ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজরা এদেশের চাষিদের দিয়ে জোর করে নীল চাষ করাত। চাষিদেরকে নামেমাত্র দাদন দিয়ে নীল চাষ করানো হতো। নীল চাষে বাধ্য হওয়ায় চাষিরা তাদের প্রয়োজনীয় শস্য যেমন- ধান, পাট, সরিষা ইত্যাদি উৎপাদন করতে পারতেন না। নীল চাষ করতে অপারগ হলে চাষিদের ওপর নেমে আসত নির্মম অত্যাচার। এ কারণে গড়ে ওঠে নীল বিদ্রোহ। নদীয়ার বিষ্ণুচরণ ও পাবনার কাদের মোল্লার মতো অসংখ্য মানুষ কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ধীরে ধীরে এ আন্দোলন সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে।
উদ্দীপকে বিষ্ণু ও কাদের মোল্লা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কাদের কথা স্মরণ করিয়ে দেন? এ সাদৃশ্যের কারণ ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- তুমি তরুণ, তুমি অরুণ, জাতির ভাগ্যাকাশেতোমার' তাজা প্রাণের ছোঁয়ায় বাংলা ভাষা হাসেউনসত্তরের অভ্যুত্থানে তোমারই বুক পাতাতোমারই লাল রক্তে ভিজে এসেছে স্বাধীনতা।'বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে তরুণদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।'- উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল'— কারণ তিনি ছিলেন—
- কবি শামসুর রহমান কোন পত্রিকায় সাংবাদিকতার মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন?
- ’খুকি ও কাঠবিড়ালী’ কবিতাটি কার লেখা?
- 'উনিশশো উনসত্তরে আবার নামে রাজপথে' কে?
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো কী ঝরে?
- কে চট্টগ্রামের নয়?
- 'নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিনাশী বর্ণমালা' বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- কবি শামসুর রাহমানের জন্যস্থান_
- 'এ রস্তের বিপরীত আছে অন্য রং'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিল। আর তপুর হাতে ছিল একটি মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপরে লাল কালিতে লেখা ছিল 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছাতেই অকস্মাৎ কিছু বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার। (একুশের গল্প- জহির রায়হান) উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটির কোন দিকটি ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।
- 'সেই ফুল আমাদের প্রাণ'- বুঝিয়ে দাও।
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটিতে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সংগ্রামী মানুষের কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে- তারা-
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সাবিহা কালো পাড়েরসাদা শাড়িতে লাল রঙের সবগুলো বাংলা বর্ণমালাএঁকেছে। সাবিহার শাড়িতে আঁকা লাল বর্ণমালাযেন ভাষাশহিদদেরই কথা বলছে।কবিতায় বর্ণিত ওই ব্যক্তি সম্পর্কে বলা যায়- তিনি একজন ভাষাশহিদতার চোখে আজ আলোচিত ঢাকাতিনি আজও রাজপথে নেমে আসেননিচের কোনটি সঠিক?
- বাঙালি চেতনার বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের পরবর্তী সকল আন্দোলন এ চেতনা থেকে প্রেরণা পেয়েছে।উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষা আন্দোলন 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত কোন আন্দোলনকে প্রেরণাজুগিয়েছিল?
- 'হরিৎ উপত্যকা' অর্থ কী?
- "মাগো ওরা বলেসবার কথা কেড়ে নেবেতোমার কোলে শুয়েগল্প শুনতে দেবে না। ”উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মূলভাবেপ্রকাশিত হয়েছে—স্বদেশপ্রেমমাতৃভাষা প্রীতিজীবন প্রীতিনিচের কোনটি সঠিক?
- রেডিওতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে রূপনগর গ্রামের ছেলে রাসেল ও ফরিদ যুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নেয়। তারা বুঝতে পারে পাকিস্তানিদের দমন করতে না পারলে বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। মাতৃভূমিকে স্বৈরাচারী শাসকদের কবল থেকে রক্ষার জন্য রাতের আঁধারে তারা পাড়ি জমায় ভারতে। প্রশিক্ষণ নেয়। প্রাণপণে লড়াই করতে করতে দুজনেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে শত্রুদের গুলির আঘাতে।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্রদ্বয় 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য- বিশ্লেষণ কর।
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের!শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পরেছি ফাঁসআপস করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।"উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য"- বিশ্লেষণ করো।
- নিম্নের কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা?
- কোনটি শামসুর রাহমানের কাব্য?
- কবিভক্ত কবির কাছে কী শুনতে চেয়েছেন?
- ‘এ আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরোর মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরেবছর-তিনেক আগে কাক-ডাকা গ্রীষ্মের দুপুরে'।পঙক্তিগুলো কোন কবির রচনা?
- ভাষাশহিদদের 'রক্তের বুদ্বুদ' কোনটি?
- কোনটি শামসুর রহমানের রচনা?
- 'ওরা শহিদের ঝলকিত রস্তের বুদ্বুদ'- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় 'ওরা' হলো-
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বরকত বুক পাতে কোথায় ?
- ‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’- কার কবিতা?
- শামসুর রহমানের গ্রন্থ নয় কোনটি?
- 'তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল' কার কবিতার পঙক্তি?
- একুশের কৃষ্ণচূড়া মূলত-
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় “চতুর্দিকে মানবিক বাগান,কমলবন হচ্ছে—।"
- 'কমলবন' শব্দটিকে কবি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কী হিসেবে ব্যবহার করেছেন?
- 'রক্তদানের পুণ্যে'র কথা উল্লেখ রয়েছে কোন কবিতায় -
- সৈয়দ শামসুল হকের রচনা কোনটি?
- কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা নয়?
- ক-অংশযুবকের বুকে নিয়ে বুলেটের অংশপড়িল মাটির 'পরেফোঁটায় ফোঁটায় লহুধারারাজপথে বিছাইল রক্ত জবা ফুল।শেষ নিশ্বাসের আগে তারাগেয়ে গেল রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই।খ-অংশতোমাদের রক্তঝণ, অম্লান আহুতিবেঁকে যাওয়া আমাদের মেরুদণ্ড টান টান সোজা করে উদ্যত দাঁড়াতে।দরকারি ক্রোধ, প্রেম প্রকাশ, শক্তি দেয়।উদ্দীপকের ক-অংশ দ্বারা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?- আলোচনা করো।
- খোকারা সব জেগে ওঠে আঁতকে ওঠে মা লড়াই লড়াই লড়াই শুরু-শহর পাড়া গাঁ বীরের মত রুখে দাঁড়ায় বিজলি হয়ে ছোটে মারের চোটে বর্গিরা সব ধুলো কাদায় লোটে উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে ভাবগত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে- সংগ্রাম মিছিল মহামারিনিচের কোনটি সঠিক?
- "এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট,"- কোন রঙে, কেন? ব্যাখ্যা কর।
- এ রঙের বিপরীত আছে অন্য রং'- চরণটিতে 'অন্য রং' দ্বারা বোঝানো হয়েছে-