'কিন্তু আমরা তাঁর কথা বুঝলাম না।'— 'আমার
পথ' প্রবন্ধে কার সম্পর্কে আলোচ্য কথাটি বলা
হয়েছে?
A.
জওহরলাল নেহেরু
B.
মহাত্মা গান্ধী
C.
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
D.
নেতাজি সুভাষচন্দ্ৰ বসু
সঠিক উত্তরঃ
B.
মহাত্মা গান্ধী
Explanation:
মহাত্মা গান্ধী নিজের ওপর অটুট বিশ্বাস রাখতে এবং স্বাবলম্বী হতে শেখাচ্ছিলেন। কিন্তু মানুষ তাঁর কথা বুঝতে না পেরে তাঁর ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হতে শুরু করে।
Related Questions (Any University/Year)
- পরের মুখে শেখা বুলি পাখির মতো কেন বলিস?পরের ভঙ্গি নকল করে নটের মতো কেন চলিস?তোর নিজস্ব সর্বাঙ্গে তোরে দিলেন বিধাতা আপন হাতে,মুছে সেটুকু বাজে হলি, গৌরব কি বাড়ল তাতে?আপনারে যে ভেঙ্গে চুরে গড়তে চায় পরের ছাঁচেঅলীক, ফাঁকি মেকি সে জন নামটা তার কদিন বাঁচে?"উদ্দীপকের মূলভাব ব্যক্তিতে চর্চিত হলে 'আমার পথ' প্রবন্ধের উদ্দেশ্য বিশ্বের আদর্শ হতো।"- মন্তব্যটি বিশেষণ কর।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে প্রকাশিত হয়েছে—
- 'তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসটি প্রথম কোন্ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- মানুষ-ধর্মকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয় কেন?
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধে লেখকের কর্ণধার কে?
- আত্মবিশ্বাসী মানুষই সাফল্যের পথে এগিয়ে যান। তিনি অন্যের মত ও পথের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেও নিজের সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। অন্যের উপর নির্ভরতা তার লক্ষ্য নয়। নিজেকে চিনে এবং নিজের বিশ্বাসকে বড় মনে করার মধ্য দিয়েই তিনি কল্যাণকর কিছু করতে পারেন।'আত্মনির্ভরশীলতার মধ্য দিয়েই একজন ব্যক্তি বা একটি জাতি উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছতে পারে। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "অন্তরে যাদের এক গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে? " - কার রচনার অংশ?
- 'শিউলিমালা' উপন্যাসটি কে লিখেছেন?
- ‘মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম’ - কথাটি কে কোন রচনায় বলেছেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম সবচেয়েবড় ধর্ম বলতে কোন ধর্মের উল্লেখ করেছেন?
- স্বামী বিবেকানন্দ আত্মবিশ্বাসকে একটি অতীব জরুরি গুণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিশ্বের ইতিহাস হলো কয়েকজন আত্মবিশ্বাসসম্পন্ন মানুষের ইতিহাস। নিজের উপর বিশ্বাস থাকলে তবেই অন্তরে দেবত্ব জাগ্রত হয়। তাই তিনি বলেন, 'তেত্রিশ কোটি দেব-দেবীতে বিশ্বাস থাকলেও কারো যদি আত্মবিশ্বাস না থাকে, তবে সে মুক্তি পাবে না।''বিশ্বের ইতিহাস হলো কয়েকজন আত্মবিশ্বাসম্পন্ন মানুষের ইতিহাস।' মন্তব্যটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- অগ্নিবীণা-র রচয়িতা কে?
- রেবেকা সুলতানা রাজধানীর স্বনামধন্য কলেজের একজন আদর্শ শিক্ষক। কলেজ ছুটির পরে তিনি অবসর সময়ে পিছিয়ে পড়া নারীদের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন। এ কারণে তিনি গড়ে তোলেন 'নারী অধিকার' নামের একটি সংগঠন। এ সংগঠনের মাধ্যমে নারীদের হয়রানি, নিরাপত্তাহীনতা এবং নানাবিধ অনৈতিকতার প্রতিবাদে নিজেকে সমর্পণ করেন। কিন্তু কতিপয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ তার বিরোধিতা করেন। তা সত্ত্বেও তিনি তার প্রতিবাদ ও সচেতনতা অব্যাহত রাখেন।"উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধের ভাব সবটুকু প্রতিফলিত হয়নি।"- বিশ্লেষণ করো।
- 'পৃথিবীতে এমন কেউ কেউ আছেনমিথ্যার সাথে করেন না আপসকোথাও মেকি দেখলেই ঝরেতাদের রোষকেউ কেউ বলে এটা তাদের দোষঅনেকেই, তাদের বাহবা দিয়ে বলেআছে বটে সাহস।'"উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূলভাবের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- একসাথে আছি একসাথে বাঁচিআরও একসাথে থাকবই।সব বিভেদের রেখা মুছে দিয়েসাম্যের ছবি আঁকবই।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধে কবি যে ধর্মের কথাবলেছেন, তা হলো-
- বর্তমান কালের যুবক-যুবতিদের মধ্যে পরনির্ভরশীলতা বাড়ছে। নিজের শক্তি সম্পর্কেও পার্বতী ও বিলাসী চরিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। তারা অবগত নয়। নিজের অপরিসীম শক্তি সম্পর্কে জানলে তারা অনেক সমস্যা থেকেই মুক্তি পেত। পরের দিকে চেয়ে থাকার জন্য তাদের মন আজ মানসিক দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের বক্তব্য কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'আত্মকে চেনা, নিজের সত্যকে বড়ো মনে করার দম্ভ' -সম্পর্কে কোনটি গ্রহণযোগ্য— এ দম্ভ শির উঁচু করে মতে একটা ‘ডোন্ট কেয়ার' ভাব আনেঅসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগ্রত করেনিচের কোনটি সঠিক?
- এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষার দায়িত্ব নবনির্বাচিতকমিশনার কাইউম সাহেবের ওপর ন্যস্ত করে সবাই যখননিশ্চিত তখন কাইউম সাহেব এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যেবললেন, 'আপনাদেরও এ ক্ষেত্রে সজাগ থাকতে হবে।' উদ্দীপকের কাইউম সাহেবের সাথে মিল আছে 'আমারপথ' প্রবন্ধের—
- "স্বল্পপ্রাণ,স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তি প্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ।" কোন প্রবন্ধের অংশ?