কোন কবি কাব্যনাটক রচনা করেছেন?
A. জীবননান্দ দাশ
B. সৈয়দ শামসুল হক
C. সুফিয়া কামাল
D. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
সঠিক উত্তরঃ
B.
সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘ফেব্রুয??ারি ১৯৬৯' কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে - দেশপ্রেমগণজাগরণসংগ্রামী চেতনানিচের কোনটি সঠিক?
- উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' 'কবিতার মূলভাব প্রকাশিত হয়েছে-
- ‘ফেব্রুয়ার?? ১৯৬৯' কবিতায় কৃষ্ণচূড়ার রংকে কবিকীসের রং হিসেবে উল্লেখ করেছেন?
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্হটি কোন কবির রচনা?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আমাদের চেতনার রং কী?
- 'উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সাদৃশ্য তুলে ধরো।'
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়' কাব্যের রচয়িতা কে?
- কোন গ্রন্থটি শামসুর রহমানের?
- ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানে কোন চেতনা কাজ করেছে?
- ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।' এইচরণটির আগের চরণ হল-
- 'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কয়জন ভাষা শহীদের নাম এসেছে?
- কোন কাব্যগ্রন্থ শামসুর রাহমানের লেখা নয়?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ভাষাশহিদ সালামের নামকতবার উল্লেখ করা হয়েছে?
- শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' -কবিতায় কার মুখকে ''তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলার'' সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- ‘দুঃসময়ের মুখোমুখি’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- শহিদের পুণ্য রক্তে সাত কোটিবাঙালির প্রাণের আবেগ আজপুষ্পিত সৌরভ। বাংলার নগর, বন্দরগঞ্জ, বাষট্টি হাজার গ্রামধ্বংসস্তূপ থেকে সাত কোটি ফুলহয়ে ফোটে। প্রাণময় মহৎ কবিতাআর কোথাও দেখি না এর চেয়ে।উদ্দীপকটির সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন চেতনার মিল রয়েছে- ব্যাখ্যা করো।
- ওরা চল্লিশজন কিংবা আরও বেশিযারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে-রমনার রৌদ্রদগ্ধকৃষ্ণচূড়ার গাছের তলায়,ভাষার জন্য, মাতৃভাষার জন্য-বাংলার জন্যযারা প্রাণ দিয়েছে ওখানেএকটি দেশের মহান সংস্কৃতির মর্যাদার জন্য।উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্য রয়েছে? তুলে ধরো।
- কার চোখ আজ আলোচিত ঢাকা?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কৃষ্ণচূড়া ফুলকে কবিরকাছে কেমন মনে হয়?
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের!শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পরেছি ফাঁসআপস করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।উদ্দীপকের ইতিহাস প্রসঙ্গ এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ঐতিহ্য চেতনার সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কৃষ্ণচূড়াকে কবি কীসের সাথে তুলনা করেছেন?
- রেডিওতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে রূপনগর গ্রামের ছেলে রাসেল ও ফরিদ যুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নেয়। তারা বুঝতে পারে পাকিস্তানিদের দমন করতে না পারলে বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। মাতৃভূমিকে স্বৈরাচারী শাসকদের কবল থেকে রক্ষার জন্য রাতের আঁধারে তারা পাড়ি জমায় ভারতে। প্রশিক্ষণ নেয়। প্রাণপণে লড়াই করতে করতে দুজনেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে শত্রুদের গুলির আঘাতে।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্রদ্বয় 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য- বিশ্লেষণ কর।
- প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার পথেই রুমার নজর পড়ে আমগাছটির দিকে। ওদিকে তাকাতেই তার মনে পড়ে তার প্রতিবাদী বুরুর কথা। কেননা, ওই গাছটাতেই বুবু রীনার গলায় দড়ি দেওয়া লাশ পাওয়া গিয়েছিল। কয়েকটা বখাটে যুবক, তাকে প্রায়ই বিরক্তকরত। তাই একদিন সে প্রতিবাদ করেছিল এবং জুতা দেখিয়েছিল। সেই কারণে পরের দিনই তার প্রতিবাদী বুবু রীনার লাশ ওই গাছটাতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।"উদ্দীপকের রীনা আর 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার শহিদরা একই প্রতিবাদের মূর্ত প্রতীক।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- "দেখি নাই যারে, চিনি নাই যারে/শুনি নাই নাম কভু তিনিই আজিকে দেবতা আমার/তিনিই আমার প্রভু!!"শামসুর রাহমানের মতে বিচিত্র শ্রেণি-পেশার মানুষ তথাকথিত 'প্রভু'র বিরুদ্ধে কেন আন্দোলন করে?
- 'রৌদ্র করােটিতে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
- নিচের কোনটি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ?
- "ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯" কবিতায় শামসুর রাহমান বর্ণমালাকে কিসের প্রতীক হিসেবে তুলনা করেছে-
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের।শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন- শস্য করেছি চাষ;একই হাসিমুখে বাজিয়েছি বাঁশি, গলায় পরেছি ফাঁস;উদ্দীপকে বর্ণিত ভাবনার সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ঐতিহ্য চেতনার সাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- 'সারা দেশ ঘাতকের অশুভ আস্তানা'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'কমলবন' শব্দটির অর্থ কী?
- সৈয়দ শামসুল হকের রচনা কোনটি?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সালামের হাত থেকে কী ঝরে?
- ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজরা এদেশের চাষিদের দিয়ে জোর করে নীল চাষ করাত। চাষিদেরকে নামেমাত্র দাদন দিয়ে নীল চাষ করানো হতো। নীল চাষে বাধ্য হওয়ায় চাষিরা তাদের প্রয়োজনীয় শস্য যেমন- ধান, পাট, সরিষা ইত্যাদি উৎপাদন করতে পারতেন না। নীল চাষ করতে অপারগ হলে চাষিদের ওপর নেমে আসত নির্মম অত্যাচার। এ কারণে গড়ে ওঠে নীল বিদ্রোহ। নদীয়ার বিষ্ণুচরণ ও পাবনার কাদের মোল্লার মতো অসংখ্য মানুষ কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ধীরে ধীরে এ আন্দোলন সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে।উদ্দীপকে বিষ্ণু ও কাদের মোল্লা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কাদের কথা স্মরণ করিয়ে দেন? এ সাদৃশ্যের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ‘সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ’- “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯” কবিতার এই চরণে ‘ফুল’ হলো:
- 'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯' কবিতার বৈশিষ্ট্য কোনটি?
- তুমি তরুণ, তুমি অরুণ, জাতির ভাগ্যাকাশেতোমার' তাজা প্রাণের ছোঁয়ায় বাংলা ভাষা হাসেউনসত্তরের অভ্যুত্থানে তোমারই বুক পাতাতোমারই লাল রক্তে ভিজে এসেছে স্বাধীনতা।'বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে তরুণদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।'- উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'সালামের মুখে আজ তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা'- ব্যাখ্যা করো।
- 'হরিৎ উপত্যকা' অর্থ কী?