'দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো / ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা।' - এখানে নক্ষত্রের সাথে বর্ণমালার তুলনা হলো-
A. শব্দালংকার
B. অর্থালংকার
C. ছন্দ
D. অন্ত্যমিল
সঠিক উত্তরঃ
B.
অর্থালংকার
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আবার সালাম নামেরাজপথে’- কেন?
- খোকারা সব জেগে ওঠে আঁতকে ওঠে মা লড়াই লড়াই লড়াই শুরু-শহর পাড়া গাঁ বীরের মত রুখে দাঁড়ায় বিজলি হয়ে ছোটে মারের চোটে বর্গিরা সব ধুলো কাদায় লোটে উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে ভাবগত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে- সংগ্রাম মিছিল মহামারিনিচের কোনটি সঠিক?
- 'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
- "শাবাশ বাংলাদেশএ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়জ্বলে পুড়ে মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।""উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মর্মবাণীকে পুরোপুরি ধারণ করে না"- মন্তব্যটি নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করো।
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি কবি শামসুর রাহমানেরকোন কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে?
- 'কপালে কজিতে লাল সালু বেঁধেএই মাঠে ছুটে এসেছিল কারখানা থেকে লোহার শ্রমিক,লাঙল জোয়াল কাঁধে এসেছিল ঝাঁক বেঁধে উলঙ্গ কৃষকহাতের মুঠোয় মৃত্যু চোখে স্বপ্ন নিয়ে এসেছিল মধ্যবিত্ত,নিম্নবিত্ত, করুণ কেরানি, নারী, বৃদ্ধ, ভরঘুরেআর তোমাদের মতো শিশু পাতা কুড়ানির দল বেঁধে।'উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বক্তব্যের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ রয়েছে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে ?
- সালামের মুখ আজ........শূন্যস্থানে হবে-
- 'সারা দেশ ঘাতকের অশুভ আস্তানা'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কবিভক্ত কবির কাছে কী শুনতে চেয়েছেন?
- ‘ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে' কোন কবিতার অংশ?
- 'তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল'— কারণ তিনি ছিলেন—
- ’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় একুশের চেতনার রঙের প্রতীক কোনটি?
- 'বাস্তবের বিশাল চত্বরে / হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায়'- কী হয়?
- একুশের কৃষ্ণচূড়া মূলত-
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় 'ঘাতকের অশুভ আস্তানা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- ’খুকি ও কাঠবিড়ালী’ কবিতাটি কার লেখা?
- শহরের পথে থরে থরে কি ফুটেছে?
- ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ কোন কবির কবিতায় বিষয় হিসেবে বিশেষ প্রাধান্য পেয়েছে?
- ক-অংশযুবকের বুকে নিয়ে বুলেটের অংশপড়িল মাটির 'পরেফোঁটায় ফোঁটায় লহুধারারাজপথে বিছাইল রক্ত জবা ফুল।শেষ নিশ্বাসের আগে তারাগেয়ে গেল রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই।খ-অংশতোমাদের রক্তঝণ, অম্লান আহুতিবেঁকে যাওয়া আমাদের মেরুদণ্ড টান টান সোজা করে উদ্যত দাঁড়াতে।দরকারি ক্রোধ, প্রেম প্রকাশ, শক্তি দেয়।উদ্দীপকের ক-অংশ দ্বারা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?- আলোচনা করো।
- কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং, কারণ এতে রয়েছে-
- বায়ান্নর একদিন জেগেছিলো সব। আবার আসেনি কি মহাজাগরণসমহান একাত্তরে?ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কারমানুষের অগ্রযাত্রা বন্ধ করে শক্তি আছে কার।উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? নির্ণয় কর।
- ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।' এইচরণটির আগের চরণ হল-
- ‘আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরেরপথে'— পঙক্তিতে জাতীয় জীবনের কোন দিকটিতুলে ধরা হয়েছে?
- "অন্তহীন মিছিলের দেশ,সারি সারি মানুষের আকারে হলে মূর্তিময়ীসমস্ত স্বদেশ আজ রাঙা রাজপথে।দিবালোক হয়ে ফোটে প্রাঞ্জল বিপ্লবসাত কোটি মুখ হাসে মৃত্যুর রঙিন তীর হাতে নিয়ে।শ্রেণিবদ্ধ এই ভিড়ে সকলেই সবার আগেএকবার শত্রুকে শেষ দেখা দেখে নিতে চায়।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে দিকটিকে আলোকপাত করে তা তুলে ধর।
- 'অবিনাশী বর্ণমালা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজরা এদেশের চাষিদের দিয়ে জোর করে নীল চাষ করাত। চাষিদেরকে নামেমাত্র দাদন দিয়ে নীল চাষ করানো হতো। নীল চাষে বাধ্য হওয়ায় চাষিরা তাদের প্রয়োজনীয় শস্য যেমন- ধান, পাট, সরিষা ইত্যাদি উৎপাদন করতে পারতেন না। নীল চাষ করতে অপারগ হলে চাষিদের ওপর নেমে আসত নির্মম অত্যাচার। এ কারণে গড়ে ওঠে নীল বিদ্রোহ। নদীয়ার বিষ্ণুচরণ ও পাবনার কাদের মোল্লার মতো অসংখ্য মানুষ কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ধীরে ধীরে এ আন্দোলন সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে।উদ্দীপকে বিষ্ণু ও কাদের মোল্লা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কাদের কথা স্মরণ করিয়ে দেন? এ সাদৃশ্যের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- 'রৌদ্র করােটিতে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
- প্রেরণাদায়ী চরণটি হলো-
- আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে'- পঙ্ক্তিটি আমাদের জাতীয় জীব??ের কোন ঘটনার স্মারক?
- অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে সেদিন বর্ণমালা সেই থেকে শুরু দিন বদলের পালা।উদ্দীপকে 'দিন বদলের পালা' 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে বিষয়কে নির্দেশ করেছে-
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কৃষ্ণচূড়া ফুলকে কবিরকাছে কেমন মনে হয়?
- স্মৃতির শহর' কার রচনা?
- বায়ান্নর একদিন জেগেছিলো সব। আবার আসেনি কি মহাজাগরণসমহান একাত্তরে?ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কারমানুষের অগ্রযাত্রা বন্ধ করে শক্তি আছে কার।'ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কার' উদ্দীপকের এই উক্তিটিই 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মূলভাব- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া?
- বুকের অধীর ফিনকির ক্ষুরধারশহিদের ক্ষুর লেগেকিশোর তোমার দুই হাতে দুইসূর্য উঠেছে জেগে।উদ্দীপকটি কোন কবিতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় রূপক অর্থে কোন রং আমাদের চোখে ভালো লাগে না?
- তোমার রাইফেল থেকে বেরিয়ে আসছে-জীবন তুমি দাও থরোথরো দীপ্ত প্রাণ বেয়নেটে নিহত লাশকে তোমার আগমনে প্রাণ পায় মরা গাছ পোড়া প্রজাপতি তোমার পায়ের শব্দে বাংলাদেশে ঘনায় ফাল্গুন ৫৬,০০০ বর্গমাইলের এই বিধ্বস্ত বাগানে এক সুরে গান গেয়ে ওঠে সাত কোটি বিপন্ন কোকিল। [মুক্তিবাহিনীর জন্য- হুমায়ুন আজাদ] 'বাঙালির সংগ্রাম ছিল ধ্বংসের বিরুদ্ধে মানবতার লড়াই।' মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- “মাগো ওরা বলে,সবা কথা কেড়ে নেবেতোমার কোলে শুয়েগল্প শুনতে দেবে না।'' উদ্দীপকের সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোনবিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ?