মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

গাছপালা নিধনের জন্য বাতাসে কোন গ্যাসের পরিমান বেড়ে যায়?

A. CFC
B. NO2
C. SO2
D. CO2
Poster Download
CVASUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনজীবভুমি বা বায়োম (Topic Practice)CVASU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. CO2
Explanation:
Another Explanation (5): ```html

গাছপালা নিধন ও বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের (CO2) আধিক্য 🌳➡️💨

গাছপালা নিধন (Deforestation) একটি গুরুতর পরিবেশগত সমস্যা। এর ফলে পরিবেশে অনেক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে, যার মধ্যে অন্যতম হলো বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের (CO2) পরিমাণ বৃদ্ধি। নিচে এর কারণ ও প্রভাবগুলো আলোচনা করা হলো:

গাছপালা কিভাবে CO2 নিয়ন্ত্রণ করে? 🤔

সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গাছপালা বাতাস থেকে CO2 গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন (O2) নির্গত করে। এটি একটি প্রাকৃতিক ভারসাম্য যা বায়ুমণ্ডলে CO2-এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

  • সালোকসংশ্লেষণ: ☀️ + CO2 + H2O ➡️ C6H12O6 + O2
  • অর্থাৎ: সূর্যকিরণ + কার্বন ডাই অক্সাইড + পানি ➡️ গ্লুকোজ + অক্সিজেন

গাছপালা নিধনের কারণ 🔪🌳

  1. কৃষি জমি সম্প্রসারণ: খাদ্য উৎপাদনের জন্য বনভূমি ধ্বংস করা হচ্ছে। 🌾
  2. আবাসন তৈরি: মানুষের বসতি স্থাপনের জন্য গাছ কাটা হচ্ছে। 🏘️
  3. শিল্পায়ন: কলকারখানা ও শিল্প স্থাপনের জন্য বনভূমি উজাড় করা হচ্ছে। 🏭
  4. জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ: রান্নার কাজে ব্যবহারের জন্য গাছ কাটা হয়। 🔥
  5. অবৈধ কাঠ ব্যবসা: চোরাকারবারীরা অর্থের লোভে গাছ কেটে পাচার করে। 💰

গাছপালা নিধনের ফলে CO2 বৃদ্ধির কারণ 📈

  • CO2 শোষণ কমে যাওয়া: গাছপালা কমে গেলে বাতাস থেকে CO2 শোষণের হার কমে যায়। ⬇️
  • কার্বন নিঃসরণ: গাছ কাটার পর সেগুলো পচে গেলে বা পুড়িয়ে ফেললে CO2 নির্গত হয়। 🔥
  • মাটির কার্বন মুক্তি: বনভূমি ধ্বংসের ফলে মাটির নিচে থাকা কার্বন গ্যাস আকারে বের হয়ে আসে। 🌍

CO2 বৃদ্ধির ক্ষতিকর প্রভাব ⚠️

বাতাসে CO2-এর পরিমাণ বেড়ে গেলে গ্রিনহাউস প্রভাব (Greenhouse effect) সৃষ্টি হয়, যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি (Global warming) ও জলবায়ু পরিবর্তনের (Climate change) কারণ।

প্রভাব বিবরণ
বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি 🌡️ পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া, যা মেরু অঞ্চলের বরফ গলিয়ে দেয়।
জলবায়ু পরিবর্তন 🌪️ অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়।
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি 🌊 বরফ গলে সমুদ্রের পানির স্তর বেড়ে যায়, উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হয়।
জীববৈচিত্র্য হ্রাস 🐒🦋 অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী তাদের আবাসস্থল হারিয়ে বিলুপ্ত হয়ে যায়।

করণীয় 🤝

  • ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। 🌲🌳🌴
  • বনভূমি রক্ষা করতে হবে। 🛡️
  • জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে হবে। ⛽➡️⚡
  • নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। 🔆💨
  • জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। 📣

আসুন, সবাই মিলে গাছপালা রক্ষা করি এবং একটি সুস্থ ও সুন্দর পৃথিবী গড়ি। 💚🌎

ধন্যবাদ 🙏

```
Option A Explanation:
  • CFC (Chlorofluorocarbons):
    • প্রাথমিকভাবে ব্যবহৃত হতঃ রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, এবং স্প্রে প্রপ্সে।
    • গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে শক্তিশালী শক্তি রাখে কারণ এটি দীর্ঘকাল বাতাসে স্থায়ী থাকে।
    • তবে, বর্তমানের বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য এর অবদান মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে খুবই ক্ষুদ্র, সাধারণত উল্লেখ্য নয়।
    • তাদের ক্ষয়কারী প্রভাব ও ওজোন স্তর ক্ষয়কারী ক্ষমতা বেশি হওয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য Montreal Protocol গৃহীত হয়েছে।
Option B Explanation:
  • নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড (NO2): এটি একটি গ্রিনহাউস গ্যাস যা জলবায়ু পরিবর্তনে অবদান রাখে।
  • উৎপত্তি: মূলত যানবাহন, শিল্প, এবং জৈব জ্বালানি জ্বালানোর মাধ্যমে নিঃসরণ হয়।
  • প্রভাব: এটি বাতাসে প্রবাহিত হলে উষ্ণতা ধরে রাখতে সাহায্য করে, ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ে।
  • বিশ্লেষণ: যদিও NO2 গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রিনহাউস গ্যাস, তবে এটি পৃথিবীর গড় গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে প্রায় 50% অবদান রাখে না।
Option C Explanation:

SO₂ ( সালফার ডাই অক্সাইড ) এর ব্যাখ্যা

  • প্রাকৃতিক উৎস: স্বাভাবিকভাবে ভূগর্ভস্থ সালফার বা আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত হয়।
  • মানবসৃষ্ট উৎস: কয়লা, তেল, ও অন্যান্য জ্বালানি পুড়িয়ে ধোঁয়া ও গ্যাস নিঃসরণে ব্যাপক পরিমাণে নিঃসৃত হয়।
  • প্রভাব: বাতাসে SO₂ এর বৃদ্ধি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, এতে এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি হয় এবং গাছপালার ক্ষতি হয়।
  • গাছপালার উপর প্রভাব: SO₂ গ্যাস শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে গাছের পাতায় জ্বালা সৃষ্টি করে, ফলশ্রুতিতে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং মৃত্যুও হতে পারে।
Option D Explanation:
  • অক্সিজেনের উৎস: সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন O2 এর মূল উৎস হলো পানি (H2O)।
  • প্রক্রিয়া: ক্লোরোফিলের সহায়তায় সূর্যের আলো ব্যবহার করে, গাছপালা পানি ভেঙে অক্সিজেন মুক্ত করে।
  • প্রক্রিয়ার ধাপ: এই প্রক্রিয়ায়, জল (H2O) থেকে অণু বিভাজন হয়, যার ফলস্বরূপ অক্সিজেন (O2) মুক্ত হয়।
  • উপসংহার: তাই, সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন O2 এর মূল উৎস হলো পানি (H2O)।