এবং ঘরোয়া জ্বালানি ব্যবহারে।
- অপ্রত্যক্ষ প্রভ???ব: CO সরাসরি গ্রিনহাউস গ্যাস নয়, তবে এটি অন্য গ্যাসের জন্য ক্ষতিকর, যেমন হাইড্রোকার্বন ও অমিক্সন গ্যাসের সঙ্গে মিলিত হয়ে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় পরিবেশে ক্ষতি করে।
- অক্সিজেন কমানোর প্রভাব: CO শ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে অক্সিজেনের পরিবহন ব্যাহত হয়, তবে এটি গ্যাসের তাপ ধারণের ক্ষমতার কারণে মূলত গ্রিনহাউ??? প্রভাব কম।
- উৎপত্তি: প্রধানত ট্রাফিক, ইন্ডাস্ট্রি, এবং জ্বালানি পোড়ানোর ফলে নির্গত হয়।
Option D Explanation:
- নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড (NO2): এটি একটি গ্রিনহাউস গ্যাস যা জলবায়ু পরিবর্তনে অবদান রাখে।
- উৎপত্তি: মূলত যানবাহন, শিল্প, এবং জৈব জ্বালানি জ্বালানোর মাধ্যমে নিঃসরণ হয়।
- প্রভাব: এটি বাতাসে প্রবাহিত হলে উষ্ণতা ধরে রাখতে সাহায্য করে, ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ে।
- বিশ্লেষণ: যদিও NO2 গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রিনহাউস গ্যাস, তবে এটি পৃথিবীর গড় গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে প্রায় 50% অবদান রাখে না।